নিজস্ব প্রতিবেদক : নগরীতে মো.মহিউদ্দিন (৩৫) নামে এক যুবলীগ কর্মীকে কুপিয়ে খুন করা হয়েছেন। আওয়ামী লীগ নেতা হাজী ইকবালের অনুসারীরা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সোমবার দুপুরে নগরীর বন্দর থানার সল্টগোলা এলাকায় মেহের আফজল উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনায় ঘটে বলে বন্দর থানার ওসি মো. ময়নুল ইসলাম জানিয়েছেন।
নিহত মো. মহিউদ্দিন (৩২) দক্ষিণ-মধ্যম হালিশহর এলাকার বাসিন্দা। তিনি এলাকায় যুবলীগকর্মী হিসেবে পরিচিত।
ওসি ময়নুল জানান, ৩১ মার্চ ওই স্কুলের প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের একটি কর্মসূচি আছে। সেই কর্মসূচির প্রস্তুতি সভা চলছিল। আকস্মিকভাবে আওয়ামী লীগ নেতা হাজী ইকবালের ২০-৩০ জন সেখানে গিয়ে মহিউদ্দিনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি বলেন, ‘নিহতের মাথা, বুক, পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে কোপানোর দাগ পাওয়া গেছে এবং পায়ের রগও কেটে গিয়েছিল।’
মহিউদ্দিনের মা নূর সেহের বেগম জানান, দুই ভাইয়ের মধ্যে মহিউদ্দিন ছোটের সল্ট গোলা ক্রসিং এলাকায় তার একটি মোবাইল ফ্লেক্সি লোডের দোকান আছে। তার চার বছর বয়েসী একটি ছেলে আছে বলেও জানান তিনি।
পুলিশ ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম মহানগরীতে যুবলীগের রাজনীতিতে মহিউদ্দিন প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর অনুসারী। দক্ষিণ-মধ্যম হালিশহর ওয়ার্ড কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ কাদের এবং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি হাসানের ঘনিষ্ঠজন। তাদের বিরোধী গ্রুপে আছেন বন্দর আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী আওয়ামী লীগ নেতা হাজী ইকবাল। মহিউদ্দিন বিভিন্ন সময় ফেসবুকে হাজী ইকবালের বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দেন। এর থেকে দ্বন্দ্ব ভয়াবহ আকার ধারণ করে এবং হত্যাকাণ্ডে রূপ নেয় বলে সূত্র জানিয়েছে।
একুশে/এএ