চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের ২১ নেতৃত্ব নির্বাচিত হবে যেভাবে

ecশরীফুল রুকন: চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ পেতে যাচ্ছে নির্বাচিত চেয়ারম্যান, ১৫ সদস্য ও ৫ সংরক্ষিত মহিলা সদস্য| তাদেরকে নির্বাচিত করবেন ২ হাজার ৭০৬ জনপ্রতিনিধি। নির্বাচন আয়োজনের জন্য চট্টগ্রাম জেলাকে ভাগ করা হয়েছে ১৫টি ওয়ার্ডে। কোন এলাকা কোন ওয়ার্ডে পড়েছে ও ভোটার সংখ্যা কত- এ নিয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে প্রতিবেদনে।

আগামী ২৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হচ্ছে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ নির্বাচন। এরইমধ্যে ভোটগ্রহণের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করে‌ তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তফসিল অনুযায়ী মনোনয়ন জমা দেয়ার শেষ তারিখ ১ ডিসেম্বর, যাছাই-বাছাই ৩ ও ৪ ডিসেম্বর এবং প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১১ ডিসেম্বর।

চট্টগ্রাম জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা খোরশেদ আলম জানান, সংশোধিত জেলা পরিষদ আইন অনুযায়ী জেলা পরিষদ হবে ২১ সদস্যের। যার মধ্যে একজন চেয়ারম্যান, ১৫ জন সদস্য ও ৫ জন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য থাকবেন। তারা নির্বাচিত হবেন সিটি করপোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলর, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলর, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের ভোটে। কারণ আইন অনুযায়ী, জেলা পরিষদ নির্বাচনে সাধারণ মানুষের ভোট দেওয়ার সুযোগ নেই। এই নির্বাচনে মোট ভোটার ২৭০৬ জন; এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ২০৭৭ ও মহিলা ৬২৯ জন।

১৫জন সদস্য নির্বাচনের জন্য জেলাকে ১৫টি ওয়ার্ডে ভাগ করা হয়েছে। ৫জন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য নির্বাচনের জন্য জেলাকে ভাগ করা হয়েছে ৫টি ওয়ার্ডে। যে ব্যক্তি যে ওয়ার্ডের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত থাকবেন, তিনি ওই ওয়ার্ডের সদস্য ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ভোট দিতে পারবেন। একইসাথে সেই ওয়ার্ড যে জেলার অধীনে, সেখানকার চেয়ারম্যান নির্বাচনেও ভোট দেবেন। অন্যদিকে জেলা পরিষদ নির্বাচনে কেউ প্রার্থী হতে চাইলে, তিনি যে ওয়ার্ডের ভোটার হয়েছেন, ওই ওয়ার্ড থেকেই প্রার্থীতার আবেদন করতে হবে।

চট্টগ্রাম জেলায় ১ নং সাধারণ ওয়ার্ডে যেসব এলাকা রয়েছে- মীরসরাই উপজেলার মীরসরাই ও বারইয়ারহট পৌরসভা, করেরহাট, জোরারগঞ্জ, ধুম, ওসমানপুর, ইছাখালী, কাটাছড়া, দূর্গাপুর, মিরসরাই, মিঠানালা, মঘাদিয়া, হিঙ্গুলী ও খৈয়াছড়া ইউনিয়ন। এই সাধারণ ওয়ার্ডে রয়েছে ১৮৫ ভোটার; এরমধ্যে পুরুষ ১৪২ ও মহিলা ৪৩।

২ নং সাধারণ ওয়ার্ডে যেসব এলাকা রয়েছে- সীতাকুন্ড উপজেলার সীতাকুন্ড পৌরসভা এবং সৈয়দপুর, বারৈয়াঢালা, মুরাদপুর, বাড়বকুন্ড, বাঁশবাড়িয়া, কুমিরা, সোনাইছড়ি, ভাটিয়ারি, সলিমপুর ইউনিয়ন এবং মীরসরাই উপজেলার মায়ানী, হাইতকান্দি, ওয়াহেদপুর ও সাহেরখালী ইউনিয়ন। এই সাধারণ ওয়ার্ডে রয়েছে ১৮৫ ভোটার; এরমধ্যে পুরুষ ১৪২ ও মহিলা ৪৩।

