করোনা আতঙ্কে পুঁজিবাজারে বড় পতন


ঢাকা : করোনা রোগী চিহ্নিত হওয়ার পর দেশজুড়ে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। আর সেই আতঙ্কের ঢেউ লেগেছে দেশের পুঁজিবাজারে। করোনা আতঙ্কে রবিবার বড় পতনের পর আজ সোমবার পতনের মাত্রা আরও বেড়েছে। অব্যহত শেয়ার বিক্রির চাপে সূচকের পতন অব্যহত রয়েছে। বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত পতনের পর এবার কিছুটা উর্ধ্বমুখী হয়েছে পুঁজিবাজার।

সোমবার পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু হলে বড় দরপতন হয়। বেলা সাড়ে ১০টায় লেনদেন শুরুর পর থেকে বাজারে পতন ঘটতে থাকে। বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্যসূচকের পতন হয় ২০৭ পয়েন্ট। কেবল ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচকই নয়, ডিএসই শরীয়াহ সূচক ও ডিএস-৩০ সূচকেও বড় পতন ঘটে। শরীয়াহ সূচক কমে ৫০ পয়েন্ট ও ডিএস-৩০ সূচক কমে ৬৮ পয়েন্ট।

শেয়ার বিক্রির চাপে ডিএসই সূচকে বড় পতনের সঙ্গে লেনদেনেও ধাক্কা লেগেছে। সাড়ে ১১টায় ডিএসইতে লেনদেন দাঁড়ায় ১২৮ কোটি ৮ লাখ টাকা। লেনদেন হওয়া কম্পানির মধ্যে দাম বাড়ে মাত্র তিন কম্পানির, দাম কমে ৩৩৮ কম্পানির আর অপরিবর্তিত থাকে ৭ কম্পানির শেয়ার দাম।

অপরবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকে বড় পতন ঘটেছে। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় এই বাজারে শেয়ার বিক্রির চাপে সূচক কমেছে ২৯১ পয়েণ্ট। লেনদেন দাঁড়ায় ৬ কোটি টাকা। লেনদেন হওয়া ১৭০ কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৬টির, দাম কমেছে ১৬২টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ২ কম্পানির শেয়ার দাম।

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান বলেন, ‘করোনাভাইরাসের আতঙ্কে বাজারে বিক্রির চাপ কিছুটা বেশি। এ ছাড়া অন্যান্য কারণে পুঁজিবাজার নিম্নমুখী হয়েছে। বাজারে বিনিয়োগকারীর সক্রিয়তা কমে যাওয়ায় ডাউন ট্রেন্ড চলছে। কিভাবে কাটিয়ে ওঠা যায়, সেটা ভাবছি।’