
ঢাকা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি নুরুল হক নুর এবং তার সহযোগীদের ওপর হামলার ঘটনায় ঘটনায় মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের তিন নেতাকে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের একাংশের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত তূর্য ও দপ্তর সম্পাদক মেহেদী হাসান শান্তকে আদালতে পাঠানো হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে শাহবাগ থানার পরিদর্শক আরিফুর রহমান সরদার জানান, বিকেল ৩টায় ঢাকা মহানগর হাকিম মইনুল ইসলামের আদালতে এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। ওই তিন নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে পাঁচ দিনের রিমান্ড চাওয়া হবে।
এদিকে, মঙ্গলবার সকালে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের একাংশের দপ্তর সম্পাদক মেহেদী হাসান শান্তকে পুলিশ আটক করে বলে নিশ্চিত করেন শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক ও নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রইচ উদ্দিন।
এর আগে, গতকাল সোমবার দুপুরে শাহবাগ থেকে আল মামুন ও ইয়াসির আরাফাত তূর্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি নুরুল হককে তার কক্ষে ঢুকে আলো নিভিয়ে পেটান মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতাকর্মীরা। এই মঞ্চের অনেকেই ছাত্রলীগের নেতাকর্মী। এ সময় নুরুলের সঙ্গে থাকা বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের অন্তত ৩০ জনকে বেধড়ক মারধর করা হয়। এদের মধ্যে কয়েকজনেকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।তবে তারা সবাই আশঙ্কামুক্ত আছেন।
এ ঘটনায় গতকাল সোমবার রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে শাহবাগ থানা পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছে। মামলায় আটজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৩০/৩৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলা নং- ৩৪।
এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন-মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল, সাধারণ সম্পাদক আল মামুন, ঢাবি শাখার সভাপতি এ এস এম সনেট, সাধারণ সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত তূর্য, এ এফ রহমান হল শাখা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক ইমরান সরকার, কবি জসিম উদ্দিন হল শাখার সাধারণ সম্পাদক ইয়াদ আল রিয়াদ (হল থেকে অস্থায়ী বহিষ্কৃত), জিয়া হল শাখা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সভাপতি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী তৌহিদুল ইসলাম মাহিম ও মাহবুব হাসান নিলয়সহ আরও অজ্ঞাত ৩০/৩৫ জন।
