কক্সবাজার প্রতিনিধি : দেখতে বেশ সুন্দর। চলনে-বলনে, কথায় স্মার্টনেসেও চোখে পড়ার মতো। নাম রুনা আকতার (২২)
অস্বচ্ছল, অসম্ভ্রান্ত পরিবারের মেয়েও নন তিনি। তবুও কেন সুঠাম, সুন্দর, ডগা শরীরে গণলাঙলের মিথ্যা অভিযোগ তুললেন- কী তার স্বার্থ, কী লাভ সেখানে?
কয়েকদিন ধরে এ প্রশ্মের উত্তর খুঁজে পাচ্ছে না কক্সবাজারের জনগণ। নিজে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন এমন মিথ্যা অভিযোগ কী করে তুললেন, কার ইশারায় কাকেই বা ফাঁসাতে চেয়েছেন তিনি।
তার এই ফাঁদটি মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় পুলিশই সুন্দরী রুনাকে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে তার বাসা থেকে গ্রেফতার করে। মিথ্যা মামলার দায়ে আজ শুক্রবার বিশেষ বিবেচনায় তাকে কক্সবাজার আদালতে তোলা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠায়।
গ্রেফতার রুমা আক্তার কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামাবাদ আউলিয়াবাদ এলাকার শফিকুল ইসলামের মেয়ে।
ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি কর্মকর্তা গোলাম কবির বলেন, বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলা নং ৩০/২৩ ১৭(২) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী ছিল। এরই প্রেক্ষিত গত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানার একদল মহিলা পুলিশ বসতবাড়ী থেকে রুনা আক্তারকে গ্রেফতার করে।
উল্লেখ্য, গত বছরের মার্চে কক্সবাজার আদালত চত্বরে থেকে তুলে তাকে গণধর্ষণ করা হয় দাবি করে মামলা রুনা আক্তার। পরে মামলাটি আদালত মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় সব আসামিকে খালাস প্রদান করে আদালত।
মামলা থেকে খালাস পেয়ে ওই মামলার আসামিদের একজন জনৈক রাশেল উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১৭ (২) ধারায় বাদী রুনার বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা দায়ের করেন আদালতে। এ মামলায় রুনা আক্তারকে গ্রেফতার করা হয়।