রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১১ ফাল্গুন ১৪২৬

হাটহাজারীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ৫ কোটি টাকার জমি উদ্ধার

প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, জানুয়ারি ২৮, ২০২০, ১০:১১ অপরাহ্ণ

 

হাটহাজারী প্রতিনিধি (চট্টগ্রাম) : হাটহাজারীর বাসস্টেশন এলাকায় বেশ কয়েকটি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। দুই দফায় চলা অভিযানে ৫ কোটি টাকার প্রায় ৬ শতক সরকারি জায়গা উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত চলা এ অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ রুহুল আমিন এবং সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সম্রাট খীসা নেতৃত্ব দেন।

জানা যায়, বছরের পর বছর ধরে উপজেলার বাসস্টেশন এলাকায় প্রভাবশালী একটি মহল সরকারি জায়গাগুলো দখল করে তাতে অবৈধ দোকানঘর নির্মাণ করে রাখে। এসব অবৈধ স্থাপনাই ঐ এলাকার যানজটের মূল কারণ বলে জানান স্থানীয়রা। যানজটের কারণে এ রোড়ের যাত্রীদের প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। হাটহাজারীবাসীকে যনজটের কবল থেকে রক্ষা করতে সদরের বাসস্ট্যান্ড এলাকার সরকারি সম্পদ দখল করে তৈরি করে রাখা অবৈধ স্থাপনা দখলমুক্ত করতে গত ১৯ জানুয়ারি (রোববার) উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এদিকে অভিযানের ২য় দিন সন্ধ্যায় রাস্তা চওড়াকরণ উদ্যোগের বিরোধিতাকারীরা ভ্রাম্যমাণ আদালতের উচ্ছেদ অভিযানকে বাধাগ্রস্ত করতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে হত্যার গুজব ছড়িয়ে আন্দোলন করার ব্যর্থ চেষ্টাও করেছিলেন।

অভিযানে উদ্ধার করা জায়গায় ১০০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ২০ ফুট প্রস্থ টার্নিং সড়ক তৈরি করা হচ্ছে। এ টার্নিং সড়ক দিয়ে বাসস্ট্যান্ড এলাকার বাসগুলো মূল সড়ক বাদ দিয়ে ঘুরতে পারবে। ফলে ঐ এলাকার মহাসড়কের অংশে লেগে থাকা যানজট দূর হয়ে যাবে বলে মত প্রকাশ করেন স্থানীয়রা।

অভিযান পরিচালনার সময় মডেল থানা পুলিশের ওসি মাসুদ আলম, ট্রাফিক বিভাগ, পৌরসভা এবং ফায়ার সার্ভিসের একটি দল সহযোগিতা করেন।

অভিযানে নেতৃত্বদানকারী ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ রুহুল আমিন গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, যানজট ও মানুষের ভোগান্তি দূর করতে বাসস্ট্যান্ড এলাকার বেশ কিছু সরকারি জায়গায় তৈরি করে রাখা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এসব সরকারি সম্পদ কারও দখল করে রাখার কোনো সুযোগ নেই। সরকারি সম্পদ রক্ষার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। উদ্ধার করা জায়গাগুলো ট্রাফিক বিভাগকে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। এসব সরকারি জায়গা পুনরায় যে বা যারাই দখল করার চেষ্টা করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ করা হবে বলেও জানান তিনি।

একুশে/এইউ/এএ