শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

কীভাবে বিস্ফোরণের সূত্রপাত?

প্রকাশিতঃ রবিবার, নভেম্বর ১৭, ২০১৯, ৫:০২ অপরাহ্ণ


চট্টগ্রাম: নগরের পাথরঘাটা এলাকার বিস্ফোরণের আগে হঠাৎ বিকট শব্দ। কেঁপে ওঠে চারদিক। ধনা বড়ুয়া ভবনের একটি দেয়াল এসে ঢুকে পড়েছে জনতা ফার্মেসি এবং পাশের স্টুডিও ফটোরমা নামের দোকান দুটির ভেতরে। শুধু দেয়াল না, ভবনটির ফটকসহ এসে পড়ে। রাস্তায় থাকা রিকশা এবং পথচারীরাও চাপা পড়ে এই দেয়ালের নিচে।

রোববার সকাল ৯টার দিকে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ এই বিস্ফোরণের সূত্রপাত কী—সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিস্ফোরণের সূত্রপাত কোথা থেকে, তা এখনই বলা সম্ভব নয়।

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক পূর্ণচন্দ্র মুৎসুদ্দী সাংবাদিকদের বলেন, ভবনের নিচতলায় সীমানা প্রাচীরের পাশে ওই বাড়ির গ্যাস রাইজার। বিস্ফোরণটি সেখানেই হয়েছে। হয়তো রাইজারে কোনো সমস্যা ছিল। সকালে বাসায় রান্না করার সময় অথবা কারও ফেলা সিগারেটের আগুন থেকে বিস্ফোরণ ঘটতে পারে।

তবে ঘটনাস্থলে গিয়ে গ্যাস রাইজারটি অক্ষত পাওয়া গেছে।

আবার ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মো. জসিম উদ্দিন ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের বলেছেন, প্রাথমিকভাবে গ্যাসলাইন থেকে বিস্ফোরণের পর দেয়াল ধসে এই ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি।

ঘটনার বিষয়ে কোতোয়ালী থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন বলেন, ভবনের নিচতলার রান্নাঘর থেকেই বিস্ফোরণের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এমন হতে পারে, গ্যাস লাইন লিক হয়ে রান্নাঘরে গ্যাস জমে ছিল। কেউ রান্নাঘরে আগুন ধরাতেই বিস্ফোরিত হয়ে দেয়াল উড়ে গেছে। শুধু শুধু গ্যাস লাইন বিস্ফোরণের কারণ নেই।

এর আগে রোববার সকাল ৯টার দিকে পাথরঘাটা এলাকার ধনা বড়ুয়ার পাঁচতলা ভবনের নিচতলায় গ্যাস পাইপলাইনে বিস্ফোরণ হয়। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক জহিরুল ইসলাম বলেন, গুরুতর দগ্ধ সাতজনকে হাসপাতালে আনা হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। আহত ২০ জন হাসপাতালে ভর্তি আছেন।