
????????????????????????????????????
তিনি রোববার বিকেলে নগরীর চান্দগাঁও আবদুল হামিদ সওদাগর উচ্চ বিদ্যালয়ে বইউৎসবের উদ্বোধন ও কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।
এই উপলক্ষে বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মো. ইলিয়াছ উদ্দিন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন নগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম রেজাউল করিম চৌধুরী, পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি শামসুল আলম। প্রধান আলোচক ছিলেন নগর ছাত্রলীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক ও ওমরগনি এমইএস কলেজ ছাত্র সংসদের জিএস আরশেদুল আলম বাচ্চু।
অতিথি ছিলেন নগর আওয়ামী লীগ নেতা এম মনজুর হোসেন, পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ড কাউন্সিলর এম আশরাফুল আলম, ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হোসেন, আবদুর রাজ্জাক, বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সদস্য আলতাফ হোসেন, জামাল উদ্দিন, আবু নাসের, আনোয়ার হোসেন, আবদুর রহমান, তাহেরা বেগম, প্রধান শিক্ষক মাইমুনর রশিদ। বিদ্যালয়ের শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন ছাদুর রশিদ চৌধুরী, তুষার কান্তি মল্লিক, রহিমা খালেদা, সেলিনা পারভীন, মিতা পাল, আবদুল মাবুদ, স্বাগতম দাশ, টিটু দাশ, মোস্তফা কামাল, সালাম রেজা, আবু তাহের, শহীদুল ইসলাম, মিনারা কাউসার, গোল নাহার, নাসরিন আক্তার, মো.হাবিব, তরুণ বল, শিমুল দেব, নুসরাত সুলতানা, নাসরিন সুলতানা, তাহসিনা শামসুল, শম্পা দাশগুপ্তা, ফাহমিদা হক, রাকিব হায়দার, নয়ন উদ্দিন, সালাউদ্দিন আরজু, আরিফ হোসেন প্রমুখ।
মহিউদ্দিন চৌধুরী শিক্ষার্থীদের উদ্যেশ্যে বলেন, ‘ছোট বেলায় আমরা পয়সার জন্য বই কিনতে পারতাম না। কিন্তু এখন বই কিনতে টাকা লাগে না। সরকার নিজ দায়িত্বে শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দিচ্ছে। বই ঘরে রেখে দিলে হবে না। বই পড়ে জ্ঞান অর্জন করে দেশকে নেতৃত্ব দিতে হবে। কারণ আজকের শিশুরাই আগামীর কর্ণধার। বেশি বেশি না পড়লে আমরা বিশ্ব প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বো। আর শুধু পুস্তকের পড়ায় সীমাবদ্ধ থাকলে হবে না। হৃদয়ে দেশপ্রেম জাগ্রত করতে হবে। কারণ অনেক ত্যাগ, তিতিক্ষার বিনিময়ে আমরা এদেশকে স্বাধীন করেছি। কারণ পরাধীন দেশে আমাদের সন্তানরা ভালো পড়ালেখা করলেও পাকিস্তানিরা আমাদের বঞ্চিত করত। শীর্ষস্থানীয় পদ বা কোনো সরকারি পদে বাঙালিদের তারা রাখত না। এর প্রথম প্রতিবাদ করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনিই ছিলেন বাঙালিদের মুক্তির দিশারী। ’
