<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>অর্থ-বাণিজ্য Archives | একুশে পত্রিকা</title>
	<atom:link href="https://www.ekusheypatrika.com/archives/category/%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af/feed" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://www.ekusheypatrika.com/archives/category/অর্থ-বাণিজ্য</link>
	<description>বাংলা নিউজ পোর্টাল &#124; সর্বশেষ সংবাদ &#124; চট্টগ্রামের খবর &#124; চট্টগ্রাম</description>
	<lastBuildDate>Sat, 12 Sep 2026 14:44:54 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.8.3</generator>

<image>
	<url>https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2023/09/cropped-একুশে-32x32.jpg</url>
	<title>অর্থ-বাণিজ্য Archives | একুশে পত্রিকা</title>
	<link>https://www.ekusheypatrika.com/archives/category/অর্থ-বাণিজ্য</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>বড় প্রতিষ্ঠানের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তি সহজ করতে বিএসইসির উদ্যোগ</title>
		<link>https://www.ekusheypatrika.com/archives/270920</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[শরীফুল রুকন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 12 Sep 2026 14:44:54 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থ-বাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[চট্টগ্রাম]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষ সংবাদ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.ekusheypatrika.com/?p=270920</guid>

					<description><![CDATA[<p>বড় ও মানসম্পন্ন কোম্পানিগুলোকে সহজে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করে মূলধন সংগ্রহের সুযোগ তৈরি করতে কাজ করছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন<a class="moretag" href="https://www.ekusheypatrika.com/archives/270920">...বিস্তারিত</a></p>
<p>The post <a href="https://www.ekusheypatrika.com/archives/270920">বড় প্রতিষ্ঠানের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তি সহজ করতে বিএসইসির উদ্যোগ</a> appeared first on <a href="https://www.ekusheypatrika.com">একুশে পত্রিকা</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><a href="https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2026/09/Screenshot-2026-09-12-204255-e1789224212777.jpg"><img fetchpriority="high" decoding="async" src="https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2026/09/Screenshot-2026-09-12-204255-e1789224212777.jpg" alt="" width="800" height="391" class="alignright size-full wp-image-270921" /></a><br />
বড় ও মানসম্পন্ন কোম্পানিগুলোকে সহজে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করে মূলধন সংগ্রহের সুযোগ তৈরি করতে কাজ করছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।</p>
<p>শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রামের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের কনফারেন্স হলে আয়োজিত এক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএসইসি চেয়ারম্যান মাসুদ খান এই তথ্য জানান।</p>
<p>‘ক্যাপিটাল মার্কেট: গ্রোথ ডায়ালগ-পাথওয়ে টু লিস্টিং’ শীর্ষক এই সংলাপের আয়োজন করে চট্টগ্রাম চেম্বার এবং আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড।</p>
<p>মাসুদ খান জানান, তালিকাভুক্তিতে দীর্ঘসূত্রিতার কারণে ব্যবসায়ীরা মানি মার্কেট থেকে টাকা সংগ্রহ করেন, ফলে পুঁজিবাজারে কাঙ্ক্ষিত গতিশীলতা আসে না। নতুন নিয়মে ৫০০ কোটি টাকা টার্নওভার থাকা কোম্পানিগুলো সরাসরি তালিকাভুক্তির আবেদন করতে পারবে।</p>
<p>আইপিও তালিকাভুক্তির জন্য একবার অডিট করলেই চলবে এবং ফিক্সড প্রাইসের বদলে ইনডিকেটিভ মূল্য থাকবে। এছাড়া এনবিআরের ক্লিয়ারেন্স সাপেক্ষে লভ্যাংশ প্রদানের সুযোগ রাখা হয়েছে বলে তিনি জানান।</p>
<p>সংলাপে চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক জানান, তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান লাভ করলে লভ্যাংশ দেবে, লোকসান হলে দেবে না—এমন নীতিতে বাজারকে নিজস্ব নিয়মে চলতে দেওয়া উচিত। রেগুলেটরি আইন প্রণয়নে বাংলাদেশ ব্যাংক, এনবিআর এবং সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের একমত হওয়ার ওপর তিনি জোর দেন।</p>
<p>বিশেষ অতিথি হিসেবে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান মোমিনুল ইসলাম জানান, দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে শক্তিশালী রেগুলেটরি কমিশন গঠনের মাধ্যমে পুঁজিবাজারকে গতিশীল করতে হবে।</p>
<p>অপর বিশেষ অতিথি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান এ কে এম হাবিবুর রহমান করপোরেট গভর্ন্যান্স ও ইন্টারনাল অডিট সিস্টেম জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p>
<p>আইডিএলসি ফাইন্যান্সের চেয়ারম্যান কাজী মাহামুদ সাত্তার পুঁজিবাজারের ডিরেগুলেশন এবং কর সংক্রান্ত বিষয়ে এনবিআরকে সাথে নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান। ধন্যবাদ সূচক বক্তব্যে চট্টগ্রাম চেম্বারের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আমজাদ হোসেন চৌধুরী চট্টগ্রাম অঞ্চলের বৃহৎ কোম্পানিগুলোকে তালিকাভুক্ত করতে বিএসইসির সাথে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন।</p>
<p>অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ।</p>
<p>এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চেম্বারের প্রাক্তন সভাপতি আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী, প্রাক্তন সিনিয়র সহ-সভাপতি এম এ ছালাম, আইডিএলসি ফাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জামাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুর রহমান মজুমদার, বিএসআরএমের চেয়ারম্যান আলীহুসেইন আকবর আলী এবং চট্টগ্রাম কাস্টমস এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. শওকত আলী।</p>
<p>এছাড়া সংলাপে লুব-রেফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্য অনুষদের ডিন ড. সালেহ জহুর, বারভিডার মহাসচিব রিয়াজ রহমান, মোদাচ্ছের এ সিদ্দিক অ্যান্ড কোং-এর মোদাচ্ছের আহমেদ সিদ্দিকী, পিডব্লিউসির অ্যাসোসিয়েট ডিরেক্টর (ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন) শাদাব মাহমুদ, বিএসএম গ্রুপের আবুল বাশার চৌধুরী এবং আইআইএবির সভাপতি এম নুরুল আলম বক্তব্য দেন।</p>
<p>অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম চেম্বারের পরিচালক মোহাম্মদ আকতার পারভেজ, ইঞ্জিনিয়ার মো. গোলাম সরওয়ার, এ. এস. এম. ইসমাইল খান, মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, শহীদুল আলম ও মো. সেলিম নুরসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>The post <a href="https://www.ekusheypatrika.com/archives/270920">বড় প্রতিষ্ঠানের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তি সহজ করতে বিএসইসির উদ্যোগ</a> appeared first on <a href="https://www.ekusheypatrika.com">একুশে পত্রিকা</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>খেলাপি ঋণ ছয় লাখ কোটি ছাড়াল, বিশ্বে শীর্ষে বাংলাদেশ</title>
		<link>https://www.ekusheypatrika.com/archives/270412</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[শরীফুল রুকন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 03 Sep 2026 09:48:04 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থ-বাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[স্লাইডার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.ekusheypatrika.com/?p=270412</guid>

					<description><![CDATA[<p>ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছয় লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। এর ফলে খেলাপি ঋণের হারের দিক থেকে ইউক্রেনকে পেছনে ফেলে<a class="moretag" href="https://www.ekusheypatrika.com/archives/270412">...বিস্তারিত</a></p>
<p>The post <a href="https://www.ekusheypatrika.com/archives/270412">খেলাপি ঋণ ছয় লাখ কোটি ছাড়াল, বিশ্বে শীর্ষে বাংলাদেশ</a> appeared first on <a href="https://www.ekusheypatrika.com">একুশে পত্রিকা</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><a href="https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2023/02/loan.jpg"><img decoding="async" src="https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2023/02/loan.jpg" alt="" width="725" height="400" class="alignright size-full wp-image-184281" srcset="https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2023/02/loan.jpg 725w, https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2023/02/loan-300x166.jpg 300w, https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2023/02/loan-672x372.jpg 672w" sizes="(max-width: 725px) 100vw, 725px" /></a><br />
ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছয় লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। এর ফলে খেলাপি ঋণের হারের দিক থেকে ইউক্রেনকে পেছনে ফেলে বিশ্বের সব দেশের মধ্যে শীর্ষে উঠে এসেছে বাংলাদেশ।</p>
<p>বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুন শেষে ব্যাংক খাতের মোট ঋণস্থিতি দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ৫০ হাজার ৩৮১ কোটি টাকা।</p>
<p>এর মধ্যে খেলাপিতে পরিণত হয়েছে ছয় লাখ ছয় হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা, যা বিতরণ করা মোট ঋণের ৩২ দশমিক ৭৮ শতাংশ (সূচকের হিসাবে ৩২ দশমিক ৯২ শতাংশ)।</p>
<p>খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, এই খেলাপি ঋণের বড় অংশ হঠাৎ সৃষ্টি হয়নি। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দীর্ঘদিন ধরে ঋণ পুনঃতপশিল, বিশেষ ছাড় ও হিসাবগত পরিবর্তনের মাধ্যমে সমস্যাগ্রস্ত ঋণ নিয়মিত দেখানো হয়েছিল।</p>
<p>রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকার খেলাপি ঋণের প্রকৃত চিত্র সামনে আনার ওপর জোর দেয়। ফলে আগে আড়ালে থাকা বিপুল ঋণ খেলাপিতে পরিণত হয়।</p>
<p>তবে বর্তমানে দায়িত্ব পালন করা বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার খেলাপি ঋণ কমাতে কঠোরতার পরিবর্তে আবারও একের পর এক ছাড় দিচ্ছে।</p>
<p>আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ), আফ্রিকান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক এবং বিশ্বব্যাংকের খেলাপি ঋণ সূচক অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশের পর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মধ্য আফ্রিকার দেশ চাদ। দেশটির খেলাপি ঋণের হার ৩১ দশমিক ৫১ শতাংশ।</p>
<p>তালিকায় এরপরই রয়েছে ইকুয়েটোরিয়াল গিনি (৩০ শতাংশ), আলজেরিয়া (২০ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ) এবং ঘানা (১৮ দশমিক ১১ শতাংশ)।</p>
<p>এর আগে খেলাপি ঋণের তালিকায় দীর্ঘ সময় ধরে শীর্ষে ছিল যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেন। লিগা ডট নেট ও ফিন্যান্সিয়াল ক্লাবের তথ্যমতে, রাশিয়ার হামলার পর তাদের খেলাপি ঋণের হার প্রায় ৩৯ শতাংশে উঠেছিল।</p>
