কলম্বোর এসএসসি ও চট্টগ্রামের জহুর আহদের চৌধুরী স্টেডিয়ামে একই সময় শ্রীলঙ্কার কাছে হেরেছে টাইগারদের দুটি দল। শ্রীলংকায় জয়বাংলা কাপের শেষ ম্যাচে ৭০ রানে হেরে সিরিজ ড্র করলেও চলতি ইমার্জিং টিমস এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে ৮উইকেটে হেরে টুর্ণামেন্টোই থেকে বিদায় নিলো জুনিয়ররা।
তবে বিদায় নিলেও কিছু অর্জন দেখছেন অধিনায়ক মুমিনুল হক। অবশ্য টুর্ণামেন্টের শুরু থেকেই বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দলের অধিনায়ক মুমিনুল হক আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠে বলেছিলেন, চ্যাম্পিয়ন হওয়াই তার একমাত্র লক্ষ্য। সে লক্ষ্য পূরণে দলকে সামনে থেকেই নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। কিন্তু তার সেই যাত্রা আজ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৮ উইকেটে হেরে শেষ হয়েছে। আগামী পরশু জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ফাইনালে খেলবে পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কা।
এই টুর্ণামেন্টে ঘরের মাঠে বাংলাদেশ এখন দর্শক। অন্য দলকে চ্যাম্পিয়ন হতে দেখে কষ্ট হবে না? ম্যাচ শেষে ম্লান কণ্ঠে মুমিনুল বললেন, অন্যের চ্যাম্পিয়ন দেখা অবশ্যই কষ্টের, ভীষণ আফসোস হবে। শুরু থেকেই বলে এসেছি চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে খেলছি। স্বপ্ন দেখা তো খারাপ কিছু নয়। হয়তো বলবেন আপনি স্বপ্ন পূরণ করতে পারেননি। আমি চেষ্টা করেছি। হয়নি। এর জন্য দুঃখিত। আমি অধিনায়ক, দায়টা আমার কাঁধেই তুলে নিলাম।
অবশ্য ব্যাটসম্যান হিসেবে একটা সেঞ্চুরি না পাওয়ার আফসোসও পোড়াচ্ছে মুমিনুলকে। সব আক্ষেপ ভুলে বাঁহাতি ব্যাটসম্যান তাকাতে চান সামনে। তার ভাবনায় আপাতত ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ। এক দিনের ক্রিকেটে নিজেকে প্রমাণের তাগিদটা যে তার তীব্র!
টুর্নামেন্টের শেষ ৪ থেকে বিদায় নিলেও অনেক প্রাপ্তি খুঁজে পাচ্ছেন গ্রুপ পর্বে ২ ফিফটি করা মুমিনুল। তিনি বলেন, আমরা যারা ওয়ানডে খেলি না, তাদের জন্য খুব ভালো ছিল টুর্নামেন্ট। অধিনায়ক হিসেবে অনেক কিছু শিখেছি। বয়সভিত্তিক ক্রিকেটেও আমরা শক্তিশালী দলগুলোর সঙ্গে জিততে পারি এমন বিশ্বাস এসেছে। আজ অল্প লক্ষ্য দিয়েও যদি দ্রুত ৩-৪ উইকেট নিতে পারতাম, ম্যাচটা অন্য রকম হতে পারত।