
ঢাকা : যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে মামলার প্রক্রিয়া চলছে। গতকাল (বুধবার) রাতে খালেদ মাহমুদ ভুঁইয়াকে গ্রেফতারের সময় অস্ত্র ও মাদক পাওয়া যায়। এছাড়া তার ক্যাসিনো থেকে নারী, মদসহ নিষিদ্ধ বস্তু উদ্ধার করে র্যাব। এরপর থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত র্যাব-৩ এর হেফাজতে ছিলেন খালেদ।
এরপর দুপুরে তাকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়। এর আগে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে র্যাব। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে খালেদ ক্যাসিনো থেকে উপার্জিত অর্থ কীভাবে ভাগ-বাটোয়ারা হতো সেই বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন। তার দেওয়া তথ্য সঠিক কিনা যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
গুলশান থানায় অস্ত্র ও ইয়াবা রাখার অভিযোগে মাদক আইনে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে মতিঝিল থানা। আইনশৃংখলা বাহিনী সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এ ক্যাসিনোর নেতৃত্বে আছেন ইসমাইল হোসেন সম্রাট।
শাহজাহানপুর রেলওয়ে কলোনিতে বেড়ে ওঠা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া ফকিরাপুলের ইয়াংমেন্স ক্লাবের সভাপতি। স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই ক্লাবটি এক সময় ফুটবল খেলার জন্য বিখ্যাত ছিল। খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে নানা ধরনের অপকর্ম শুরু হয়।
র্যাবের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক সারোয়ার বিন কাশেম বলেন, বনানীর আহমেদ টাওয়ারে অবস্থিত গোল্ডেন ঢাকা বাংলাদেশ নামের ক্যাসিনোতে ইয়াংমেন্স ক্লাব থেকে মাদক এবং জুয়ার সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়েছে। ক্লাবের কাউন্টার থেকে প্রায় ২৫ লাখ টাকা জব্দ করা হয়।
ওয়ান্ডারার্স ক্লাব থেকে মাদক, জাল টাকা, বিপুল পরিমাণ টাকা ও ক্যাসিনো সামগ্রী জব্দ করা হয়েছে।
একুশে/এসসি
