সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ৬ আশ্বিন ১৪২৭

‘বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতির আলোকবর্তিকা’

প্রকাশিতঃ শনিবার, আগস্ট ১৫, ২০২০, ১:২৫ অপরাহ্ণ


চবি প্রতিনিধি : বাংলার অবিসংবাদিত নেতা, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতির আলোকবর্তিকা বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার।

তিনি আরও বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর আলোয় বাঙালি জাতি আজ বিশ্ব দরবারে স্বমহিমায় আলোকিত।

শনিবার (১৫ আগস্ট) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ‘বঙ্গবন্ধু’র জীবন ও কীর্তি’ এবং ‘শোকাবহ ১৫ আগস্ট’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বঙ্গবন্ধু পরিবারের শহীদ সদস্যদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে উপাচার্য আর বলেন, ১৫ আগস্টের ক্ষতচিহ্ন বাঙালি জাতিকে বয়ে বেড়াতে হবে যুগ যুগ ধরে। এ মহাপুরুষ মা-মাটি ও মানুষকে ভালোবাসতেন বলেই বাঙালি জাতির জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। মৃত্যুঞ্জয়ী এ মহাপুরুষকে স্বপরিবারে হত্যা করে হায়নার দল চেয়েছিল বাঙালি জাতিকে বিশ্ব মানচিত্র থেকে নিশ্চিহ্ন করতে; কিন্তু তাতে তারা সফল হয়নি। পক্ষান্তরে হায়নার দল ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ অদম্য গতিতে এগিয়ে চলেছে। অন্ধকারের কোন অপশক্তি এ গতি রোধ করতে পারবে না।

এতে সূচনা বক্তব্য রাখেন চবি রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর এস এম মনিরুল হাসান। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, চবি সিনেট ও সিন্ডিকেট সদস্যবৃন্দ, অনুষদের ডিনবৃন্দ, শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ, হলের প্রভোস্টবৃন্দ, বিভাগীয় সভাপতি, ইনস্টিটিউট ও গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালকবৃন্দ, শিক্ষকবৃন্দ, প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টরবৃন্দ, অফিস প্রধানবৃন্দ, বঙ্গবন্ধু পরিষদের নেতৃবৃন্দ, অফিসার সমিতি, কর্মচারী সমিতি ও কর্মচারী ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যবৃন্দ।

এর আগে সকাল ১০ টায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতারসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য সংগঠনগুলো। বঙ্গবন্ধুসহ ১৫ আগস্ট শাহাদাৎ বরণকারী অন্যান্য শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে ফজরের নামাজের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল মসজিদে দোয়া মাহফিল, বিশেষ মোনাজাত এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের স্ব স্ব উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।