চট্টগ্রাম : কোনো অজুহাতেই জনগণের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রীর দাম যেন না বাড়ে সেজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কঠোর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন চট্টগ্রাম নাগরিক উদ্যোগের উপদেষ্টা ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।
তিনি শুক্রবার সকাল ১১ টায় সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে নাগরিক উদ্যোগের এক বিশেষ সভায় উপরোক্ত আহ্বান জানান।
এ সময় সুজন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন দেশের সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন ঠিক সে সময়ে একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি করে জনসাধারণকে ভোগান্তিতে ফেলে প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। যখনই দেশে একটি স্থিতিশীল অবস্থা বিরাজ করে তখনই সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা নানা অজুহাতে দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি করে একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করে। আসন্ন রমজানকে কেন্দ্র করে সেই সকল অসাধু সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা এখন থেকেই জনগণের নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধির অপতৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে।
তিনি সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের এধরনের অব্যবসায়ীসুলভ কর্মকাণ্ডে গভীর উদ্বেগ জানিয়ে বলেন, হঠাৎ করে ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। কী কারণে ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধি করা হবে তা জনগণ জানতে চায়। আর্ন্তজাতিক বাজারে তেলের দাম যাচাইপূর্বক যৌক্তিক কোনো কারণ ছাড়া যদি তেলের দাম বৃদ্ধি করা হয় তাহলে সে টাকা ফেরত নেওয়ার জন্যও সরকারের উর্দ্ধতন মহলের নিকট অনুরোধ জানান সুজন।
তিনি আসন্ন রমজানে জনগণ যাতে কোনো প্রকার ভোগান্তি কিংবা হয়রানির শিকার না হয় সেজন্য আগামী মার্চ মাসের মধ্যেই রোজাদারদের ব্যবহার্য নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী যেমন চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, চিনি, ছোলা, খেজুর, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, আলু, লবণ, মরিচ এবং মসলাসহ অন্যান্য সামগ্রীর প্রয়োজনীয় মওজুদ নিশ্চিত করার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে বিশেষ অনুরোধ জানান।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আব্দুর রহমান মিয়া, সাইদুর রহমান চৌধুরী, নাগরিক উদ্যোগের সদস্য সচিব হাজী মোঃ হোসেন, নুরুল কবির, মোরশেদ আলম, ছালেহ আহমদ জঙ্গী, হাফেজ মো. ওকার উদ্দিন, শেখ মামুনুর রশীদ, এএসএম জাহিদ হোসেন, অধ্যক্ষ কামরুল হোসেন, মো. শাহজাহান, শিশির কান্তি বল, সোলেমান সুমন, মো. জাহাঙ্গীর, মো. নাছির, হাসান মো. মুরাদ, রাজীব হাসান রাজন, মো. ওয়াসিম, মাহফুজ চৌধুরী, আব্দুল জাহেদ মনি, ফেরদৌস মাহমুদ আলমগীর, মিজানুর রহমান জনি, মনিরুল হক মুন্না প্রমুখ।
একুশে/প্রেসবিজ্ঞপ্তি
