
চট্টগ্রাম : ‘আহসানুল করীমের মীর কাশেম কানেকশন ফাঁস, বোয়ালখালীতে ক্ষোভ’ শিরোনামে গত ৮ ফেব্রুয়ারি একুশে পত্রিকায় প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদ জানিয়েছেন এএনএফএল প্রপার্টিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহসানুল করীম। গত ১০ ফেব্রুয়ারি তারিখ উল্লেখে আহসানুল করীমের পক্ষে আইনজীবী রেজাউল করিমের পাঠানো লিগ্যাল নোটিশে বলা হয়, প্রতিবেদনে অসত্য, ভিত্তিহীন তথ্য উল্লেখ করে আহসানুল করীমের মানহানি করা হয়েছে। জামায়াত ও মীর কাশেম আলীর সাথে আহসানুল করীমের সংশ্লিষ্টতার কোনো দালিলিক প্রমাণাদি নেই বলে নোটিশে দাবি করা হয়েছে।
লিগ্যাল নোটিশে উল্লেখ করা হয়, প্রকাশিত প্রতিবেদনে আহসানুল করীমের ব্যক্তিগত জীবনকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এসব কারণে আহসানুল করীমের মানহানি ও ১০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া ক্ষমা চাওয়ার পাশাপাশি একুশে পত্রিকার ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পাতা থেকে উক্ত সংবাদটি তুলে ফেলতেও বলা হয়। অন্যথায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হবে বলেও উল্লেখ করা হয় লিগ্যাল নোটিশে।
একুশে পত্রিকার বক্তব্য : প্রকৃতপক্ষে স্বাধীনতাবিরোধীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে একুশে পত্রিকা সদা সচেষ্ট। দুর্নীতির বিরুদ্ধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জিরো টলারেন্সকে সামনে রেখে সত্য প্রকাশে কলমকে হাতিয়ার করেছে একুশে পত্রিকা। তারই ধারাবাহিকতায় একটি গোয়েন্দা সংস্থার তদন্ত সূত্রের বরাতে ‘আহসানুল করীমের মীর কাশেম কানেকশন ফাঁস, বোয়ালখালীতে ক্ষোভ’ শীর্ষক সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে। গোয়েন্দাদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য যাছাই করে সংবাদটিতে প্রকৃত সত্য তুলে ধরা হয়েছে। যদিও এ-সংক্রান্ত আরো বিস্তারিত তথ্য-প্রমাণ একুশে পত্রিকার কাছে আছে, যা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। প্রকাশিত সংবাদে সাংবাদিকতার নীতি-নৈতিকতা মেনে অভিযুক্ত আহসানুল করীমের বক্তব্যও প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়া সংবাদটিতে বোয়ালখালী থানার ওসির বক্তব্যও ছিল।