<p>তবে ঋণ আদায় ও পুরোনো ঋণ অবলোপনের মাধ্যমে তারা এই হার দ্রুত কমিয়েছে। ইউক্রেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাবে, ২০২৬ সালের ১ জুলাই দেশটির খেলাপি ঋণের হার ১৭ বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে, অর্থাৎ ১২ দশমিক ৫ শতাংশে নেমে এসেছে।</p>
<p>ইউক্রেনের সবচেয়ে বড় ব্যাংক প্রিভাতব্যাংকসহ কয়েকটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক বিপুল পরিমাণ পুরোনো খেলাপি ঋণ অবলোপন করেছে।</p>
<p>এসব অর্থ উদ্ধারে ইউক্রেনের পাশাপাশি লন্ডন, সাইপ্রাস ও ইসরায়েলে আইনি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে প্রিভাতব্যাংক।</p>
<p>বাংলাদেশে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের সময় খেলাপি ঋণ ছিল ২২ হাজার ৪৮১ কোটি টাকা। নানা ছাড়ের কারণে তা বাড়তে বাড়তে ২০২৩ সাল শেষে এক লাখ ৪৫ হাজার ৬৩৩ কোটি টাকায় ওঠে।</p>
<p>দেশে প্রথমবারের মতো খেলাপি ঋণ ছয় লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায় ২০২৫ সালের জুনে। পরের প্রান্তিকে তা রেকর্ড ছয় লাখ ৪৪ হাজার ৫১৫ কোটি টাকায় উঠলেও বছরের শেষে কিছুটা কমে আসে।</p>
<p>তবে চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে তা ফের ৪৯ হাজার ৩৩৮ কোটি টাকা বেড়েছে। সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় রয়েছে একীভূত হওয়া পাঁচটি ব্যাংক, যাদের বিতরণ করা ঋণের ৮০ শতাংশের বেশি খেলাপি।</p>
<p>উচ্চ খেলাপি ঋণের কারণে ব্যাংকগুলোর মুনাফা কমায় ২০২৬ সালের জন্য লভ্যাংশ দেওয়ার নিয়ম আরও কড়াকড়ি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।</p>
<p>তবে একই সময়ে হাজার কোটি টাকার বেশি ঋণ দুই বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ১৫ বছর মেয়াদে পুনঃতপশিলের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>এছাড়া গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান না করেই বন্ধ কারখানা সচলের জন্য ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে।</p>
<p>The post <a href="https://www.ekusheypatrika.com/archives/270412">খেলাপি ঋণ ছয় লাখ কোটি ছাড়াল, বিশ্বে শীর্ষে বাংলাদেশ</a> appeared first on <a href="https://www.ekusheypatrika.com">একুশে পত্রিকা</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মজুত থাকলেও সংকট, সয়াবিন সিন্ডিকেটের ফাঁদে ভোক্তা</title>
		<link>https://www.ekusheypatrika.com/archives/269174</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[শরীফুল রুকন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 08 Aug 2026 09:24:42 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থ-বাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[স্লাইডার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.ekusheypatrika.com/?p=269174</guid>

					<description><![CDATA[<p>চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের এক ডিলার ফোন পেলেন কোম্পানির প্রতিনিধির কাছ থেকে। বার্তাটা সংক্ষিপ্ত কিন্তু স্পষ্ট- সরকার দাম না বাড়ালে ডিলার পর্যায়ে<a class="moretag" href="https://www.ekusheypatrika.com/archives/269174">...বিস্তারিত</a></p>
<p>The post <a href="https://www.ekusheypatrika.com/archives/269174">মজুত থাকলেও সংকট, সয়াবিন সিন্ডিকেটের ফাঁদে ভোক্তা</a> appeared first on <a href="https://www.ekusheypatrika.com">একুশে পত্রিকা</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><a href="https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2024/02/Oil.jpg"><img decoding="async" src="https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2024/02/Oil.jpg" alt="" width="960" height="549" class="alignright size-full wp-image-210676" srcset="https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2024/02/Oil.jpg 960w, https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2024/02/Oil-300x172.jpg 300w, https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2024/02/Oil-768x439.jpg 768w" sizes="(max-width: 960px) 100vw, 960px" /></a><br />
চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের এক ডিলার ফোন পেলেন কোম্পানির প্রতিনিধির কাছ থেকে। বার্তাটা সংক্ষিপ্ত কিন্তু স্পষ্ট- সরকার দাম না বাড়ালে ডিলার পর্যায়ে তেলের সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া হবে। ডিলার বুঝলেন, এবার আবার সেই পুরনো খেলা শুরু হতে চলেছে। সরবরাহ কমলে বাজারে সংকট তৈরি হবে, দাম বাড়বে, ভোক্তা জিম্মি হবে, সরকার চাপে পড়বে। এই চক্রটা বছরের পর বছর ধরে একইভাবে চলছে।</p>
<p><strong>মজুত আছে, তবু সংকট তৈরির ষড়যন্ত্র</strong></p>
<p>পর্যাপ্ত আমদানি ও মজুত থাকার পরেও একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট মিলপর্যায়ে সরবরাহ কমানোর তোড়জোড় শুরু করেছে। লক্ষ্য একটাই- সয়াবিন তেলের দাম লিটারে আট থেকে সর্বোচ্চ ১৩ টাকা বাড়ানোর জন্য সরকারকে চাপে ফেলা।</p>
<p>এরই মধ্যে বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন গত ১১ জুলাই বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব পাঠিয়েছে। প্রস্তাবে বোতলজাত সয়াবিন লিটারে ১০ টাকা বাড়িয়ে ২০৯ টাকা, খোলা সয়াবিন আট টাকা বাড়িয়ে ১৮৮ টাকা এবং খোলা পাম তেল ১৩ টাকা বাড়িয়ে ১৮৩ টাকা করার কথা বলা হয়েছে। দাম না বাড়ালে লোকসান এড়ানো সম্ভব নয় বলে তারা জানিয়েছে।</p>
<p>কিন্তু সরকার এখনো দাম না বাড়ালেও বাস্তবতা ভিন্ন। খুচরা পর্যায়ে খোলা সয়াবিনের দাম মাসের ব্যবধানে লিটারে ছয় টাকা বেড়ে ১৯৮ টাকায় পৌঁছেছে- যা সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে ১৮ টাকা বেশি। সিন্ডিকেট সরকারের অনুমতির অপেক্ষা না করেই নিজেরাই দাম বাড়িয়ে নিয়েছে।</p>
<p><strong>চার থেকে পাঁচটি কোম্পানির হাতে বাজারের ৯০ শতাংশ</strong></p>
<p>কনজ্যুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সহসভাপতি এসএম নাজের হোসাইন বলেন, দেশের চার থেকে পাঁচটি বড় কোম্পানি সয়াবিন তেলের বাজারের ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করছে। এই কোম্পানিগুলো চাহিদামতো তেল আমদানি করে, রিফাইন করে বাজারে ছাড়ে। বাড়তি মুনাফার জন্য ডিলারদের মাধ্যমে সরবরাহ কমিয়ে দেয়, সরকারকে চাপে ফেলে এবং ভোক্তাকে জিম্মি করে মূল্য বাড়িয়ে নেয়। বিগত কয়েক বছর ধরে একই পন্থায় এই চক্রটি মূল্য বাড়িয়ে আসছে।</p>
<p>টিকে গ্রুপ জানিয়েছে, আমদানি পর্যায়ে খরচ এবং জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। লিটারে ১৮ থেকে ২০ টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে বলে তাদের দাবি। বিশ্ববাজারেও অপরিশোধিত সয়াবিন তেলের দাম এক বছরে টনপ্রতি এক হাজার ৭৮ থেকে বেড়ে এক হাজার ১৯১ ডলার হয়েছে।</p>
<p>কিন্তু প্রশ্ন হলো, বিশ্ববাজারে দাম বাড়লে সেই চাপ পুরোটা কি সাধারণ ভোক্তার ঘাড়েই চাপাতে হবে? বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলছে, কর ছাড়ের বিষয়গুলো সমন্বয় করে নতুন দাম নির্ধারণ করা প্রয়োজন। কিন্তু সেই সমন্বয় কবে হবে, তার উত্তর নেই।</p>
<p>এপ্রিলেও একই ঘটনা ঘটেছিল। মিল মালিকরা দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিলে সিন্ডিকেট সরবরাহ কমিয়ে দেয়। খোলা সয়াবিনের দাম লিটারে ৩৪ টাকা পর্যন্ত বেড়ে যায়। তখন সরকারকে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করে পরিস্থিতি সামাল দিতে হয়েছিল এবং শেষ পর্যন্ত ২৯ এপ্রিল দাম বাড়ানো হয়েছিল।</p>
<p>এখন সেই একই নাটক আবার মঞ্চস্থ হচ্ছে। ডিলাররা জানছেন সরবরাহ কমবে, বাজারে সংকট তৈরি হচ্ছে, দাম বাড়ছে। সাধারণ মানুষ, যার রান্নাঘরে প্রতিদিন তেল লাগে, সে শুধু দেখছেন- আজ কত, কাল কত। সিন্ডিকেটের এই খেলা থামাতে না পারলে সয়াবিনের বোতলের মুখ খুলতে গিয়ে প্রতিদিন একটু বেশি পকেট খালি হবে সাধারণ ভোক্তার।</p>
<p>The post <a href="https://www.ekusheypatrika.com/archives/269174">মজুত থাকলেও সংকট, সয়াবিন সিন্ডিকেটের ফাঁদে ভোক্তা</a> appeared first on <a href="https://www.ekusheypatrika.com">একুশে পত্রিকা</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>অর্থ পাচার: ৬ শিল্পগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা, সাইপ্রাস-যুক্তরাজ্যে সম্পদ জব্দ</title>
		<link>https://www.ekusheypatrika.com/archives/267240</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[শরীফুল রুকন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 05 Jul 2026 05:54:51 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থ-বাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[স্লাইডার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.ekusheypatrika.com/?p=267240</guid>

					<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফেরাতে ছয়টি বড় শিল্পগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকারের বিশেষ টাস্কফোর্স। এর অংশ<a class="moretag" href="https://www.ekusheypatrika.com/archives/267240">...বিস্তারিত</a></p>
<p>The post <a href="https://www.ekusheypatrika.com/archives/267240">অর্থ পাচার: ৬ শিল্পগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা, সাইপ্রাস-যুক্তরাজ্যে সম্পদ জব্দ</a> appeared first on <a href="https://www.ekusheypatrika.com">একুশে পত্রিকা</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><a href="https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2024/09/usd-bdt-taka-dollar.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" src="https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2024/09/usd-bdt-taka-dollar.jpg" alt="" width="800" height="450" class="alignright size-full wp-image-226554" srcset="https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2024/09/usd-bdt-taka-dollar.jpg 800w, https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2024/09/usd-bdt-taka-dollar-300x169.jpg 300w, https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2024/09/usd-bdt-taka-dollar-768x432.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 800px) 100vw, 800px" /></a><br />
বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফেরাতে ছয়টি বড় শিল্পগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকারের বিশেষ টাস্কফোর্স। এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধে সাইপ্রাসে এস আলম গ্রুপের কর্ণধার সাইফুল আলমের একটি বিলাসবহুল বাড়ি জব্দের আদেশ দিয়েছে দেশটির আদালত।</p>
<p>যাদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে তারা হলেন—সাইফুল আলম চৌধুরীর এস আলম গ্রুপ, ক্ষমতাচ্যুত সরকারের সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর আরামিট গ্রুপ, বেক্সিমকো, সিকদার, নাসা এবং ওরিয়ন গ্রুপ।</p>
<p>সম্প্রতি সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে মামলার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।</p>