৩ নং সাধারণ ওয়ার্ডে যেসব এলাকা রয়েছে- সন্দ্বীপ উপজেলার সন্দ্বীপ পৌরসভা এবং গাছুয়া, সন্তোষপুর, দীর্ঘাপাড়, কালাপানিয়া, হরিশপুর, বাউরিয়া, মুছাপুর, রহমতপুর, আজিমপুর, মাইটভাঙ্গা, সারিকাইত, মগধরা, হারামিয়া, আমানউল্যা ও উড়িরচর ইউনিয়ন। এই সাধারণ ওয়ার্ডে রয়েছে ২০৬ ভোটার; এরমধ্যে পুরুষ ১৫৮ ও মহিলা ৪৮।

১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটারদের প্রাপ্ত ভোটে একজন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য নির্বাচিত হবেন।

৪ নং সাধারণ ওয়ার্ডে যেসব এলাকা রয়েছে- চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের দক্ষিণ পাহাড়তলী, জালালাবাদ, পাঁচলাইশ, চান্দগাঁও, মোহরা, পূর্ব ষোলশহর, পশ্চিম ষোলশহর, শুলকবহর, উত্তর পাহাড়তলী, উত্তর কাট্টলী, সরাইপাড়া, পাহাড়তলী, লালখান বাজার, বাগমনিরাম, চকবাজার, পশ্চিম বাকলিয়া, পূর্ব বাকলিয়া, দক্ষিণ বাকলিয়া, দেওয়ান বাজার, জামালখান, এনায়েতবাজার, উত্তর পাঠানটুলী, উত্তর আগ্রাবাদ, রামপুর, উত্তর হালিশহর, দক্ষিণ আগ্রাবাদ, পাঠানটুলী, পশ্চিম মাদারবাড়ি, পূর্ব মাদারবাড়ি, আলকরণ, আন্দরকিল্লা, ফিরিঙ্গি বাজার, পাথরঘাটা, বক্সিরহাট, গোসাইল ডাঙ্গা, উত্তর মধ্যম হালিশহর, দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর, দক্ষিণ হালিশহর, উত্তর পতেঙ্গা, দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ড এবং হাটহাজারী উপজেলার মেখল, গড়দুয়ারা, উত্তর মাদার্শা, ফতেপুর, চিকনদন্ডী, দক্ষিণ মাদার্শা, শিকারপুর ও বুড়িশ্বর ইউনিয়ন। এই সাধারণ ওয়ার্ডে রয়েছে ১৬৩ ভোটার; এরমধ্যে পুরুষ ১২৪ ও মহিলা ৩৯।

৫ নং সাধারণ ওয়ার্ডে যেসব এলাকা রয়েছে- হাটহাজারী উপজেলার হাটহাজারী পৌরসভা এবং ফরহাদাবাদ, ধলই, মির্জাপুর, গুমানমর্দ্দন, নাঙ্গলমোডা, ছিপাতলী ইউনিয়ন এবং ফটিকছড়ি উপজেলার সুয়াবিল, বক্তপুর, বক্তপুর, জাফতনগর, ধর্মপুর, সমিতিরহাট ও আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন। এই সাধারণ ওয়ার্ডে রয়েছে ১৫১ ভোটার; এরমধ্যে পুরুষ ১১৬ ও মহিলা ৩৫।

৬ নং সাধারণ ওয়ার্ডে যেসব এলাকা রয়েছে- ফটিকছড়ি উপজেলার ফটিকছড়ি ও নাজিরহাট পৌরসভা এবং বাগানবাজার, দাঁতমারা, নারায়নহাট, ভূজপুর, হারুয়ালছড়ি, পাইন্দং, কাঞ্চননগর, সুন্দরপুর, লেলাং, নানুপুর ও রোসাংগিরী ইউনিয়ন। এই সাধারণ ওয়ার্ডে রয়েছে ১৫৭ ভোটার; এরমধ্যে পুরুষ ১২০ ও মহিলা ৩৭।

৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটারদের প্রাপ্ত ভোটে একজন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য নির্বাচিত হবেন।

৭ নং সাধারণ ওয়ার্ডে যেসব এলাকা রয়েছে- রাউজান উপজেলার রাউজান পৌরসভা এবং হলদিয়া, ডাবুয়া, রাউজান, চিকদাইর, গহিরা, বিনাজুরি, কদলপুর, পাহাড়তলী, পূর্ব গুজরা, উরকিরচর, নোয়াপাড়া, বাগোয়ান ও নোয়াজিষপুর ইউনিয়ন। এই সাধারণ ওয়ার্ডে রয়েছে ১৯৭ ভোটার; এরমধ্যে পুরুষ ১৫১ ও মহিলা ৪৬।

