
চবি প্রতিনিধি : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যকার সংঘাতের ঘটনায় বৃহস্পতিবার উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতারের সঙ্গে বৈঠকের পর সমঝোতা হয় বিবদমান পক্ষগুলোর মধ্যে। সবাই মিলে একসাথে রাজনীতি করার বিষয়ে একমত হয়েছেন সব গ্রুপের নেতারা।
এরপর রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে শিক্ষার্থীদের তুলে দিতে আসে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্য ও পুলিশ।
সকল হলের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যাবেক্ষণের পর রাত ১২ টার দিকে প্রত্যেক পক্ষের কর্মীদের পুলিশের পাহারায় হলে তুলে দিতে চায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কিন্তু এসময়ও বিবদমান পক্ষগুলোর মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। সোহরাওয়ার্দী হলে সিক্সটিনাইনের কর্মীদের তোলা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিজয়ের কর্মীরা। এসময় ছাত্রলীগের অন্যসব গ্রুপের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
সর্বশেষ রাত ১ টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহরাওয়ার্দী হলে পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য মোতায়ন থাকলেও ফের সংঘর্ষের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। আর এমন পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় জুড়ে বিরাজ করছে থমথমে পরিস্থিতি। আর যেকোন সময় ঘটতে পারে দূর্ঘটনা।
এদিকে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ঘটনাস্থলে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন।
প্রসঙ্গত, পূর্বের ঘটনার জেরে বুধবার ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। মধ্যরাতে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। এসময় ভাঙচুর করা হয় আবাসিক হলের ৮৭ টি কক্ষ। এতে আহত হয় অর্ধশতাধিক। বিবদমান গ্রুপ দুইটি হলো শিক্ষা উপমন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী বিজয় গ্রুপ ও সিটি মেয়র আজম নাছির উদ্দিনের অনুসারী গ্রুপ কনকর্ড ।