<p>বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা শাখা (বিএফআইইউ) দেড় বছরের বেশি সময় ধরে তদন্ত করে অর্থ পাচারের গন্তব্য হিসেবে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, সুইজারল্যান্ড, সাইপ্রাসসহ দেড় ডজনের মতো দেশ ও এলাকার নাম পেয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে ইতোমধ্যে যুক্তরাজ্য, সাইপ্রাস এবং আইল অব ম্যানে এস আলম গ্রুপ, আরামিট গ্রুপ এবং বেক্সিমকো গ্রুপের সালমান এফ রহমান পরিবারের কিছু সম্পদ জব্দ করেছে সেদেশের সরকার।</p>
<p>২০২৪ সালে প্রকাশিত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক শ্বেতপত্র অনুযায়ী, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের টানা ১৫ বছরের শাসনামলে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিদেশে পাচার করা হয়েছে।</p>
<p>বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, অন্য দেশের অনুরোধের প্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিকভাবে সম্পদ জব্দের ব্যবস্থা নেওয়া যায় না। প্রচলিত আইনের বিচ্যুতি যাচাই করেই তারা সম্পদ জব্দ করে।</p>
<p>তিনি আরও জানান, পাচারের অর্থ পুনরুদ্ধারে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাংকগুলো ইতোমধ্যে নয়টি আন্তর্জাতিক আইনি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে &#8216;নো উইন, নো ফি&#8217; ভিত্তিতে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। অর্থাৎ, পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনতে পারলেই কেবল তারা ফি পাবে।</p>
<p>তবে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই অর্থ দেশে ফেরানো একটি বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী পাচার হওয়া অর্থের মাত্র এক শতাংশ ফেরত আসে এবং এর জন্য ৭ থেকে ২০ বছর বা তারও বেশি সময় লাগতে পারে।</p>
<p>বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (বিস) গবেষণা পরিচালক ড. মাহফুজ কবীর জানান, তৃতীয় দেশ হয়ে এই অর্থ বিনিয়োগ হিসেবে প্রবেশ করায় সুনির্দিষ্ট প্রমাণ জোগাড় করা বাংলাদেশের জন্য কঠিন হবে।</p>
<p>সরকার পাচারের অর্থ যাওয়া শীর্ষ ১০টি দেশের কাছে আইনগত সহায়তা চুক্তির প্রস্তাব পাঠিয়েছে। এর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া এবং হংকং ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে।</p>
<p>পাচার হওয়া অর্থ ফেরানোর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্প্রতি সংসদে জানান, এটি জনগণের অর্থ এবং তা ফিরিয়ে এনে দেশের কল্যাণে ব্যয় করা এই সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও জানান, পাচার হওয়া টাকা ফেরত আনাকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং এ বিষয়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।</p>
<p>এদিকে, অভিযুক্তরা বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে অভিযোগ অস্বীকার করে আইনি লড়াই চালানোর কথা জানিয়েছেন। বিদেশি আইনি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তির পাশাপাশি সাইফুল আলম ইতোমধ্যে ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংকের আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ বিরোধ নিষ্পত্তি কেন্দ্রে একটি মামলাও দায়ের করেছেন।</p>
<p>বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অন্তত একটি মামলাতেও জয়লাভ করে পাচারের অর্থ দেশে ফেরানো সম্ভব হলে তা অর্থ পাচার রোধে বাংলাদেশে একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।</p>
<p>The post <a href="https://www.ekusheypatrika.com/archives/267240">অর্থ পাচার: ৬ শিল্পগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা, সাইপ্রাস-যুক্তরাজ্যে সম্পদ জব্দ</a> appeared first on <a href="https://www.ekusheypatrika.com">একুশে পত্রিকা</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>যে অদক্ষতাই বনে গেছে আয়ের সোনার খনি: চট্টগ্রাম বন্দরের এক অস্বস্তিকর সত্য</title>
		<link>https://www.ekusheypatrika.com/archives/266606</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[শরীফুল রুকন]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 24 Jun 2026 04:26:33 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থ-বাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[চট্টগ্রাম]]></category>
		<category><![CDATA[স্লাইডার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.ekusheypatrika.com/?p=266606</guid>

					<description><![CDATA[<p>বিশ্বের যেকোনো আধুনিক বন্দরের কাছে একটাই প্রশ্ন গুরুত্বপূর্ণ- জাহাজ থেকে নামার পর একটা কনটেইনার কত দ্রুত বন্দর ছেড়ে যেতে পারছে?<a class="moretag" href="https://www.ekusheypatrika.com/archives/266606">...বিস্তারিত</a></p>
<p>The post <a href="https://www.ekusheypatrika.com/archives/266606">যে অদক্ষতাই বনে গেছে আয়ের সোনার খনি: চট্টগ্রাম বন্দরের এক অস্বস্তিকর সত্য</a> appeared first on <a href="https://www.ekusheypatrika.com">একুশে পত্রিকা</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><a href="https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2025/07/port-e1751708070784.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" src="https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2025/07/port-e1751708070784.jpg" alt="" width="800" height="416" class="alignright size-full wp-image-242958" srcset="https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2025/07/port-e1751708070784.jpg 800w, https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2025/07/port-e1751708070784-300x156.jpg 300w, https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2025/07/port-e1751708070784-768x399.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 800px) 100vw, 800px" /></a><br />
বিশ্বের যেকোনো আধুনিক বন্দরের কাছে একটাই প্রশ্ন গুরুত্বপূর্ণ- জাহাজ থেকে নামার পর একটা কনটেইনার কত দ্রুত বন্দর ছেড়ে যেতে পারছে? যত দ্রুত, তত দক্ষ বন্দর। এই সূচকেই বিশ্বের সেরা বন্দরগুলো একে অপরের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে। কিন্তু চট্টগ্রাম বন্দরের আয়ের খাতা খুলতেই দেখা যায় একটা উল্টো বাস্তবতা। যে জিনিসটা সারা বিশ্বে অদক্ষতার লক্ষণ হিসেবে গণ্য হয়, সেটাই হয়ে উঠেছে এই বন্দরের আয়ের অন্যতম বড় উৎস।</p>
<p><strong>যখন দেরিই হয়ে যায় আয়ের উৎস</strong></p>
<p>নতুন ট্যারিফ কার্যকর হওয়ার পর প্রতি টিইইউ কনটেইনার থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের গড় আয় এখন ১৫২ ডলার। এই আয়ের প্রায় এক-চতুর্থাংশই আসছে স্টোর রেন্ট থেকে- মানে কনটেইনার যত বেশি দিন বন্দরে পড়ে থাকে, তার বিপরীতে আদায় করা মাশুল থেকে।</p>
<p>২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের এপ্রিল- এই পাঁচ মাসের হিসাব বলছে, প্রতি টিইইউতে স্টোর রেন্ট থেকে গড়ে আয় হয়েছে ৩৪ দশমিক ২৫ ডলার, যা বন্দরের মোট পরিচালন রাজস্বের ২২ দশমিক ৫২ শতাংশ। এটি বন্দরের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাজস্ব উৎস। সবচেয়ে বড় উৎস স্বাভাবিকভাবেই কনটেইনার লোডিং-ডিসচার্জিং কার্যক্রম, যেখান থেকে প্রতি টিইইউতে আয় হয়েছে ৭১ দশমিক ৬৮ ডলার- মোট রাজস্বের ৪৭ শতাংশ। এর বাইরে কিউজিসি (কুই গ্যান্ট্রি ক্রেন) চার্জ থেকে এসেছে ১৭ দশমিক ৯১ ডলার (১২ শতাংশ), লিফট অন-অফ থেকে ৯ দশমিক ৪৩ ডলার (৬ দশমিক ২০ শতাংশ), আর বাকিটা এক্সট্রা মুভমেন্ট, ওয়ার্ফ রেন্ট, হোস্টিং চার্জ, স্টাফিং-আনস্টাফিং থেকে।</p>
<p>সংখ্যাগুলো নিজেই বলে দেয় গল্পটা- কনটেইনার যত বেশি সময় বন্দরে আটকে থাকছে, বন্দরের পকেটে তত বেশি টাকা ঢুকছে। আর এই অস্বস্তিকর সত্যটাই সামনে নিয়ে এসেছে বন্দর ও কাস্টমস ব্যবস্থার দীর্ঘদিনের কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা।</p>
<p><strong>&#8220;এটা গ্রহণযোগ্য নয়&#8221;- সাবেক পর্ষদ সদস্যের প্রশ্ন</strong></p>
<p>চট্টগ্রাম বন্দরের সাবেক পর্ষদ সদস্য (প্রশাসন ও পরিকল্পনা) মো. জাফর আলম এই বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছেন। তিনি বলেন, স্টোর রেন্ট থেকে বেশি আয় কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়; এটি বন্দর ও সরবরাহ শৃঙ্খলের অদক্ষতার প্রতিফলন, আর এটাকে অপারেটিং আয়ে অন্তর্ভুক্ত করাটাও যুক্তিযুক্ত নয়। তাঁর প্রশ্ন- বন্দরের অভ্যন্তরে কেন ৩০-৪০ হাজার কনটেইনার দীর্ঘ সময় পড়ে থাকে, সেটা খতিয়ে দেখা দরকার, এবং এর পেছনে কাস্টমস, আমদানিকারক ও বন্দর কর্তৃপক্ষের দায় কতটুকু, তা চিহ্নিত করতে হবে।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, স্বাভাবিক নিয়মে একটা কনটেইনার বন্দরে পৌঁছার তিনদিনের মধ্যে খালাস হওয়ার কথা, কিন্তু বাস্তবে গড়ে এক সপ্তাহের বেশি সময় লেগে যাচ্ছে। কাস্টমস প্রক্রিয়ার বিলম্ব যেমন এর কারণ, তেমনি কম খরচে সংরক্ষণের সুযোগ থাকায় কিছু আমদানিকারকও দ্রুত খালাসে আগ্রহী হন না। জেটি পেতে এখন আর অপেক্ষা করতে হয় না বলে প্রশ্ন থেকে যায়- তাহলে কনটেইনার এত দিন ইয়ার্ডে কেন পড়ে থাকে?</p>
<p><strong>সাড়ে নয় দিনের অপেক্ষা</strong></p>
<p>বন্দর কর্তৃপক্ষের মতে, জাহাজ থেকে কনটেইনার নামানোর পর পণ্য খালাস সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত সময়- যাকে বলা হয় ডুয়াল টাইম- তা বন্দরের সক্ষমতা পরিমাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। নৌ-পরিবহন মন্ত্রীকে দেওয়া একটি প্রেজেন্টেশনে জানানো হয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দরে প্রতিটি কনটেইনারের গড় অবস্থানকাল বর্তমানে সাড়ে নয় দিন, এবং এর বড় অংশ ব্যয় হয় কাস্টমস ক্লিয়ারেন্সেই। কাস্টমস প্রি-অ্যাসেসমেন্ট বা গ্রিন চ্যানেলের মতো ব্যবস্থা এখনো সীমিত। বন্দর কর্তৃপক্ষের দাবি, কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স ঠিকঠাক থাকলে বন্দর গড়ে মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যেই কনটেইনার ডেলিভারির আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে সক্ষম।</p>
<p>চট্টগ্রাম বন্দরের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. নাসির উদ্দিন বলেন, বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম গতিশীল রাখার স্বার্থে প্রতি মাসে কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ে কনটেইনার বের করা গেলে ইয়ার্ডে জায়গা খালি থাকবে, ফলে অপারেশনাল কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। তিনি জানান, অনেক সময় আমদানিকারকরাও সুবিধার জন্য পণ্য বন্দরে রেখে দেন; এ কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ডেলিভারি নিশ্চিত করতে বন্দরের পক্ষ থেকে স্টোর রেন্ট বাড়িয়েও দেওয়া হয়, যাতে আর্থিক চাপে হলেও আমদানিকারকরা সময়মতো পণ্য ছাড়িয়ে নেন।</p>
<p><strong>জার্মান পরামর্শকের সতর্কবার্তা</strong></p>