৮ নং সাধারণ ওয়ার্ডে যেসব এলাকা রয়েছে- রাঙ্গুনিয়া উপজেলার রাঙ্গুনিয়া পৌরসভা এবং রাজানগর, হোসনাবাদ, স্বনির্ভর রাঙ্গুনিয়া, মরিয়মনগর, পারুয়া, পোমরা, বেতাগী, সরফভাটা, শিলক, পদুয়া, চন্দ্রঘোনা, কোদালা, ইসলামপুর, দক্ষিণ রাজানগর ও লালানগর ইউনিয়ন। এই সাধারণ ওয়ার্ডে রয়েছে ২১১ ভোটার; এরমধ্যে পুরুষ ১৬২ ও মহিলা ৪৯।

৯ নং সাধারণ ওয়ার্ডে যেসব এলাকা রয়েছে- বোয়ালখালী উপজেলার বোয়ালখালী পৌরসভা এবং কধুরখীল, পশ্চিম গোমদন্ডী, শাকপুর, সারোয়াতলী, পোপাদিয়া, চরণদ্বীপ, শ্রীপুর খরণদ্বীপ, আমুচিয়া, আহলা করলডেঙ্গা ইউনিয়ন এবং পটিয়া উপজেলার হাবিলাসদ্বীপ, ধলঘাট, কেলিশহর, কোলাগাঁও ও দক্ষিণ ভূর্ষি ইউনিয়ন। এই সাধারণ ওয়ার্ডে রয়েছে ১৮১ ভোটার; এরমধ্যে পুরুষ ১৪১ ও মহিলা ৪০।

৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটারদের প্রাপ্ত ভোটে একজন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য নির্বাচিত হবেন।

১০ নং সাধারণ ওয়ার্ডে যেসব এলাকা রয়েছে- পটিয়া উপজেলার পটিয়া পৌরসভা এবং চরলক্ষ্যা, জুলধা, চরপাথরঘাটা, বড়উঠান, শিকলবাহা, কুসুমপুরা, জিরি, কাশিয়াইশ, আশিয়া, জঙ্গলখাইন, বড়লিয়া, হাইদগাঁও ও ভাটিখাইন ইউনিয়ন। এই সাধারণ ওয়ার্ডে রয়েছে ১৮৫ ভোটার; এরমধ্যে পুরুষ ১৪২ ও মহিলা ৪৩।

১১ নং সাধারণ ওয়ার্ডে যেসব এলাকা রয়েছে- চন্দনাইশ উপজেলার চন্দনাইশ পৌরসভা, কাঞ্চনাবাদ, জোয়ারা, বরকল, বরমা, বৈলতলী, সাতবাড়িয়া, হাশিমপুর, দোহাজারী, ধোপাছড়ি ইউনিয়ন এবং পটিয়া উপজেলার ছনহরা, কচুয়াই, খরনা ও শোভনদন্ডী ইউনিয়ন। এই সাধারণ ওয়ার্ডে রয়েছে ১৮৫ ভোটার; এরমধ্যে পুরুষ ১৪২ ও মহিলা ৪৩।

১২ নং সাধারণ ওয়ার্ডে যেসব এলাকা রয়েছে- আনোয়ারা উপজেলার বৈরাগ, বারশত, রায়পুর, বটতলী, বরুমছড়া, বারখাইন, আনোয়ারা সদর, চাতরী, পরৈকোড়া, হাইলধর, জুঁইদন্ডী ইউনিয়ন এবং বাঁশখালী উপজেলার পুকুরিয়া ও সাধনপুর ইউনিয়ন। এই সাধারণ ওয়ার্ডে রয়েছে ১৭২ ভোটার; এরমধ্যে পুরুষ ১৩২ ও মহিলা ৪০।

১০, ১১ ও ১২ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটারদের প্রাপ্ত ভোটে একজন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য নির্বাচিত হবেন।

১৩ নং সাধারণ ওয়ার্ডে যেসব এলাকা রয়েছে- বাঁশখালী উপজেলার বাঁশখালী পৌরসভা এবং খানখানাবাদ, বৈলছড়ি, কাথারিয়া, বাহারছড়া, কালীপুর, সরল, শীলকূপ, চাম্বল, গন্ডামারা, শেখেরখীল, পুঁইছড়ি ও ছনুয়া ইউনিয়ন। এই সাধারণ ওয়ার্ডে রয়েছে ১৭২ ভোটার; এরমধ্যে পুরুষ ১৩২ ও মহিলা ৪০।

