
চবি প্রতিনিধি : চলতি বছরেই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) পঞ্চম সমাবর্তন আয়োজন করার আশ্বাস দিয়েছেন উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার।
তিনি বলেন, সমাবর্তন আয়োজন করতে চাই। সমাবর্তন আয়োজন করতে অন্তত ৬ মাস থেকে ১ বছর সময় লাগে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলেছি। সামনে দুইটা সমাবর্তন করার ইচ্ছা আছে।
বুধবার (২৯ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার।
এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান ছাত্র সংগঠনগুলোর সংকট নিয়ে উপাচার্য বলেন, বিগত কয়েকদিন ধরে ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে সৃষ্ট সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা তাদের সাথে বসেছি। তাছাড়া বিষয়গুলো নিয়ে তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে কাজ করছি। অবরোধেও আমাদের ক্লাস-পরিক্ষা বন্ধ হয়নি।
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সমন্বিত ভর্তি পরিক্ষার সিদ্ধান্তের বিষয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান সম্পর্কে উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার বলেন, যে চারটি বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৩-এর আইন দ্বারা পরিচালিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় তার একটি। আমরা ইউজিসির মিটিং-এ বলেছি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাস ভিন্ন, পড়ার ধরন ভিন্ন। তাই সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় আমাদের অসম্মতি আছে। তবে ৭৩’র আইন দ্বারা পরিচালিত অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যদি সম্মতি জানায় তাহলে আমরাও সেটাকে সমর্থন করবো।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে আসন বরাদ্দ ও বিবিধ সমস্যা নিয়ে ড. শিরীণ আখতার বলেন, আমরা ইতোমধ্যে হলগুলোতে যারা অছাত্র আছে তাদের হল ছেড়ে দেওয়ার নোটিশ দিয়েছি। আমরা প্রভোস্টদের সাথে আবাসিক হলগুলোর সমস্যা সমাধানের জন্য আলোচনা করছি। আশা করি খুব দ্রুতই তা সমাধান হবে।
মতবিনিময় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) কে এম নূর আহমেদ, প্রক্টর এস এম মনিরুল হাসান, সহকারী প্রক্টর রেজাউল করিম, মরিয়ম লিজা ও রিফাত রহমান।
একুশে/এএ
