
ঢাকা : ক্রিকেটারদের ১১ দফা দাবির প্রথমটি ছিল, প্লেয়ারদের উন্নয়নমূলক অ্যাসোসিয়েশন ‘ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)’ ক্রিকেটাররা কখনও দেখেনি তারা খেলোয়াড়দের পক্ষে কথা বলেছে। অতএব কোয়াবের প্রেসিডেন্ট, সেক্রেটারি যারা আছেন তাদের অনতিবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। প্রেসিডেন্ট, সেক্রেটারি কে হবেন সেটা প্লেয়াররা নির্বাচনের মাধ্যমে ঠিক করবে।
এমন দাবির পরে পাপন জানালেন, কোয়াবের সাথে বোর্ডের কোনো সম্পর্ক নেই। ওদের রিকনাইজেশন দেওয়া ভুল হয়েছে। না দিলেই ভালো হত বলে এখন মনে হচ্ছে। তবে, কোয়াবের জন্যই ক্রিকেটারদের বেতন বাড়ছে। বোর্ডের কজন কোয়াবের দায়িত্বে আছেন। ওদের মধ্যেই সমস্যা, সেটা জানলে তাদের আর দায়িত্ব দিতাম না।
সংবাদ সম্মেলনেই দুর্জয় জানিয়ে দেন, কোয়াব থেকে আমার পদত্যাগের প্রশ্নই আসে না। তিনি বলেন, ‘আমি বলছি, নির্বাচন আসুক আগে। সেখানে যার সমর্থন সবচেয়ে বেশি, যাকে ক্রিকেটাররা চাইবে- তাকেই নির্বাচিত করবে। সেখানে আমি হই কিংবা অন্য যে কেউ হোক- হতে পারে। অথচ কেউ কেউ বলছে, আমি নাকি পদত্যাগ করছি। কিন্তু এটা ভুল। আমি পদত্যাগ করছি না।
বর্তমান এবং সাবেক ক্রিকেটারদের মধ্যে মেলবন্ধন তৈরি কারী এই সংগঠনটিকে নিয়ে প্রশ্ন তোলা দুঃখজনক বলে জানিয়েছেন কোয়াবের বর্তমান সভাপতি নাঈমুর রহমান দুর্জয়।
সংবা্দমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নাঈম বলেন, ক্রিকেটাররা আমাদের নিযে সন্তুষ্ট না থাকলে আমরা সড়ে দাঁড়াবো। আমরাও ক্রিকেট খেলেছি, তাদের মতো আমরাও দেশের জন্যই খেলেছি।’
পদত্যাগের বিষয়টি দূরে ঠেলে দুর্জয় বলেন, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সংগঠনে নতুন নেতৃত্ব আসতে পারে। চাইলেই পদত্যাগ করা যায় না।
একুশে/এএ