১৪ নং সাধারণ ওয়ার্ডে যেসব এলাকা রয়েছে- সাতকানিয়া উপজেলার সাতকানিয়া পৌরসভা এবং পুরানগড়, চরতী, খাগরিয়া, নলুয়া, কাঞ্চনা, আমিলাইষ, এওচিয়া, মার্দাশা, ঢেমশা, পশ্চিম ঢেমশা, কালিয়াইশ, ধর্মপুর ও সাতকানিয়া ইউনিয়ন। এই সাধারণ ওয়ার্ডে রয়েছে ১৮৫ ভোটার; এরমধ্যে পুরুষ ১৪১ ও মহিলা ৪৪।

১৫ নং সাধারণ ওয়ার্ডে যেসব এলাকা রয়েছে- লোহাগাড়া উপজেলার বড়হাতিয়া, আমিরাবাদ, পদুয়া, চরম্বা, কলাউজান, লোহাগাড়া, পুটিবিলা, চুনতি, আধুনগর ইউনিয়ন এবং সাতকানিয়া উপজেলার সোনাকানিয়া, ছদাহা, কেঁওচিয়া ও বাজালিয়া ইউনিয়ন। এই সাধারণ ওয়ার্ডে রয়েছে ১৭১ ভোটার; এরমধ্যে পুরুষ ১৩২ ও মহিলা ৩৯।

১৩, ১৪ ও ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটারদের প্রাপ্ত ভোটে একজন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য নির্বাচিত হবেন।

আইন অনুযায়ী জেলা পরিষদের নির্বাহী ক্ষমতা থাকবে চেয়ারম্যানের কাছে। তবে তার অনুপস্থিতিতে কাউন্সিলরদের মধ্যে থেকে একজন বা সরকারি কর্মকর্তারাও চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। সরকার গেজেট করে সরকারি কোনো কর্মকর্তাকেও এ দায়িত্ব দিতে পারবে।

এদিকে আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েছেন ১৪ জন। দলীয় সূত্র বলছে, মনোনয়নের জন্য বিবেচিত হবেন মাত্র দুজন। উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ সালাম এবং দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন। তাদের মধ্য থেকে যোগ্য প্রার্থী নির্ধারণ করবেন সভানেত্রী শেখ হাসিনা।

জেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে ইতিমধ্যে সরগরম হয়ে উঠেছে চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগের রাজনীতি। নির্বাচন নিয়ে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে রয়েছে প্রচুর আগ্রহ-উৎসাহ। অন্যদিকে বিএনপি ইতোমধ্যে জেলা পরিষদ নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে। তবে এতে নির্বাচনের উৎসবে ভাটা পড়ছে না। কারণ অধিকাংশ উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদে রয়েছে আওয়ামী লীগ সমর্থিত জনপ্রতিনিধি। সে হিসেবে জেলা পরিষদেও দলটির মনোনীত প্রার্থী জয়লাভ করবেন- এটা নিশ্চিত।

জানতে চাইলে জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী ও দলটির উত্তর জেলা সাধারণ সম্পাদক এম এ সালাম বলেন, এর আগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাস করে আমাকে জেলা পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্ব দিয়েছিলেন। আমি বিশ্বাসের মূল্য রেখেছি। দুর্নীতির ব্যাপারে জিরো টলারেন্স অবস্থান নিয়ে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হতে দিইনি। আশা করছি সততা, স্বচ্ছতা ও স্বজনপ্রীতির উর্দ্ধে থাকার মূল্যায়ন আমি পাব।

আওয়ামী লীগের আরেক মনোনয়ন প্রত্যাশী ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমেদ বলেন, আমি মনোনয়ন প্রত্যাশী। হাইকমান্ড আমাকে মনোনয়ন দিলে আমি নির্বাচন করবো। তবে দলের সভানেত্রী যাকে মনোনয়ন দেবেন আমি তাকেই মেনে নেব।

প্রসঙ্গত এর আগে তিন পার্বত্য জেলা বাদে দেশের ৬১টি জেলা পরিষদে ২০১১ সালের ১৫ ডিসেম্বর দলীয় নেতাদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল সরকার।