নতুন বছরে লেনদেনে চাঙা ভাব বিশ্ব পুঁজিবাজারে

বিশ্ব পুঁজিবাজারে নতুন বছরের শুরু থেকে বিনিয়োগকারীদের আস্থার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। লেনদেনের শুরু থেকে ইউরোপ ও এশিয়ার বাজার ঊর্ধ্বমুখী আছে। স্থিতিশীল আছে মুদ্রাবাজারও।

আজ মঙ্গলবার বছরের প্রথম লেনদেন শুরু হবে যুক্তরাষ্ট্রের পুঁজিবাজারে। বড়দিন উপলক্ষে এখনো বন্ধ দেশটির পুঁজিবাজার। তবে খোলার পর সূচক ঊর্ধ্বমুখী থাকবে বলেই ভবিষ্যৎ বিশ্লেষণে ধারণা করা হচ্ছে। খবর রয়টার্সের।

ইউরোপ ও চীনের শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে—এমন তথ্য প্রকাশের পর মূলত চাঙা হয়ে উঠেছে পুঁজিবাজার। এশিয়াতে বছরের প্রথম দিনের লেনদেনে সবচেয়ে বেশি দর বাড়তে দেখা গেছে অস্ট্রেলিয়ার পুঁজিবাজারে। গতকাল সোমবার লেনদেন শেষে ১ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে প্রধান সূচক। আজ অস্ট্রেলিয়ার পুঁজিবাজারের প্রধান সূচকের দর বেড়েছে ১ দশমিক ১৫ শতাংশ।

এ ছাড়া ঊর্ধ্বমুখী ছিল হংকংয়ের হ্যাংসেং সূচক, চীনের সাংহাই কম্পোজিট সূচক। হ্যাংসেং সূচক গতকাল বৃদ্ধি পায় শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ এবং চীনের সাংহাই কম্পোজিট সূচক বাড়ে শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ। আজও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় আছে দুই পুঁজিবাজারে। দর বাড়তে দেখা যাচ্ছে ভারতের পুঁজিবাজারেও।

বিদায়ী বছর একদমই ভালো ছিল না চীনের পুঁজিবাজারের জন্য। ১১ দশমিক ৩ শতাংশ দর হারায় এই পুঁজিবাজারের প্রধান সূচক। গেল পাঁচ বছরের মধ্যে ২০১৬ সাল ছিল চীনের পুঁজিবাজারের জন্য সবচেয়ে খারাপ বছর। তবে একটি বেসরকারি গবেষণা সংস্থার তথ্য অনুয়ায়ী গত ডিসেম্বরে দেশটির শিল্প খাতে প্রত্যাশার চেয়েও বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে। আর এ খবরে বছরের শুরুতে চাঙা ভাবই দেখা যাচ্ছে চীনের পুঁজিবাজারে। এশিয়ার পুঁজিবাজারের মধ্যে বড়দিন উপলক্ষে এখনো বন্ধ জাপানের পুঁজিবাজার।

ইউরোপের পুঁজিবাজারের মধ্যে যুক্তরাজ্য ও সুইজারল্যান্ডের পুঁজিবাজারে গতকাল দর বেড়েছে।

এ ছাড়া বিভিন্ন মুদ্রার বিপরীতে মান বেড়েছে ডলারের। গতকাল শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ বাড়ে ডলারের দাম, যা গত দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ দরবৃদ্ধি।