<p>চট্টগ্রাম বন্দরের সর্বশেষ মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করেছে জার্মানির হামবুর্গ পোর্ট কনসালটিং। তাদের বিশ্লেষণ স্পষ্ট জানায়, বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো কনটেইনারের অবস্থানকাল কমিয়ে আনা। মাস্টারপ্ল্যানে বন্দরের বার্ষিক পরিচালন সক্ষমতা ধরা হয়েছিল ২৭ লাখ টিইইউ, যা পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল যুক্ত হওয়ার পর বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ৩১ লাখ ৫০ হাজার টিইইউতে। কিন্তু বাস্তবে বন্দর এরই মধ্যে বছরে ৩৪ লাখ টিইইউর বেশি হ্যান্ডলিং করছে—হামবুর্গ পোর্ট কনসালটিংয়ের ভাষায়, যা মূলত বিদ্যমান অবকাঠামোর ওপর অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ করে অর্জিত হচ্ছে, এবং দীর্ঘমেয়াদে যা টেকসই নয়।</p>
<p>বাণিজ্যসংশ্লিষ্টরা মনে করেন, পণ্য খালাসে সময়ক্ষেপণ আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের তুলনায় বহু বেশি। কাস্টমস, পরীক্ষাগার, শিপিং এজেন্ট, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও আমদানিকারক- সবার সমন্বিত কার্যক্রমের ওপর নির্ভর করে এই খালাস প্রক্রিয়া। বড় বা বিদেশী অপারেটর নিয়োগের দাবি যতটা আলোচিত হয়, কাস্টমস প্রক্রিয়ার বিলম্ব নিয়ে আলোচনা তার তুলনায় কম।</p>
<p>নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কাস্টমসের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, পুরো প্রক্রিয়ার বিলম্বের দায় কেবল কাস্টমসের নয়; একটি কনটেইনার খালাসে মোট সময়ের মধ্যে কাস্টমসের আনুষ্ঠানিকতায় গড়ে সাড়ে ৮ শতাংশ সময় ব্যয় হয়, বাকি সময় চলে যায় অন্য অংশীজনদের কার্যক্রমে।</p>
<p>চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মো. আমিরুল হক একটু কড়াভাবেই বলেন, বন্দর দিনের পর দিন কনটেইনার পড়ে থাকার জায়গা নয়। পণ্যের নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদন পেতেই অনেক সময় দিনের পর দিন লেগে যায় আমদানিকারকদের, এ সময় কনটেইনার বন্দরে রয়ে যায়। আমদানি হওয়া কনটেইনারের অর্ধেকেরও বেশি এখনো বন্দর চত্বরেই খুলে পণ্য খালাস করতে হয়—আন্তর্জাতিক বন্দর ব্যবস্থাপনায় যা খুবই অপ্রচলিত।</p>
<p><strong>রেকর্ড গড়ছে আয়, রেকর্ড গড়ছে হ্যান্ডলিং</strong></p>
<p>এত অদক্ষতার আলোচনার মধ্যেও একটা সত্য পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছে- বিশ্ব অর্থনীতির মন্দা পরিস্থিতিতেও চট্টগ্রাম বন্দরের আয় বাড়ছে উল্লেখযোগ্য হারে। দুই অর্থবছরের তুলনায় বন্দরের রাজস্ব উদ্বৃত্ত বেড়েছে ৪৪ শতাংশেরও বেশি। ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের মে পর্যন্ত বন্দরের আয় ছিল ৪ হাজার ৯৫২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা, যা পরের বছরের একই সময়ে বেড়ে দাঁড়ায় ৬ হাজার ৭৬ কোটি ৭৩ লাখ টাকায়- ২২ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি। ব্যয় কমিয়ে রাজস্ব উদ্বৃত্ত দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ২৮৭ কোটি ৪৬ লাখ টাকা, এবং কর প্রদানের পর মোট রাজস্ব উদ্বৃত্ত দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২২৮ কোটি টাকা।</p>
<p>গত পাঁচ বছরের চিত্রও বলে দেয় ধারাবাহিক উন্নতির গল্প। ২০২৫ সালে আয় ৫ হাজার ৪৬০ কোটি ১৮ লাখ টাকা, ব্যয় ২ হাজার ৩১৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা- রাজস্ব উদ্বৃত্ত ৩ হাজার ১৪২ কোটি ৬৮ লাখ টাকা, যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। ২০২৪ সালে উদ্বৃত্ত ছিল ২ হাজার ৯২৩ কোটি ১৭ লাখ টাকা, ২০২৩ সালে ২ হাজার ১৪৩ কোটি ১১ লাখ টাকা, ২০২২ সালে ১ হাজার ৭৩৪ কোটি ২০ লাখ টাকা এবং ২০২১ সালে ১ হাজার ৬৩৩ কোটি ২৬ লাখ টাকা। ব্যয় বৃদ্ধির হারও সংযত রাখা হয়েছে- ২০২৫ সালে মাত্র ৭ দশমিক ৬১ শতাংশ, ২০২৪ সালে ৬ দশমিক ৫০ শতাংশ। গত পাঁচ বছরে চট্টগ্রাম বন্দর সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছে ৭ হাজার ৫৮০ কোটি ২০ লাখ টাকা, যার মধ্যে কর হিসেবে ৩ হাজার ৫৫৩ কোটি ৮ লাখ টাকা এবং ভ্যাট হিসেবে ৩ হাজার ৪২৭ কোটি ১২ লাখ টাকা।</p>
<p>২০২৫ সালে কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে ৩৪ লাখ ৯ হাজার ৬৯ টিইইউএস- আগের বছরের ৩২ লাখ ৭৫ হাজার ৬২৭ টিইইউএসের তুলনায় ৪ দশমিক ০৭ শতাংশ বেশি, বন্দরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। কার্গো হ্যান্ডলিং বেড়েছে ১১ শতাংশ, জাহাজ হ্যান্ডলিং বেড়েছে সাড়ে ১০ শতাংশ- ৩ হাজার ৮৫৭ থেকে ৪ হাজার ২৭৩টি জাহাজে। ২০২৫ সালে বিভিন্ন সময়ে জাহাজের গড় বন্দর-অবস্থানকাল ছিল শূন্য- মানে জেটিতে নোঙর করার জন্য আর অপেক্ষা করতে হয়নি।</p>
<p><strong>নতুন ক্রেন, নতুন গতি</strong></p>
<p>চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির পেছনে বড় অবদান রেখেছে কিউ গ্যান্ট্রি ক্রেন প্রযুক্তি। ২০০৫ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বন্দরে ছিল কেবল চারটি ক্রেন। এর পর ধাপে ধাপে যুক্ত হয়েছে আরও ১৮টি- সর্বশেষ চারটি যুক্ত হয়েছে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালে, যা পরিচালনা করছে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল। এখন বন্দরে মোট ২২টি কিউ গ্যান্ট্রি ক্রেন, যেগুলো একযোগে চালালে প্রতি ঘণ্টায় হ্যান্ডলিং করা সম্ভব ৬৬০টি কনটেইনার—যেখানে জাহাজের সাধারণ ক্রেনে ঘণ্টায় মাত্র ১০ থেকে ১২টি কনটেইনার হ্যান্ডলিং সম্ভব।</p>
<p>এই বিনিয়োগের দামও বেড়েছে চোখে পড়ার মতো। ২০১৮ সালে ছয়টি ক্রেন আনতে খরচ হয়েছিল মোট ৩৪৫ কোটি টাকা—প্রতিটির দাম পড়েছিল গড়ে সাড়ে ৫৭ কোটি টাকা। ২০২২ সালে চারটি ক্রেনে খরচ পড়ে প্রতিটিতে ৬০ লাখ ৫০ হাজার টাকা। কিন্তু সাম্প্রতিক চারটি ক্রেনের দাম পড়েছে প্রতিটি ৭৫ কোটি টাকা- ২০১৮ সালের তুলনায় প্রায় ২৫ শতাংশ বেশি।</p>
<p>চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান বলেন, বন্দরের রেকর্ড সাফল্যের পেছনে রয়েছে শক্তিশালী নেতৃত্ব, কার্যকর ব্যবস্থাপনা এবং সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সমন্বিত প্রচেষ্টা। জাহাজের টার্নঅ্যারাউন্ড সময় কমানো, বার্থ ব্যবহারের দক্ষতা বৃদ্ধি ও ডিজিটাল ব্যবস্থার সম্প্রসারণের ফলে পণ্য ও কনটেইনার হ্যান্ডলিং উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। তিনি জানান, ২০১৮ সালে যেখানে মোট ২৯ লাখ ৩ হাজার ৯৯৬ একক কনটেইনার ওঠানামা করত, ২০২৫ সালে তা ছাড়িয়ে গেছে ৩৪ লাখ। সচিব নাসির উদ্দিন যোগ করেন, ২২টি ক্রেন একসঙ্গে কাজ করলে প্রতি ঘণ্টায় গড়ে ৬৬০টি কনটেইনার ওঠানামা সম্ভব—দ্রুত, এবং নিরাপদও।</p>
<p><strong>অপেক্ষার দিন কমে এসেছে অনেকটাই</strong></p>
<p>চট্টগ্রাম চেম্বারের প্রেসিডেন্ট আমিরুল হক স্মরণ করিয়ে দেন, এক দশক আগেও আধুনিক যন্ত্রপাতির অভাবে চট্টগ্রাম বন্দরে আসা একটি জাহাজকে পণ্য খালাসের জন্য ১৪ থেকে ১৫ দিন অপেক্ষা করতে হতো। এখন তা নেমে এসেছে দুই থেকে তিন দিনে। শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল আলম জুয়েলের ভাষায়, জাহাজের অপেক্ষমাণ সময় কমলে ভাড়াও কমবে, ভাড়া কমলে জাহাজ আসার হার বাড়বে, আর তাতে বাড়বে দেশের রাজস্বও—একটা চক্র, যেখানে প্রতিটি অংশ একে অপরকে এগিয়ে নিয়ে যায়।</p>
<p><strong>দুই ছবি, একই বন্দর</strong></p>
<p>এই হলো চট্টগ্রাম বন্দরের আসল ছবি- একদিকে রেকর্ড আয়, রেকর্ড হ্যান্ডলিং, আধুনিক ক্রেন আর শূন্য অপেক্ষার জাহাজজট নিয়ে এক গর্বের গল্প। আরেকদিকে সেই একই বন্দরের আয়ের প্রায় এক-চতুর্থাংশ আসছে এমন একটা সূচক থেকে, যাকে বিশ্ব মানদণ্ডে গণ্য করা হয় ব্যর্থতা হিসেবে। মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর আর ১৩ হাজার ৫২৫ কোটি টাকার বে-টার্মিনাল প্রকল্প যখন চট্টগ্রাম বন্দরকে একটা আঞ্চলিক ট্রান্সশিপমেন্ট হাবে পরিণত করার স্বপ্ন দেখাচ্ছে, তখন প্রশ্নটা আরও জোরালো হয়ে ওঠে- অবকাঠামো যত আধুনিকই হোক, কাস্টমস ক্লিয়ারেন্সের সেই পুরোনো জট আর কনটেইনারের দীর্ঘ অপেক্ষা না কমলে, বন্দরের প্রকৃত সক্ষমতা আসলে কতটা প্রকাশ পাবে?</p>
<p>বন্দরের ভবিষ্যৎ যাত্রায় তাই কেবল নতুন ক্রেন বা টার্মিনাল নয়- দরকার সেই অদৃশ্য সময়টাকেও জয় করা, যা প্রতিটি কনটেইনারের সঙ্গে নিঃশব্দে যুক্ত হয়ে থাকে বন্দরের ইয়ার্ডে।</p>
<p>The post <a href="https://www.ekusheypatrika.com/archives/266606">যে অদক্ষতাই বনে গেছে আয়ের সোনার খনি: চট্টগ্রাম বন্দরের এক অস্বস্তিকর সত্য</a> appeared first on <a href="https://www.ekusheypatrika.com">একুশে পত্রিকা</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>গোপনীয়তার দেওয়াল যখন ভাঙছে অন্যরা, অন্ধকারে রয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ</title>
		<link>https://www.ekusheypatrika.com/archives/266445</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[শরীফুল রুকন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 22 Jun 2026 03:43:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থ-বাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[স্লাইডার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.ekusheypatrika.com/?p=266445</guid>

					<description><![CDATA[<p>একটি কাল্পনিক দৃশ্যকল্প দিয়ে শুরু করা যাক ধরা যাক, দিল্লি আর ঢাকার দুই ব্যবসায়ী একই বছরে একই পরিমাণ অর্থ সুইস<a class="moretag" href="https://www.ekusheypatrika.com/archives/266445">...বিস্তারিত</a></p>
<p>The post <a href="https://www.ekusheypatrika.com/archives/266445">গোপনীয়তার দেওয়াল যখন ভাঙছে অন্যরা, অন্ধকারে রয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ</a> appeared first on <a href="https://www.ekusheypatrika.com">একুশে পত্রিকা</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><a href="https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2024/06/swiss-bank.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" src="https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2024/06/swiss-bank.jpg" alt="" width="825" height="463" class="alignright size-full wp-image-218329" srcset="https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2024/06/swiss-bank.jpg 825w, https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2024/06/swiss-bank-300x168.jpg 300w, https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2024/06/swiss-bank-768x431.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 825px) 100vw, 825px" /></a><br />
একটি কাল্পনিক দৃশ্যকল্প দিয়ে শুরু করা যাক</p>
<p>ধরা যাক, দিল্লি আর ঢাকার দুই ব্যবসায়ী একই বছরে একই পরিমাণ অর্থ সুইস ব্যাংকে জমা রেখেছিলেন। কয়েক বছর পর দিল্লির ব্যবসায়ীর কাছে হঠাৎ চিঠি আসে কর বিভাগ থেকে- তার সুইস অ্যাকাউন্টের হিসাব এখন ভারত সরকারের হাতে, কারণ ভারত ওইসিডির স্বয়ংক্রিয় তথ্য বিনিময় কাঠামোর অংশ। ভয় আর ঝুঁকি বিবেচনায় তিনি একসময় অর্থ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হন। কিন্তু ঢাকার ব্যবসায়ীর গল্পটা সম্পূর্ণ ভিন্ন- তার নামে কোনো চিঠি আসে না, কোনো জিজ্ঞাসাবাদ হয় না, কারণ বাংলাদেশ এখনো এই তথ্য বিনিময়ের বাইরে। ফলাফল? তিনি স্বস্তিতে আরও টাকা পাঠাতে থাকেন, এমনকি আরও সাহস করে।</p>
<p>এই কাল্পনিক দৃশ্যটিই বাস্তবে ঘটে চলেছে সংখ্যার আকারে। সুইস কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন বলছে, ভারত-পাকিস্তানের মতো যেসব দেশ সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে তথ্য বিনিময়ের আওতায় আছে, তাদের আমানত প্রতি বছর কমছে। আর যে বাংলাদেশ এখনো এই কাঠামোর বাইরে, সেখানে আমানত বছর বছর বেড়েই চলেছে- মাত্র এক বছরেই ৪১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৬৭৮ কোটি টাকায়।</p>
