মহিলা লীগ নেত্রীর কিডনিতেও বাঁচলেন না স্বামী

মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন,বাঁশখালী : নিজের কিডনি দান করেও বাঁচানো গেলো না অসুস্থ স্বামীকে। ভালোবাসার অর্গল ছাপিয়ে, সকল চেষ্টা ব্যর্থ করে অবশেষে না ফেরার দেশে চলে গেলেন কায়েস চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ভোর ৬টায় নগরের পার্কভিউ হসপিটালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৩বছর। তিনি ঐতিহ্যবাহী আরবশাহ্ জমিদার বাড়ির মো. হোসাইন চৌধুরীর ১ম পুত্র।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক দিলোয়ারা কায়েস সুমি প্রয়াত কায়েস চৌধুরীর স্ত্রী।

দীর্ঘদিন ধরে কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন কাযেস চৌধুরী। তার দুটি কিডনিই অচল হয়ে গিয়েছিলো। চিকিৎসকরা বলেছিলেন, একটি কিডনি হলেই বাঁচানো সম্ভব কায়েসকে। এজন্য এগিয়ে এসেছিলেন প্রিয়তমা স্ত্রী দিলোয়ারা সুমী। দিয়ে দিলেন নিজের কিডনি। চেয়েছিলেন স্ত্রী, সন্তানদের জন্য এই ধরায় বেঁচে থাকুক স্বামী। এরপরও বাঁচানো গেলো না প্রিয়তম স্বামীকে।

ব্যক্তিজীবনে কায়েস চৌধুরী অত্যন্ত সহজসরল, বন্ধুবৎসল, পরোপকারি মানুষ ছিলেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন।

আজ বৃহস্পতিবার বাদ আছর বাঁশখালী পুঁইছড়ি গ্রামে নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে কায়েস চৌধুরীর মরদেহ দাফন করা হবে বলে পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে।