চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জিল্লুর রহমান চৌধুরী বলেছেন, সাংবাদিকদের বড় সম্পদ জ্ঞান চর্চা। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন দেশ ও মানুষের কল্যাণ বয়ে আনে। সংবাদ মাধ্যম দেশের ভাল মন্দ সবকিছু তুলে ধরতে পারে। তবে সব সময় লক্ষ রাখতে হবে, লেখনীর মধ্যে দেশ ও জাতির ক্ষতি না হয়।
শুক্রবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস মিলনায়তনে চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স ইউনিটির দু’দিনব্যাপি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
জিল্লুর রহমান চৌধুরী বলেন, সাংবাদিকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ নিলে জ্ঞান সমৃদ্ধ হয়। সত্য প্রকাশ করতে হবে সাংবাদিকতার মাধ্যমে। কারো ভয়ে বা কারো মুখ দেখে সাংবাদিকতা করা ঠিক নয়। অনেকে ভয়ে সাংবাদিকতা করছেন। সাফল্য ও সার্থকতা অনেকে বুঝে উঠতে পারে না, সাফল্য হলো নিজের ব্যক্তিগত সুখ সমৃদ্ধি আর সার্থকতা হলো ত্যাগ স্বীকারের মাধ্যমে দেশ ও মানুষের কল্যাণ করা।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশ্ব প্রেস কাউন্সিল নির্বাহী পরিষদের সাবেক সদস্য মঈনুদ্দিন কাদেরী শওকত বলেন, সাংবাদিকতা মহৎ পেশা, কারো প্রলোভনে প্রলুব্ধ না হয়ে বা কারো ভয়ে নতশির হয়ে সাংবাদিকতা করা যায় না। পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকের আইন সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখতে হবে। দেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৯ এ যুক্তিসংগত যে বিধি নিষেধ সাপর্কে মত প্রকাশ ও লেখনীর স্বাধীনতা সেই বিধি নিষেধ গুলো মনে রাখতে হবে। যাতে আইন অমান্য করা না হয়।
প্রধান প্রশিক্ষক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, এখন উন্নত বিশ্বে গণমাধ্যমে দেশের সকল খুঁটিনাটি বিষয় ফুটে উঠে। আজকের প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি করে প্রকৃত দেশ প্রেমিকতা নিয়ে গণমাধ্যম কর্মীদের কাজ করতে হবে।
চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি কিরন শর্মার সভাপতিত্বে বেসিক ট্রেনিং অন মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন লায়ন শফিউল আলম।
প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক আজাদীর বার্তা সম্পাদক এ.কে.এম জহুরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাধব দীপ, বেতার ও টিভি মঞ্চ উপস্থাপক দিলরুবা খানম, সংগঠনের সহ-সভাপতি কামরুল হুদা, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সহকারী সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক শাহীন প্রমুখ।