<p><strong>যে দরজা বন্ধ, তা দিয়েই ঢুকছে পাচারের টাকা</strong></p>
<p>বিশ্বের শতাধিক দেশ এখন সুইস ব্যাংকের সেই চিরচেনা গোপনীয়তার দেওয়াল ভেঙে নিজ নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ করছে- আর তা দিয়েই নিয়ন্ত্রণ করছে অর্থ পাচার, করফাঁকি ও অবৈধ সম্পদ অর্জন। মূলত দুটি পথে এই তথ্য পাওয়া যায়। কিছু দেশ, যেমন যুক্তরাষ্ট্র, সরাসরি সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি করেছে। আবার যাদের এমন চুক্তি নেই, তারা আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা ওইসিডির মানদণ্ড অনুসরণ করে তথ্য নিচ্ছে। এই দুই প্রক্রিয়ায় ২০২৩ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন দেশ সুইস ব্যাংক থেকে সংগ্রহ করেছে প্রায় ৩৬ লাখ তথ্য। কিন্তু এই দুটি পথের কোনোটিতেই নাম নেই বাংলাদেশের।</p>
<p>বিএফআইইউ প্রধান ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ মামুনের ভাষ্যে উঠে এসেছে এই বাস্তবতার মূল কারণ, “সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো দ্বিপাক্ষিক চুক্তি নেই, এবং আয়কর-সংক্রান্ত বিষয়ে কাজ করা সংস্থা ওইসিডির সদস্যও নয় বাংলাদেশ। যে দেশগুলো এই সংস্থার সদস্য, তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই সুইস ব্যাংকের তথ্য পেয়ে যায়। বাংলাদেশ এই সদস্যপদ কেন এখনো পায়নি বা মানদণ্ড অনুসরণ করতে পারছে না, তা খতিয়ে দেখার দায়িত্ব এখন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ওপর।”</p>
<p><strong>ওইসিডি: যে ক্লাবের বাইরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ</strong></p>
<p>১৯৬২ সালে প্যারিসে সদর দপ্তর নিয়ে প্রতিষ্ঠিত ওইসিডি মূলত উন্নত ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর একটি নীতি-নির্ধারণী আন্তর্জাতিক সংস্থা। এর ৩৮টি সদস্য দেশ সুইস ব্যাংক থেকে সহজেই তথ্য পেয়ে যায়। এর বাইরেও আরও ৬৩টি দেশ ওইসিডির আন্তর্জাতিক মানদণ্ড- কমন রিপোর্টিং স্ট্যান্ডার্ড (সিআরএস) ও অটোমেটিক এক্সচেঞ্জ অব ইনফরমেশন (এইওআই)- অনুসরণ করে তথ্য সংগ্রহ করে। এই দুই কাঠামো মিলিয়ে ২০২৩ সাল থেকে এ পর্যন্ত ১০১টি দেশ সুইস ব্যাংক থেকে নিয়েছে প্রায় ৩৬ লাখ তথ্য।</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের পথটা আবার আলাদা। তারা নিজস্ব আইন ফরেন অ্যাকাউন্ট ট্যাক্স কমপ্লায়েন্স অ্যাক্টের (এফএটিসিএ) আওতায় ২০১৪ সাল থেকেই সুইস ব্যাংকে রাখা মার্কিন নাগরিকদের অর্থের তথ্য নিচ্ছে, এবং ২০২৪ সালে দুই দেশ সরকার পর্যায়ে নতুন তথ্য বিনিময় চুক্তিও করেছে। এই তালিকায় যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, হংকং থেকে শুরু করে ইউরোপের অধিকাংশ দেশ, এমনকি প্রতিবেশী ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক, ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইন্দোনেশিয়ার নামও রয়েছে। অথচ এই দীর্ঘ তালিকায় বাংলাদেশের নাম নেই।</p>
<p>একটা সময় সুইস ব্যাংকের তথ্য ছিল প্রায় ভেদ্য-অভেদ্য এক রহস্য। কিন্তু ২০০৮ সালের বৈশ্বিক মন্দার পর কর ফাঁকি ও কালোটাকা রোধে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ায় ওইসিডি, আর তার ফলেই জন্ম নেয় সিআরএস কাঠামো। বাংলাদেশ এখনো এই কাঠামোর বাইরে। তবে আশার কথা, জুলাই জাতীয় সনদের ৭৪ নম্বর অনুচ্ছেদে স্পষ্ট উল্লেখ আছে; দেশে-বিদেশে আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কমন রিপোর্টিং স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করবে এবং তা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সব আইনি পদক্ষেপ নেবে। জুলাই সনদে স্বাক্ষরকারী সব রাজনৈতিক দলই এই প্রস্তাবে একমত হয়েছে।</p>
<p><strong>সংখ্যাই বলে দিচ্ছে গল্পটা</strong></p>
<p>পরিসংখ্যান ঘাঁটলেই স্পষ্ট হয়ে যায়, তথ্য বিনিময়ের আওতায় থাকা দেশগুলোর সুইস আমানত কীভাবে বছরের পর বছর কমছে, আর বাংলাদেশ কীভাবে এর ব্যতিক্রম। ২০২১ সালে যুক্তরাজ্যের আমানত ছিল ৩৭ হাজার ৫২০ কোটি ফ্র্যাংক, যা ২০২২ সালেই কমে নেমে আসে ১৯ হাজার ৯৪৩ কোটিতে; এরপর কিছুটা ওঠানামা করে ২০২৫ সালে দাঁড়ায় ১৮ হাজার ৩৯০ কোটি ফ্র্যাংকে। পাকিস্তানের ক্ষেত্রেও একই ধারাবাহিক পতন- ২০২১ সালের ৭০ কোটি ফ্র্যাংক থেকে ক্রমান্বয়ে কমে ২০২৫ সালে নেমেছে মাত্র ২৩ কোটিতে। ভারতের আমানতও ২০২৪ সালের ৩৫০ কোটি ফ্র্যাংক থেকে কমে ২০২৫ সালে হয়েছে ৩২৩ কোটি ফ্র্যাংক।</p>
<p>পুরো সুইজারল্যান্ডের চিত্রটাও একই দিকে- ২০২১ সালে দেশটির ব্যাংকগুলোতে মোট আমানত ছিল ১ লাখ ৪০ হাজার ৭৪৭ কোটি ফ্র্যাংক, যা ধাপে ধাপে কমে ২০২২ সালে ১ লাখ ১৫ হাজার ৭৩৯ কোটি, ২০২৩ সালে ৯৮ হাজার ৩৪৫ কোটি, ২০২৪ সালে ৯৭ হাজার ৭১২ কোটি এবং সবশেষ ২০২৫ সালে নেমে এসেছে ৮৯ হাজার ৬৩৮ কোটি ফ্র্যাংকে।</p>
<p>আর এই সামগ্রিক পতনের মাঝেই বাংলাদেশের আমানত একলাফে বেড়েছে ৪১ শতাংশ, পৌঁছে গেছে ৮৩ কোটি ৪১ লাখ সুইস ফ্র্যাংকে দক্ষিণ এশিয়ায় যা ভারতের পরেই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। সংখ্যাটা যতই বড় হোক, এর পেছনের বার্তাটা আরও বড় যে দেশ নজরদারির বাইরে থাকে, সেই দেশই হয়ে ওঠে পাচারকারীদের সবচেয়ে পছন্দের ঠিকানা।</p>
<p><strong>শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটা থেকেই যায়</strong></p>
<p>বিশ্বের অধিকাংশ দেশ যখন তথ্য বিনিময়ের মাধ্যমে নিজেদের সুইস ব্যাংক-নির্ভর পাচারের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে, তখন বাংলাদেশের এই কাঠামোর বাইরে থাকাটা নিঃসন্দেহে একটি কাঠামোগত দুর্বলতা। জুলাই সনদে দেওয়া প্রতিশ্রুতি যদি বাস্তবে রূপ পায় এবং বাংলাদেশ অবশেষে কমন রিপোর্টিং স্ট্যান্ডার্ডে যুক্ত হতে পারে, তবেই হয়তো সেই কাল্পনিক ঢাকার ব্যবসায়ীর গল্পটাও বদলে যাবে- একদিন তার কাছেও আসবে সেই চিঠি, যেদিন গোপনীয়তার শেষ দেওয়ালটাও ভেঙে পড়বে।</p>
<p>The post <a href="https://www.ekusheypatrika.com/archives/266445">গোপনীয়তার দেওয়াল যখন ভাঙছে অন্যরা, অন্ধকারে রয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ</a> appeared first on <a href="https://www.ekusheypatrika.com">একুশে পত্রিকা</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ বাতিল, প্রশাসক বসাল বাংলাদেশ ব্যাংক</title>
		<link>https://www.ekusheypatrika.com/archives/266016</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[শরীফুল রুকন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 14 Jun 2026 16:57:32 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থ-বাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষ সংবাদ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.ekusheypatrika.com/?p=266016</guid>

					<description><![CDATA[<p>ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালকের নিয়োগ বাতিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে ব্যাংকটির প্রশাসক হিসেবে কেন্দ্রীয়<a class="moretag" href="https://www.ekusheypatrika.com/archives/266016">...বিস্তারিত</a></p>
<p>The post <a href="https://www.ekusheypatrika.com/archives/266016">ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ বাতিল, প্রশাসক বসাল বাংলাদেশ ব্যাংক</a> appeared first on <a href="https://www.ekusheypatrika.com">একুশে পত্রিকা</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><a href="https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2024/09/Islami-Bank.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" src="https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2024/09/Islami-Bank.jpg" alt="" width="800" height="450" class="alignright size-full wp-image-225693" srcset="https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2024/09/Islami-Bank.jpg 800w, https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2024/09/Islami-Bank-300x169.jpg 300w, https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2024/09/Islami-Bank-768x432.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 800px) 100vw, 800px" /></a><br />
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালকের নিয়োগ বাতিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে ব্যাংকটির প্রশাসক হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জহির হোসেনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>আজ রোববার (১৪ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ও ৪৭(৩) ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে ব্যাংক, আমানতকারী ও জনস্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত মোহাম্মদ জহির হোসেন ব্যাংকটির প্রশাসকের যাবতীয় ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন।</p>
<p>জানা যায়, গত ২৪ মে ইসলামী ব্যাংকের তৎকালীন চেয়ারম্যান এম জুবায়দুর রহমান পদত্যাগ করেন। ওই দিন রাতেই বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর মো. খুরশীদ আলমকে স্বতন্ত্র পরিচালক ও নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। কিন্তু তাঁকে নিয়ে বিতর্ক তৈরি হলে ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’-এর ব্যানারে সাত দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়, যাতে সমর্থন জানায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।</p>
<p>টানা বিক্ষোভ ও অস্থিরতার কারণে ব্যাংকটির গ্রাহকদের মধ্যে টাকা তোলার প্রবণতা মারাত্মকভাবে বেড়ে যায়। এতে ব্যাংকটি বড় ধরনের তারল্য সংকটে পড়ে এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকা ধার চায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ রোববার সকালে বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের আড়াই হাজার কোটি টাকা ধার দেয়।</p>
<p>এদিকে, আজ বিকেল ৪টার দিকে ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্বে) আলতাফ হোসেন, দুজন অতিরিক্ত এমডি ও ছয়জন ডিএমডি কেন্দ্রীয় ব্যাংকে যান। তাঁরা গভর্নর মোস্তাকুর রহমানসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে ব্যাংকের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করেন।</p>
<p>বৈঠক শেষে আলতাফ হোসেন জানান, তারল্য সংকট কাটাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এবং গ্রাহকদের টাকা তোলার সমস্যা দ্রুতই কেটে যাবে। তিনি দাবি করেন, গত দুই দিনে ব্যাংকে নগদ জমা ও উত্তোলনের পরিমাণ প্রায় সমান অবস্থানে রয়েছে, যা গড়ে প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা।</p>
<p>তবে এই বৈঠকের পরপরই রাতে ব্যাংকটির পুরো পর্ষদ বাতিলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। আপাতত নবনিযুক্ত এই প্রশাসকের নেতৃত্বেই পরিচালিত হবে ইসলামী ব্যাংক।</p>
<p>The post <a href="https://www.ekusheypatrika.com/archives/266016">ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ বাতিল, প্রশাসক বসাল বাংলাদেশ ব্যাংক</a> appeared first on <a href="https://www.ekusheypatrika.com">একুশে পত্রিকা</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>চট্টগ্রাম পাচ্ছে ১১ হাজার কোটি, কিন্তু নগরবাসীর ভাগ্যে কী?</title>
