সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২০, ১৬ চৈত্র ১৪২৬

অপহৃত ইউপি সদস্য মংচিং মারমাকে উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন

প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২০, ৪:০৬ অপরাহ্ণ


কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি: কাপ্তাই উপজেলাধীন রাইখালী ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মংচিং মারমাকে অপহরণের ১০ দিন অতিবাহিত হলেও এখনো পর্যন্ত তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। অপহরণ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসীর মধ্যে চাপা ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। মংচিংকে অপহরণ ও মুক্তির দাবিতে বৃহস্পতিবার সকালে রাইখালী ইউপির উদ্যোগে মানববন্ধন ও প্রভিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিবাদ সভায় অপহৃতের বড় ভাই আবুমং মারমা কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, আমার ভাইকে যারা অপহরণ করেছে অবিলম্বে তাদের নিকট অনুরোধ, অন্তত তার ছোট শিশু সন্তানের দিকে তাকিয়ে হলেও যেন মংচিংকে মুক্তি দেওয়া হয়।

ইউপি সদস্য মংনুচিং মারমা বলেন, রাইখালী এলাকা এখন সন্ত্রাসের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। একের পর এক হত্যা, অপহরণ ও ডাকাতির মতো ঘটনা ঘটায় এলাকাবাসী চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। তিনি অবিলম্বে ইউপি সদস্য মংচিং এর মুক্তির দাবি জানান।

রাইখালী ইউপি ছাত্রলীগের সভাপতি মো. সালাউদ্দিন বলেন, রাইখালীতে অপহরণ সহ একের পর এক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটলেও অপহৃতদের উদ্ধারে প্রশাসনিক তৎপরতা চোখে পড়ার মতো নয়।

রাইখালী ইউপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. এনামুল হক বলেন, একের পর এক রাইখালীর বিভিন্ন এলাকায় সন্ত্রাস, অপহরণ ও হত্যার ঘটনা ঘটছে। সর্বশেষ একজন ইউপি সদস্যকেই সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়। ঘটনার ১০ দিন অতিবাহিত হলেও তাকে এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। অপহৃতের পরিবারের ছোট ছোট কোমলমতি শিশুদের দিকে তাকিয়ে হলেও তাকে মুক্তি দেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন, অপহৃতের স্ত্রী সামাউ মারমা, অপহৃতের মেঝ ছেলে হ্লাচাই মারমা, রাইখালী ইউনিয়নের সাবেক ও বর্তমান ইউপি সদস্যবৃন্দ।

উল্লেখ্য, রাইখালী ইউনিয়নের কারিগর পাড়ার নিজ ঘর থেকে গত মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার দিকে ইউপি সদস্য মংচিং মারমাকে মুখোশধারী সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে নিয়ে যায়। ঘটনার ৩দিন পর ২১ ফেব্রুয়ারি তার স্ত্রী চন্দ্রঘোনা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন।

এই বিষয়ে চন্দ্রঘোনা থানার ওসি মো. আশ্রাফ উদ্দিন বলেন, ইউপি সদস্যকে উদ্ধারে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।