সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২

‘ফটিকছড়ি উত্তরে’ সুয়াবিলকে যুক্ত করার প্রস্তাবে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

আন্দোলনের হুঁশিয়ারি, ইউএনওকে স্মারকলিপি প্রদান
ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি | প্রকাশিতঃ ৭ অক্টোবর ২০২৫ | ১১:৩৩ অপরাহ্ন


প্রস্তাবিত ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ উপজেলার সঙ্গে সুয়াবিল ইউনিয়ন ও নাজিরহাট পৌরসভার একাংশকে যুক্ত করার উদ্যোগে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ওই এলাকার বাসিন্দারা।

এ প্রস্তাবকে ‘আইনসম্মত নয় ও জনস্বার্থবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন তারা। দাবি না মানলে বৃহত্তর আন্দোলন ও আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

এরই অংশ হিসেবে মঙ্গলবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয় এবং বিকেলে সুয়াবিল চুরখাঁহাট এলাকায় একটি সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগীরা।

সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ও হালদা গবেষক অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল কিবরিয়া বলেন, “এই প্রস্তাব আইনসম্মত নয়। সুয়াবিল থেকে প্রস্তাবিত উপজেলার দূরত্ব প্রায় ৪০ কিলোমিটার, যেখানে বর্তমান ফটিকছড়ি সদরের দূরত্ব মাত্র ৪ থেকে ৬ কিলোমিটার। এতে মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে।”

তিনি আরও বলেন, জনগণের মতামত বা কোনো ধরনের গণশুনানি ছাড়াই এই প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে, যা বাস্তবায়িত হলে জনমনে গভীর ক্ষোভের সৃষ্টি হবে।

বৃহত্তর সুয়াবিলবাসীর পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ডা. এস. এম ফরিদ। এ সময় আরও বক্তব্য দেন নাজিরহাট কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ এস. এম নুরুল হুদা, এস. এম শফিউল আলম এবং অ্যাডভোকেট ইসমাইল।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মো. শাহজাহান, সাবেক পৌর কাউন্সিলর জয়নাল আবেদীন, গাজী আমান উল্লাহ, ওমর ফারুক মানিক, জয়নাল আবেদীন, মো. আমান উল্লাহ, নাছির উদ্দীন, মঞ্জু, আজিম, আলা উদ্দিন, মাহবুবুল আলম, নুরুল আলম এবং আবু জাফর ডালিম।