		<link>https://www.ekusheypatrika.com/archives/265858</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[শরীফুল রুকন]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 12 Jun 2026 03:56:18 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থ-বাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[চট্টগ্রাম]]></category>
		<category><![CDATA[স্লাইডার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.ekusheypatrika.com/?p=265858</guid>

					<description><![CDATA[<p>বন্দরনগরী চট্টগ্রামের বুকে এখন নতুন স্বপ্নের গুঞ্জন। মাতারবাড়ীতে গভীর সমুদ্রবন্দর, কর্ণফুলীর বুক চিরে কালুরঘাট সেতু, বে টার্মিনালের বিশাল ক্যানভাস- সব<a class="moretag" href="https://www.ekusheypatrika.com/archives/265858">...বিস্তারিত</a></p>
<p>The post <a href="https://www.ekusheypatrika.com/archives/265858">চট্টগ্রাম পাচ্ছে ১১ হাজার কোটি, কিন্তু নগরবাসীর ভাগ্যে কী?</a> appeared first on <a href="https://www.ekusheypatrika.com">একুশে পত্রিকা</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><a href="https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2022/09/chittagong-city.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-full wp-image-174977" src="https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2022/09/chittagong-city.jpg" alt="" width="800" height="450" srcset="https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2022/09/chittagong-city.jpg 800w, https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2022/09/chittagong-city-300x169.jpg 300w, https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2022/09/chittagong-city-768x432.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 800px) 100vw, 800px" /></a><br />
বন্দরনগরী চট্টগ্রামের বুকে এখন নতুন স্বপ্নের গুঞ্জন। মাতারবাড়ীতে গভীর সমুদ্রবন্দর, কর্ণফুলীর বুক চিরে কালুরঘাট সেতু, বে টার্মিনালের বিশাল ক্যানভাস- সব মিলিয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে চট্টগ্রামের জন্য যা এসেছে, তা এককথায় ঐতিহাসিক। ৪০টি প্রকল্পের বিপরীতে বরাদ্দ হয়েছে ১১ হাজার ৬২৮ কোটি টাকা। গতবার এটি ছিল ৯ হাজার ৪০৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক ধাক্কায় বাড়ল ২ হাজার ২২৪ কোটি টাকা।</p>
<p>কিন্তু সংখ্যার এই মহাযজ্ঞের পেছনে যে প্রশ্নটি ঘুরঘুর করছে, এই স্বপ্ন কি শেষমেশ শুধু কাগজেই থাকবে?</p>
<p><strong>মেগার মেলা, নগরের হাহাকার</strong></p>
<p>বরাদ্দের হিসাব মেলালে দেখা যায়, সিংহভাগই গেছে বড় বড় মেগা প্রকল্পের পেটে। মাতারবাড়ী বন্দর উন্নয়নে সড়ক ও জনপথ অংশে ২ হাজার ৬৫ কোটি, বন্দর কর্তৃপক্ষের মূল অংশে ১ হাজার ৬১ কোটি- মিলিয়ে শুধু মাতারবাড়ীতেই ঢালা হয়েছে ৩ হাজার ৭০৬ কোটি টাকা। চট্টগ্রাম-দোহাজারী ডুয়েল গেজ রেলপথে ১ হাজার ৫৫ কোটি। মিরসরাইয়ে ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৮০৪ কোটি, যা গতবারের চেয়ে ৭৪৭ কোটি বেশি। কালুরঘাট সেতুতে ৬৯৭ কোটি। বে টার্মিনালে ৬৫৭ কোটি।</p>
<p>কর্ণফুলীর ড্রেজিং, আধুনিক অটোমেশন, ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইন উন্নয়ন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ- এসব পরিকল্পনা সফল হলে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথে দূরত্ব কমবে কমপক্ষে ৮০ কিলোমিটার। ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের ট্রেনযাত্রা হবে দুই থেকে তিন ঘণ্টা কম। বন্দরের সক্ষমতা বাড়বে বহু গুণ।</p>
<p>ব্যবসায়ীরা খুশি। উৎসাহিত। তবে সেই উৎসাহের মধ্যেও একটা চাপা উদ্বেগ- বাস্তবায়ন হবে তো?</p>
<p>কিন্তু বড় প্রকল্পের আলোয় ঢাকা পড়ে গেছে নগরের সাধারণ মানুষের কথা। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, যার হাত ধরে চলে ৪১টি ওয়ার্ডের রাস্তাঘাট, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সড়কবাতি- সে পেয়েছে মাত্র ৩৮০ কোটি টাকা। গতবার পেয়েছিল ৭০০ কোটি। পাঁচটি প্রকল্পের মধ্যে তিনটিতেই মিলেছে শূন্য বরাদ্দ।</p>
<p>রাস্তা ভাঙা থাকবে। বাতি জ্বলবে না। বর্জ্যের স্তূপ জমবে। আর মানুষ তাকিয়ে থাকবে মেগা প্রকল্পের স্বপ্নের দিকে।</p>
<p>চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) অবশ্য একটা ব্যাখ্যা আছে। সংস্থাটির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী নুরুল করিম বলছেন, অধিকাংশ প্রকল্প শেষের পথে, তাই বরাদ্দ কমেছে। জলাবদ্ধতার বহুল আলোচিত মেগা প্রকল্পে এবার এসেছে ৭৭৮ কোটি টাকা। ওয়াসার পয়ঃনিষ্কাশন প্রকল্পে ৭৬০ কোটি। এগুলো নগরবাসীর দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার প্রতিদান।</p>
<p><strong>রাজনীতিতে নীরবতার নতুন রেওয়াজ</strong></p>
<p>বাজেট ঘোষণার পরদিন চট্টগ্রামের রাজনৈতিক ময়দানে এক অদ্ভুত নীরবতা। নব্বইয়ের দশক থেকে যে রীতি চলে আসছিল- সরকারি দলের উৎসবী মিছিল, বিরোধীদের প্রতিবাদের মিছিল- এবার সেই রীতিতে ছেদ পড়েছে।</p>
<p>ক্ষমতাসীন বিএনপি এবং বিরোধী জামায়াতে ইসলামী- কেউই নামেনি রাস্তায়। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান বললেন, তাড়াহুড়ো করে প্রতিক্রিয়া দিতে চান না। পুরো বাজেট পর্যবেক্ষণের পর পূর্ণাঙ্গ মতামত দেবেন। মহানগর জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুজ্জামান হেলালি বললেন, &#8220;আগে বাজেট ঘোষণার সময়ই মিছিল করা হতো। কিন্তু এখন পুরোপুরি না দেখে কিছু করতে চাই না।&#8221;</p>
<p>এই পরিপক্বতা নতুন। এই নীরবতা অর্থবহ।</p>
<p><strong>জাতীয় বাজেট: স্বপ্নের ব্যাপ্তি, বাস্তবের ফাঁক</strong></p>
<p>বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী যখন ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করলেন, তখন ঘড়িতে বিকেল তিনটা। শেষ হলো রাত আটটা দশে। বিরতিসহ পাঁচ ঘণ্টার এই বক্তৃতা সম্ভবত বাংলাদেশের ইতিহাসে দীর্ঘতম।</p>
<p>বাজেটের নাম দেওয়া হয়েছে, &#8216;গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা।&#8217; আগামী বছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৬ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য। আর পাঁচ বছরে প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৮ শতাংশ, মূল্যস্ফীতি ৫ শতাংশ এবং ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার স্বপ্ন।</p>
<p>স্বপ্ন বড়। কিন্তু বাস্তবতা কঠিন।</p>
<p>চলতি অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি মাত্র ৪ শতাংশ। এনবিআর এপ্রিল পর্যন্ত রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে পিছিয়ে আছে এক লাখ কোটি টাকা। অথচ আগামী বছর রাজস্ব আয় বাড়াতে হবে প্রায় দুই লাখ কোটি টাকা, যা অনেকের কাছে প্রায় অসম্ভব।</p>
<p>ঘাটতি মেটাতে সরকার বিদেশি ঋণ নেবে ১ লাখ ৯ হাজার ৮৫০ কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় প্রায় ৯০ শতাংশ বেশি। এর বাইরে ব্যাংক থেকে নেবে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা। ঋণের সুদ পরিশোধেই যাবে ১ লাখ ২৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, মোট বাজেটের প্রায় ১৪ শতাংশ।</p>
<p>সরকার প্রতি ১০০ টাকা খরচ করলে নিজে আয় করবে ৭৪ টাকা। বাকি ২৬ টাকা আসবে ঋণ থেকে।</p>
<p>তবে আলোর দিকও আছে। করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৫০ হাজার থেকে বেড়ে হলো ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। ফ্রিল্যান্সারদের আয় করমুক্ত। চাল, গম, আলু, পেঁয়াজসহ ৬১টি পণ্যে উৎসে কর কমল। ল্যাপটপ-কম্পিউটারে কর কমল। বৈদ্যুতিক গাড়িতে বড় ছাড়। ক্ষুদ্র ও খুচরা ব্যবসায়ীদের জন্য সহজ কর ব্যবস্থা চালু হলো।</p>
<p><strong>কথায় নয়, কাজে</strong></p>
<p>রবীন্দ্রনাথের সেই লাইন মনে পড়ে, &#8216;এবার ফিরাও মোরে, লয়ে যাও সংসারের তীরে।&#8217; দেশের মানুষ এখন আর কল্পনার তরঙ্গে ভাসতে চান না। তারা চান স্বস্তি, তারা চান কাজ, তারা চান দাম কমুক বাজারে।</p>
<p>চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা বলছেন, এই বরাদ্দ যদি সত্যিই বাস্তবে রূপ পায়, তাহলে শুধু চট্টগ্রাম নয়, বদলে যাবে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি। কিন্তু গতবছর মাতারবাড়ীতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বরাদ্দ পেয়েছিল ৩ হাজার কোটির বেশি, পেয়েছিল মাত্র ৯৪৬ কোটি। মিরসরাইয়ের ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চলে বরাদ্দ ছিল ৫৭ কোটি টাকা, পেয়েছিল সাড়ে চার কোটি।</p>
<p>সংখ্যার খেলায় স্বপ্ন দেখানো সহজ। কঠিন হলো সেই স্বপ্নকে বাস্তবের মাটিতে দাঁড় করানো। উনিশ শতকের কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের ভাষায়, &#8216;কল্পনা না হয় যেন রাবণের মত।&#8217;</p>
<p>বাজেটের অঙ্ক যত বড়ই হোক- শেষ বিচারে মানুষ দেখবে, রাস্তা ঠিক হলো কিনা, বাজারে দাম কমল কিনা, সন্তানের চাকরি হলো কিনা। সেই উত্তর মিলবে আগামী দিনে।</p>
<p>The post <a href="https://www.ekusheypatrika.com/archives/265858">চট্টগ্রাম পাচ্ছে ১১ হাজার কোটি, কিন্তু নগরবাসীর ভাগ্যে কী?</a> appeared first on <a href="https://www.ekusheypatrika.com">একুশে পত্রিকা</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটির গল্প; আপনার পকেট থেকে, আপনার জন্য</title>
		<link>https://www.ekusheypatrika.com/archives/265813</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[শরীফুল রুকন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 11 Jun 2026 13:22:23 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থ-বাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[স্লাইডার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.ekusheypatrika.com/?p=265813</guid>

					<description><![CDATA[<p>একটা সাধারণ ডিজিটাল ক্যালকুলেটর কিনুন বাজার থেকে। তারপর চেষ্টা করুন এই সংখ্যাটা টাইপ করতে- ৯৩৮০০০০০০০০০০। পারবেন না। ক্যালকুলেটরের ছোট্ট পর্দায়<a class="moretag" href="https://www.ekusheypatrika.com/archives/265813">...বিস্তারিত</a></p>
<p>The post <a href="https://www.ekusheypatrika.com/archives/265813">৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটির গল্প; আপনার পকেট থেকে, আপনার জন্য</a> appeared first on <a href="https://www.ekusheypatrika.com">একুশে পত্রিকা</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><a href="https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2026/06/InCollage_20260611_155903436-e1781183663856.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignright size-full wp-image-265815" src="https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2026/06/InCollage_20260611_155903436-e1781183663856.jpg" alt="" width="800" height="450" /></a><br />
একটা সাধারণ ডিজিটাল ক্যালকুলেটর কিনুন বাজার থেকে। তারপর চেষ্টা করুন এই সংখ্যাটা টাইপ করতে- ৯৩৮০০০০০০০০০০। পারবেন না। ক্যালকুলেটরের ছোট্ট পর্দায় এই সংখ্যা ধরে না। অথচ এটাই বাংলাদেশের আগামী এক বছরের বাজেট। তেরোটি সংখ্যা দিয়ে লেখা, ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এই বিশাল অঙ্ক।</p>
