সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২

সেনাবাহিনীর ওপর হামলাকে ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ কর্মকাণ্ড বলছে হেফাজত

হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি | প্রকাশিতঃ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ১১:৪২ অপরাহ্ন


খাগড়াছড়ির গুইমারায় সেনাবাহিনীর ওপর হামলাকে ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর’ কর্মকাণ্ড আখ্যা দিয়ে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।

একই সঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রামে রাষ্ট্রের ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় সামরিক নিরাপত্তা আরও বাড়ানোর জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

রোববার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে হেফাজতের আমীর আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজেদুর রহমান এ দাবি জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, “আমরা খাগড়াছড়ির গুইমারায় সেনাবাহিনীর ওপর বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী ইউপিডিএফ-এর সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। ধর্ষকদের অবশ্যই দৃষ্টান্তমূলক বিচার হতে হবে, কিন্তু গত কয়েক দিন ধরে বিচার দাবির আড়ালে খাগড়াছড়িতে কর্তব্যরত সেনা-সদস্যদের ওপর একের পর এক আক্রমণ হয়েছে।”

হেফাজত নেতারা অভিযোগ করেন, “আধিপত্যবাদী ইন্ডিয়ার ভাড়াটে সন্ত্রাসী সংগঠন ইউপিডিএফ পার্বত্য চট্টগ্রামকে অশান্ত করে তুলেছে। এদেশের একদল ইন্ডিয়াপন্থী বামও পাহাড়ে সহিংসতার উসকানি দিচ্ছে, যা নিন্দনীয়।”

তাদের ভাষ্যমতে, ইউপিডিএফসহ অন্যান্য পাহাড়ি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন অপহরণ, চাঁদাবাজি ও গুম-খুনের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত, যার কারণে স্থানীয় বাঙালি ও পাহাড়ি নাগরিকেরা “অতিষ্ঠ”।

বিবৃতিতে পার্বত্য চট্টগ্রামকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে ‘খ্রিস্টান রাষ্ট্র’ বানানোর “আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র” চলছে বলেও দাবি করা হয়।

এতে আরও বলা হয়, “ইউপিডিএফসহ চিহ্নিত বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলোকে ‘দেশদ্রোহী’ হিসেবে ঘোষণাপূর্বক নিরাপত্তা ঝুঁকিতে থাকা পার্বত্য চট্টগ্রাম ঘিরে আমাদের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা কৌশলপত্র প্রণয়ন করা সময়ের দাবি।”

দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাবাহিনী ও বিজিবির পাশে থাকার কথাও বিবৃতিতে উল্লেখ করে হেফাজত।