
ঢাকা : চট্টগ্রাম ওয়াসার তিন কর্মচারীর নিয়োগ কেন অবৈধ হবে না জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্ট তিন কর্মচারীসহ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব, চট্টগ্রাম ওয়াসা কর্তৃপক্ষ এবং ওয়াসার সচিবকে চার সপ্তাহের মধ্যে কারণ দর্শাতে বলেছেন হাইকোর্ট।
সাময়িক বরখাস্ত হওয়া ওয়াসার গাড়িচালক ও ওয়াসার শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক তাজুল ইসলামের এক রির্ট আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ এবং বিচারপতি মাহমুদুল হাসান তালুকদারের বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি এই রুলনিশি জারি হলেও বিষয়টি রোববার (২ মার্চ) জানাজানি হয়। অভিযুক্ত তিন কর্মচারী হলেন- শ্যামল পাল, রোকেয়া বেগম ও বাবুল আলম।
জানা যায়, ১৯৯৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের স্থানীয় একটি দৈনিকে স্টেনোগ্রাফারের ৩ পদে নিয়োগের ঘোষণা দিয়ে ৫ জন, যথাক্রমে দিদারুল আলম, শহীদুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম প্রধানিয়া, সুজিত নাথ ও শেখ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমকে নিয়োগ দেয় ওয়াসা কর্তৃপক্ষ। তিনমাস পর জাহাঙ্গীর আলম প্রধানিয়া চাকরি ছেড়ে চলে যান। এসময় মানবিক কারণ দেখিয়ে ওয়াসার তৎকালীন চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ চৌধুরী অভিযুক্ত তিনজনকে নিম্মমান সহকারী পদে মাস্টার রোলে নিয়োগ দেন।
পরবর্তীতে ২০০৪ সালে ১৯২ তম বোর্ডসভায় সিদ্ধান্ত এবং ১৯৯৬ সালের ৩১ ডিসেম্বরের নিয়োগবিজ্ঞপ্তি দেখিয়ে ওই তিনজনকে নিম্মমান সহকারীর পরিবর্তে স্টেনোগ্রাফার পদে নিয়মিত করা হয়।
দীর্ঘ প্রায় ২৪ বছর পর নিয়োগ সংক্রান্ত অনিয়মটি সামনে এনে হাইকোর্টে রিট করেন ওয়াসার সিবিএ নেতা তাজুল ইসলাম।
এদিকে কারণ দর্শানোর নোটিশটি রোববার (১ মার্চ) বিকেলে হাতে পেয়েছেন জানিয়ে চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার একেএম ফজলুল্লাহ একুশে পত্রিকাকে বলেন, আমরা বেধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যেই কারণ দর্শানের জবাব দেবো। জবাবে যা সত্যি তাই তুলে ধরবো। এরপর আদালত যে সিদ্ধান্ত দেবেন নিয়মানুযায়ী তা বাস্তবায়ন করা হবে।