<p>বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদের অধিবেশনে উঠে দাঁড়ালেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বিএনপি সরকারের এই প্রথম বাজেটের শিরোনাম দিয়েছেন তিনি, &#8216;গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা&#8217;। খটোমটো নাম, কিন্তু ভেতরে লুকিয়ে আছে কোটি মানুষের জীবনের হিসাব-নিকাশ।</p>
<p><strong>এত টাকা আসলে কতটা টাকা?</strong></p>
<p>সংখ্যাটা মাথায় ঢুকছে না? স্বাভাবিক। তাহলে একটু অন্যভাবে ভাবুন।</p>
<p>এই টাকা দিয়ে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের মতো কুড়িটি বিশ্বকাপ আয়োজন করে ফেলা সম্ভব। অলিম্পিকের মতো &#8216;গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ&#8217; বসানো যাবে সাত থেকে আটটি। ব্যাংক থেকে এই টাকা তুলুন এক হাজার টাকার নোটে, পাবেন ৯৩৮ কোটি ব্যাংক নোট। সব নোট একটার ওপর একটা সাজালে সেই স্তূপ উঠে যাবে ৯৩৮ কিলোমিটার উপরে- ছাড়িয়ে যাবে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন আইএসএসকে, এবং সেটাও দুইবার।</p>
<p>আর নোটগুলো যদি পাশাপাশি বিছিয়ে দেন? তাহলে সেই সারি চলে যাবে দেড় কোটি কিলোমিটার দূরে। পৃথিবী থেকে চাঁদে চারবার যাওয়া-আসা করা যাবে সেই টাকার পথ ধরে।</p>
<p>সব নোটের ওজন হবে ৯ হাজার ৩৮০ মেট্রিকটন- দেড় হাজার আফ্রিকান হাতির ওজনের সমান। আইফেল টাওয়ারের ওজনের কাছাকাছি।</p>
<p>আপনার মাসিক আয় যদি ৫০ হাজার টাকা হয়, তাহলে এই পুরো বাজেটের সমান টাকা কামাতে আপনার লাগবে ১ কোটি ৫৬ লাখ ৩৩ হাজার বছর। পৃথিবীর বয়স সাড়ে চারশো কোটি বছর, তার মধ্যে এই সময়টুকু নিতান্তই সামান্য নয়।</p>
<p><strong>পৌনে এক হাজার কোটি থেকে ট্রিলিয়নের পথে</strong></p>
<p>১৯৭২ সালের ৩০ জুন। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অর্থমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ সংসদে দাঁড়িয়ে ঘোষণা করেছিলেন দেশের প্রথম বাজেট, মাত্র ৭৮৬ কোটি টাকার।</p>
<p>ঠিক ৫০ বছর পর, ২০২২ সালে বাংলাদেশ উদ্বোধন করল পদ্মা সেতু। শুধু ওই একটি সেতু বানাতেই খরচ হলো ৩০ হাজার কোটি টাকার বেশি, বাহাত্তর সালের আটত্রিশটি বাজেটের সমান।</p>
<p>ওই পৌনে এক হাজার কোটির বাজেট বাড়তে বাড়তে প্রথমবার ১ ট্রিলিয়ন ছোঁয় ২০০৯ সালে। আবুল মাল আব্দুল মুহিত সেবার বাজেটের নাম দিয়েছিলেন &#8216;দিন বদলের বাজেট&#8217;। দেড় দশকে দিন কতটা বদলেছিল সেই বিচার জনগণের, কিন্তু বাজেটের আকার বদলেছিল দ্রুতগতিতে। আওয়ামী লীগের শেষ বাজেটে সেটা পৌঁছায় ৬ লাখ ৩১ হাজার কোটিতে। তারপর অন্তর্বর্তী সরকারের সংশোধিত বাজেট দাঁড়ায় ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটিতে।</p>
<p>আর এবার? তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের প্রথম বাজেটে এক লাফে দেড় লাখ কোটি টাকার বৃদ্ধি। রেকর্ড ব্রেকিং।</p>
<p><strong>আপনার ভাগে কত পড়ল?</strong></p>
<p>পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাবে বাংলাদেশের জনসংখ্যা এই মুহূর্তে ১৭ কোটি ৩৫ লাখ ২০ হাজার। সেই হিসাবে বাজেটের এই বিশাল পাহাড় থেকে আপনার ভাগে পড়ছে ৫৪ হাজার ৫৭ টাকা ১৭ পয়সা।</p>
<p>এই ৫৪ হাজার টাকার ভেতর থেকে কোথায় কত যাচ্ছে, সেটা জানলে চমকে উঠতে পারেন।</p>
<p>সবচেয়ে বড় অংশ, প্রায় ১৮ হাজার টাকা, চলে যাচ্ছে উন্নয়ন বা এডিপি খাতে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতায় যাচ্ছে ৫ হাজার ১৫০ টাকার বেশি। আর সবচেয়ে গলার কাঁটা হলো, ৭ হাজার ৩০০ টাকা চলে যাচ্ছে শুধু পুরোনো ঋণের সুদ মেটাতে। মানে আগের সরকারগুলোর ধার শোধ করতে।</p>
<p>মোট সুদ বাবদ ব্যয় ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা, গোটা বাজেটের সাড়ে ১৩ শতাংশ। প্রতি সাত টাকা ব্যয়ের বিপরীতে এক টাকা যাচ্ছে কেবল সুদ পরিশোধে। এই টাকায় চারটি পদ্মা সেতু বানানো যেত, চারটি মেট্রোরেলও।</p>
<p>অর্থমন্ত্রী ঋণনির্ভরতা কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কিন্তু এই বাজেটেই ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি মেটাতে হবে দেশ-বিদেশ থেকে ঋণ নিয়ে। অর্থাৎ আগামী বছর আপনার মাথায় নতুন করে চাপবে আরও ১৪ হাজার টাকার ঋণের বোঝা। এর আগে কোনো বাজেটে এত বড় মাথাপিছু ঋণের ভার ছিল না।</p>
<p>ভাবছেন এড়িয়ে যাবেন? উপায় নেই। আপনার উপার্জনের প্রতিটি টাকায়, কেনা প্রতিটি পণ্যে ট্যাক্স বসিয়ে সরকার তার পাওনা বুঝে নেবেই। আগামী বছর আপনার কাছ থেকে গড়ে ৪০ হাজার টাকা কর ও ভ্যাট আদায়ের লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে।</p>
<p><strong>যা সস্তা হবে, যা দামি হবে</strong></p>
<p>বাজেটের সবচেয়ে সরাসরি প্রভাব পড়ে আপনার রান্নাঘর ও বাজারের থলেতে।</p>
<p>সুখবর হলো, ধান, চাল, গম, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লবণ, চিনি, ভোজ্যতেলসহ ৬০টি নিত্যপণ্যের উৎসে করের হার কমিয়ে মাত্র শূন্য দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। জিরা, দারুচিনি, এলাচি, লবঙ্গের মতো মসলায় ৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক পুরোপুরি তুলে দেওয়া হয়েছে। খেজুরেও একই সুবিধা। ক্যানসারসহ নানা রোগের ওষুধের কাঁচামালে ছাড় দেওয়া হয়েছে। কিডনি রোগীর প্রতিবার ডায়ালাইসিসে খরচ কমতে পারে ৮০০ টাকা পর্যন্ত।</p>
<p>প্রযুক্তিপ্রেমীদের জন্য বড় খবর- ল্যাপটপ, ডেস্কটপ, সার্ভার, প্রিন্টার ও মনিটরে সব ধরনের আমদানি শুল্ক, ভ্যাট পুরোপুরি প্রত্যাহার করা হয়েছে। বৈদ্যুতিক গাড়ির করভার ৯৩ শতাংশ থেকে নামিয়ে আনা হয়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। সোনার গয়নায় ভ্যাট কমে এখন ভরিপ্রতি মাত্র আড়াই হাজার টাকা।</p>
<p>তবে কিছু জিনিসের দাম বাড়বে। সিগারেট মহার্ঘ হবে। তেলচালিত মাঝারি গাড়িতে কর বাড়ছে। বিদেশি কাজুবাদাম, পাঙাশের ফিলে, টাইলস, স্যানিটারিওয়্যার, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, খেলনা- এসবের দামও বাড়তে পারে।</p>
<p><strong>স্বপ্নের ফিরিস্তি</strong></p>
<p>এই বাজেটে সরকার স্বপ্ন দেখিয়েছে বড়। ১০টি অগ্রাধিকার খাত ঠিক করা হয়েছে- উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা, বিনিয়োগ, জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি, পরিবেশসহ আরও অনেক কিছু।</p>
<p>আগামী দুই বছরে দেশের ৯০ শতাংশ মানুষের কাছে ফাইভজি পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা আছে। তরুণ ও নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা করা হয়েছে। আইসিটি খাতে জিডিপিতে অবদান ১-২ শতাংশ থেকে পাঁচ বছরে ১০ শতাংশে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য বেঁধে দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>সরকারি কর্মচারীরা পাচ্ছেন বহুল প্রতীক্ষিত নবম বেতন কাঠামো- ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে। সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ থেকে বেড়ে ২০ হাজার, সর্বোচ্চ ৭৮ হাজার থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকায় উন্নীত করার সুপারিশ রয়েছে।</p>
<p>ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে কর্ডলাইন নির্মাণ হলে দূরত্ব কমবে ৮০ কিলোমিটার। সব জেলায় রেল নেটওয়ার্ক, বৈদ্যুতিক ট্র্যাকশন, উচ্চগতির রেলের দীর্ঘমেয়াদি স্বপ্নও আছে বাজেটে। সরকার বিশ্বাস করে, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি।</p>
<p>স্বপ্ন বড়, চ্যালেঞ্জও কম নয়। ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এই বিশাল বাজেট ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে। তারপর দেখা যাবে, আপনার ভাগের ৫৪ হাজার টাকার এই হিসাব আসলে আপনার জীবনে কতটা পরিবর্তন আনে। বাজারে গিয়ে পেঁয়াজের দাম কমে কিনা, বিদ্যুৎ বিল কমে কিনা, রাস্তায় একটু বেশি মেট্রো চলে কিনা।</p>
<p>কারণ শেষ পর্যন্ত, লক্ষ লক্ষ কোটি টাকার বাজেটের সাফল্য মাপা হয় একজন সাধারণ মানুষের মাসের শেষে হাতে কতটা টাকা থাকল- সেই ছোট্ট হিসাবে।</p>
<p>The post <a href="https://www.ekusheypatrika.com/archives/265813">৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটির গল্প; আপনার পকেট থেকে, আপনার জন্য</a> appeared first on <a href="https://www.ekusheypatrika.com">একুশে পত্রিকা</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মে মাসে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি ফিরেছে, পিএমআই সূচক ৬২.৮</title>
		<link>https://www.ekusheypatrika.com/archives/265613</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[শরীফুল রুকন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 08 Jun 2026 14:00:42 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থ-বাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষ সংবাদ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.ekusheypatrika.com/?p=265613</guid>

					<description><![CDATA[<p>মে মাসে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গতি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। গত মাসে বাংলাদেশ পারচেজিং ম্যানেজার্স ইনডেক্সের (পিএমআই) মান ছিল ৬২ দশমিক<a class="moretag" href="https://www.ekusheypatrika.com/archives/265613">...বিস্তারিত</a></p>
<p>The post <a href="https://www.ekusheypatrika.com/archives/265613">মে মাসে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি ফিরেছে, পিএমআই সূচক ৬২.৮</a> appeared first on <a href="https://www.ekusheypatrika.com">একুশে পত্রিকা</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><a href="https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2024/10/garments-20241021175820-e1736223557818.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" src="https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2024/10/garments-20241021175820-e1736223557818.jpg" alt="" width="800" height="450" class="alignright size-full wp-image-228712" srcset="https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2024/10/garments-20241021175820-e1736223557818.jpg 800w, https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2024/10/garments-20241021175820-e1736223557818-300x169.jpg 300w, https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2024/10/garments-20241021175820-e1736223557818-768x432.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 800px) 100vw, 800px" /></a><br />
মে মাসে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গতি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। গত মাসে বাংলাদেশ পারচেজিং ম্যানেজার্স ইনডেক্সের (পিএমআই) মান ছিল ৬২ দশমিক ৮, যা এপ্রিলের ৫৪ দশমিক ৬ থেকে ৮ দশমিক ২ পয়েন্ট বেশি। এর ফলে অর্থনীতিতে সম্প্রসারণের গতি আরও জোরালো হয়েছে।</p>
<p>আজ সোমবার প্রকাশিত বাংলাদেশ পিএমআই প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, উৎপাদন ও সেবা খাতে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি, নির্মাণ খাতের পুনরুদ্ধার এবং কৃষি খাতের ধারাবাহিক সম্প্রসারণের ফলে অর্থনৈতিক কার্যক্রমের এই গতি বেড়েছে।</p>
<p>প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, কৃষি খাত টানা নবম মাসের মতো সম্প্রসারণের ধারা বজায় রেখেছে। এই খাতে ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও কর্মসংস্থানে প্রবৃদ্ধি বেড়েছে। তবে নতুন ব্যবসা ও উৎপাদন উপকরণের ব্যয়ের প্রবৃদ্ধি কিছুটা কমলেও জমে থাকা কাজের সূচকে সংকোচন দেখা গেছে।</p>
<p>অন্যদিকে, উৎপাদন খাত টানা দ্বিতীয় মাসের মতো সম্প্রসারিত হয়েছে। এই খাতে নতুন কার্যাদেশ, রপ্তানি আদেশ, কাঁচামাল ক্রয় ও কর্মসংস্থানে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। সেই সঙ্গে আমদানি ও জমে থাকা কার্যাদেশও আবার বেড়েছে।</p>
<p>টানা তিন মাস সংকোচনের পর নির্মাণ খাত আবার সম্প্রসারণের ধারায় ফিরেছে। এই খাতে নতুন কাজ, নির্মাণ কার্যক্রম ও কর্মসংস্থানে ইতিবাচক ধারা দেখা গেছে। পাশাপাশি নির্মাণ উপকরণের ব্যয় বৃদ্ধির হারও আরও বেড়েছে।</p>
<p>সেবা খাত টানা ২০তম মাসের মতো সম্প্রসারণের মধ্যে রয়েছে। এই খাতে ব্যবসায়িক কার্যক্রম, কর্মসংস্থান ও উৎপাদন ব্যয়ের হার বেড়েছে এবং নতুন ব্যবসাও আবার সম্প্রসারণে ফিরেছে।</p>
<p>খাতভিত্তিক সূচকে দেখা যায়, মে মাসে কৃষি খাতের সূচক ছিল ৭০, উৎপাদন খাতের ৬৪ দশমিক ১, সেবা খাতের ৬২ দশমিক ৩ এবং নির্মাণ খাতের ৫২ দশমিক ৯। আগের মাসে এই সূচকগুলো ছিল যথাক্রমে ৭০ দশমিক ৭, ৫৬ দশমিক ৯, ৫১ দশমিক ৮ ও ৪৪ দশমিক ৬।</p>
<p>প্রতিবেদনে ভবিষ্যৎ ব্যবসা সূচকের পূর্বাভাস দিয়ে বলা হয়েছে, কৃষি, নির্মাণ ও সেবা খাতে সম্প্রসারণের এই ধারা অব্যাহত থাকবে। তবে উৎপাদন খাতে ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা কিছুটা দুর্বল এবং সেখানে সংকোচনের আশঙ্কা রয়েছে।</p>
<p>প্রতিবেদনের বিষয়ে পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম মাসরুর রিয়াজ জানান, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কারণে জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধি, সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ও মূল্যস্ফীতির চাপ ছিল। তবে ঈদ সামনে রেখে অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম বেড়ে যাওয়ায় মে মাসে অর্থনৈতিক সম্প্রসারণের গতি বেড়েছে।</p>
<p>উল্লেখ্য, পিএমআই সূচকের মান ৫০-এর ওপর থাকলে তাকে অর্থনৈতিক সম্প্রসারণ হিসেবে ধরা হয়। সূচক ৫০ থাকলে স্থিতিশীল এবং ৫০-এর নিচে থাকলে সংকোচন হিসেবে বিবেচনা করা হয়।</p>
<p>The post <a href="https://www.ekusheypatrika.com/archives/265613">মে মাসে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি ফিরেছে, পিএমআই সূচক ৬২.৮</a> appeared first on <a href="https://www.ekusheypatrika.com">একুশে পত্রিকা</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বন্ধ কারখানার চিমনিতে আবার ধোঁয়া উঠবে?</title>
		<link>https://www.ekusheypatrika.com/archives/265420</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[শরীফুল রুকন]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 05 Jun 2026 06:44:44 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থ-বাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[স্লাইডার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.ekusheypatrika.com/?p=265420</guid>

					<description><![CDATA[<p>একসময় কর্মচাঞ্চল্যে মুখর ছিল কারখানাটি। সকাল হলেই শ্রমিকদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠত চারপাশ। উৎপাদনের শব্দে কাঁপত মেঝে, চলত মালামাল ওঠানামা।<a class="moretag" href="https://www.ekusheypatrika.com/archives/265420">...বিস্তারিত</a></p>
<p>The post <a href="https://www.ekusheypatrika.com/archives/265420">বন্ধ কারখানার চিমনিতে আবার ধোঁয়া উঠবে?</a> appeared first on <a href="https://www.ekusheypatrika.com">একুশে পত্রিকা</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><a href="https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2026/06/InCollage_20260605_124205676-e1780641742289.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" src="https://www.ekusheypatrika.com/wp-content/uploads/2026/06/InCollage_20260605_124205676-e1780641742289.jpg" alt="" width="800" height="450" class="alignright size-full wp-image-265421" /></a><br />
একসময় কর্মচাঞ্চল্যে মুখর ছিল কারখানাটি। সকাল হলেই শ্রমিকদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠত চারপাশ। উৎপাদনের শব্দে কাঁপত মেঝে, চলত মালামাল ওঠানামা। কিন্তু একসময় চলতি মূলধনের সংকটে থমকে যায় সবকিছু। নিভে যায় চিমনির ধোঁয়া, বন্ধ হয়ে যায় উৎপাদন, অনিশ্চয়তায় পড়ে হাজারো শ্রমিকের জীবন।</p>
<p>বাংলাদেশের অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে এমন অসংখ্য শিল্প ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান বছরের পর বছর ধরে আংশিক বা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে আছে। যন্ত্রপাতি আছে, বাজার আছে, দক্ষ জনবলও আছে—কিন্তু নেই প্রয়োজনীয় অর্থ। সেই স্থবিরতা কাটিয়ে উৎপাদনের চাকা আবার ঘোরাতে এবার ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।</p>
<p>কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন এই উদ্যোগকে অনেকেই দেশের শিল্পখাত পুনরুজ্জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।</p>
<p><strong>কেন এই তহবিল?</strong></p>
<p>গত কয়েক বছরে উচ্চ সুদহার, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা, ডলার সংকট এবং ব্যবসায়িক ব্যয় বৃদ্ধির কারণে বহু শিল্পপ্রতিষ্ঠান সংকটে পড়ে। বর্তমানে ব্যাংকগুলো শিল্পখাতে ১২ থেকে ১৪ শতাংশ সুদে ঋণ দিচ্ছে। ফলে অনেক প্রতিষ্ঠান নতুন করে ঋণ নিতে সাহস পায় না।</p>
<p>এই বাস্তবতায় বাংলাদেশ ব্যাংক ৬০ হাজার কোটি টাকার বৃহৎ প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বন্ধ ও আংশিক সচল শিল্প-সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ২০ হাজার কোটি টাকার পৃথক তহবিল গঠন করেছে। এখান থেকে ব্যাংকগুলো মাত্র ৪ শতাংশ সুদে অর্থ পাবে এবং গ্রাহক পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সুদে ঋণ বিতরণ করতে পারবে।</p>
<p>অর্থনীতিবিদদের মতে, বাজারে তুলনামূলক কম সুদের এই অর্থায়ন শিল্প খাতে নতুন বিনিয়োগ ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক হতে পারে।</p>
<p><strong>কারা পাবেন এই সুবিধা?</strong></p>
<p>সব প্রতিষ্ঠান এই তহবিলের আওতায় আসবে না।</p>
<p>অগ্রাধিকার পাবে এমন বৃহৎ শিল্প ও সেবা প্রতিষ্ঠান, যাদের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও যন্ত্রপাতি রয়েছে কিন্তু শুধুমাত্র চলতি মূলধনের অভাবে পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারছে না।</p>
<p>রপ্তানিমুখী শিল্প, প্রচ্ছন্ন রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান এবং দক্ষ কোনো উদ্যোক্তা যদি বন্ধ কারখানা অধিগ্রহণ বা ইজারা নিয়ে পুনরায় চালু করতে চান, তারাও অগ্রাধিকার পাবেন।</p>
<p>তবে একটি বিষয় স্পষ্ট করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক—ঋণখেলাপি, অর্থপাচারে জড়িত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এবং ঋণের অর্থ অপব্যবহারের ইতিহাস আছে এমন কেউ এই সুবিধা পাবে না।</p>
<p><strong>সর্বোচ্চ ২০০ কোটি টাকা</strong></p>
<p>নীতিমালা অনুযায়ী, একটি প্রতিষ্ঠান বা গ্রুপ সর্বোচ্চ ২০০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবে।</p>
<p>এই অর্থ দিয়ে চার মাস পর্যন্ত শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ, বিদ্যুৎ-গ্যাসসহ বিভিন্ন ইউটিলিটি বিল পরিশোধ এবং উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল সংগ্রহ করা যাবে।</p>
<p>তবে পুরোনো ঋণ শোধ বা দায় সমন্বয়ের জন্য এই অর্থ ব্যবহার করা যাবে না। অর্থাৎ এটি কেবল উৎপাদন ও ব্যবসা সচল করার কাজে ব্যবহার করতে হবে।</p>
<p>ঋণের মেয়াদ হবে এক বছর। প্রয়োজনে ব্যবহার ও পরিশোধের ভিত্তিতে তা নবায়ন করা যাবে। গ্রাহকরা প্রথম ছয় মাস কোনো সুদের কিস্তি পরিশোধ না করেও ব্যবসা পুনরুদ্ধারের সুযোগ পাবেন।</p>
<p><strong>শুধু ঋণ নয়, থাকবে কঠোর নজরদারি</strong></p>
<p>বাংলাদেশে অতীতে বিভিন্ন প্রণোদনা ও পুনঃঅর্থায়ন তহবিল নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রে প্রকৃত উৎপাদনের পরিবর্তে অর্থ অন্য খাতে চলে যাওয়ার অভিযোগও ছিল।</p>
<p>সেই অভিজ্ঞতা থেকে এবার নজরদারিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>ঋণগ্রহীতাকে সব ধরনের ব্যবসায়িক আয়-ব্যয় একটি নির্দিষ্ট ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে পরিচালনা করতে হবে। শ্রমিকদের বেতন সরাসরি ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবে পাঠাতে হবে; কোনো নগদ লেনদেন করা যাবে না।</p>
<p>ব্যাংকগুলোকে প্রতি সপ্তাহে বিক্রয় বা রাজস্ব প্রতিবেদন সংগ্রহ করতে হবে। প্রতি তিন মাস অন্তর কারখানা পরিদর্শন করে প্রতিবেদন তৈরি করতে হবে। প্রয়োজনে ব্যাংক ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানে নিজস্ব প্রতিনিধি নিয়োগও করতে পারবে।</p>
<p>এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক যেকোনো সময় সরেজমিনে পরিদর্শন করে ঋণের ব্যবহার যাচাই করতে পারবে।</p>
<p><strong>অর্থনীতি কি গতি পাবে?</strong></p>
<p>বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব বলছে, দেশের বিভিন্ন খাতে বিপুল পরিমাণ শিল্প সক্ষমতা এখনো অলস পড়ে আছে। অনেক কারখানায় যন্ত্রপাতি রয়েছে, কিন্তু উৎপাদন নেই। ফলে কর্মসংস্থানও তৈরি হচ্ছে না।</p>
<p>বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন কারখানা স্থাপনের চেয়ে বিদ্যমান কিন্তু বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সচল করা তুলনামূলক দ্রুত ও কম ব্যয়বহুল। কারণ সেখানে অবকাঠামো, দক্ষ জনবল এবং বাজার সংযোগের একটি ভিত্তি আগে থেকেই থাকে।</p>
<p>যদি এই তহবিল সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়, তাহলে উৎপাদন বৃদ্ধি, রপ্তানি সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ব্যাংকিং খাতে ঋণের প্রবাহ বাড়ানোর মাধ্যমে অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।</p>
<p><strong>সাফল্যের চাবিকাঠি কোথায়?</strong></p>
<p>তহবিলের আকার বড়, সুদের হার কম এবং শর্তও তুলনামূলক সহনশীল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এর সাফল্য নির্ভর করবে অর্থ কতটা স্বচ্ছভাবে বিতরণ ও ব্যবহার হচ্ছে তার ওপর।</p>
<p>বাংলাদেশ ব্যাংক একটি ব্যতিক্রমী বার্তাও দিয়েছে—এই স্কিমের আওতায় ঋণের সঠিক ব্যবহার করে জাতীয় অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংককে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা দেওয়া হবে।</p>
<p>এটি শুধু একটি ঋণ কর্মসূচি নয়; বরং বন্ধ কারখানার গেট খুলে দেওয়া, উৎপাদনের চাকা ঘোরানো এবং কর্মহীন মানুষের জীবনে নতুন আশার আলো জ্বালানোর একটি প্রচেষ্টা।</p>
<p>এখন দেখার বিষয়, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা শিল্পের চিমনিগুলোতে সত্যিই আবার ধোঁয়া ওঠে কি না।</p>
<p>The post <a href="https://www.ekusheypatrika.com/archives/265420">বন্ধ কারখানার চিমনিতে আবার ধোঁয়া উঠবে?</a> appeared first on <a href="https://www.ekusheypatrika.com">একুশে পত্রিকা</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
