
জোবায়েদ ইবেন শাহাদত : ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠার পর নেপথ্যে থেকেই জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছে দেশের চিকিৎসা বিষয়ক উচ্চশিক্ষাদানকারী প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের (চমেক) এনাটমি বিভাগ। বিভাগটিতে রয়েছে এমবিবিএস, বিডিএস ছাড়াও এমফিল (এনাটমি) পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কোর্স। প্রতিবছর এমবিবিএস কোর্সে ২৪০-২৫০ জন, বিডিএস কোর্সে ৫০-৬০ জন শিক্ষার্থী শিক্ষালাভ করতে পারেন।
সরাসরি মরদেহ গ্রহণ ও সংরক্ষণেরও সুবিধা রয়েছে এই বিভাগে। সংরক্ষণ করা মরদেহ শিক্ষার্থীদের শিক্ষা-কার্যক্রম ও গবেষণা কাজে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। সরাসরি সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত দেশের অন্যতম প্রধান চিকিৎসাবিজ্ঞান বিষয়ক এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে অনেকেই স্বেচ্ছায় মরণোত্তর দেহদান করেছেন। অনেক ক্ষেত্রে এই দানে ধর্মীয় অনুশাসন অনেকসময় বাধা হিসেবে কাজ করে।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে (চমেক) স্বেচ্ছায় মরণোত্তর দেহ দান করে গেছেন অনেকে বিশিষ্ট ব্যক্তি। দেহদান করেছেন নাট্যকার-গায়ক শান্তনু বিশ্বাসও। মৃত্যুর আগে চমেক শিক্ষার্থীদের জন্য দেহদানের এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন শান্তনু বিশ্বাস। এ নিয়ে শান্তনু বিশ্বাসও তার পরিবারের সাথে চমেক কর্তৃপক্ষের চুক্তি হয়েছিল। সেই অনুযায়ী ২০১৯ সালের ১৪ জুলাই শান্তনু বিশ্বাসের পরিবারের পক্ষ থেকে তার মরদেহ চমেক কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
তার মরদেহটি এখনও সংরক্ষণ করে রেখেছে মেডিকেল কলেজের এনাটমি বিভাগ। তার জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকীতে কলেজ কর্তৃপক্ষ শান্তনু বিশ্বাসের কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে। এছাড়া বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন ও ভক্তরা চমেকের এনাটমি বিভাগে আসেন। প্রিয় মানুষ শান্তনু বিশ্বাসের স্মরণে চোখের পানি ফেলেন। ফুলেল শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন। ভক্তদের এই আবেগের মূল্য দেন এনাটমি বিভাগের কর্মরত সকলেই। তাই যেই তার কফিনের সামনে আসতে চান অনুমতি সাপেক্ষে তাদের সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়।
শান্তনু বিশ্বাস ছাড়াও সাম্প্রতিক সময়ে আরও তিনজন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে মরণোত্তর দেহদান করেছেন। তারা হলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ৩০ তম ব্যাচের প্রাক্তন ছাত্র ডা. তরুন তপন বড়ুয়া। এনাটমি বিভাগের প্রতি ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ হিসেবেই নিজের দেহদান করার ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন জীবদ্দশায়। সে অনুযায়ী ২০২১ সালের ২৪ জুন এনাটমি বিভাগে তার দেহ হস্তান্তর করা হয়। এছাড়া ২০১৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর শাক্যপদ বড়ুয়া ও ২০২১ সালের ২৪ মার্চ বাবুল বড়ুয়ার মরদেহ চমেক কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়। শান্তনু বিশ্বাসের দেখাদেখিতে তার ভক্ত ব্রিটিশ অ্যাম্বেসিতে কর্মরত এক নারীও সম্প্রতি চমেক হাসপাতালের এনাটমি বিভাগে মরণোত্তর দেহদানের ঘোষণা দিয়েছেন।
এনাটমি বিভাগের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ পর্যন্ত বিভাগে ১১১টি মরদেহ এসেছে যার বেশিরভাগই বেওয়ারিশ। শুধুমাত্র ৫ জন স্বেচ্ছায় দেহদান করেছেন। এর মধ্যে ২৬টি মরদেহ বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের মরদেহ গবেষণার স্বার্থে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের গবেষণার কাজে লাগানো হয়েছে ৪৯টি মরদেহ। শনাক্ত হওয়ায় স্বজনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে ৪টি মরদেহ। অব্যবহৃত অবস্থায় এনাটমি বিভাগে ৩২টি মরদেহ সংরক্ষিত আছে এখনো। মরদেহ সরাসারি সংরক্ষণ যেমন করা হয়, আবার কঙ্কাল বানিয়েও রাখা হয়। তবে দেহ সংরক্ষণই করা হয় বেশি।
মেডিক্যাল কলেজ সূত্রে জানা গেছে, স্বেচ্ছায় মরণোত্তর দেহদানের ক্ষেত্রে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করে থাকে। যদি কেউ মরণোত্তর দেহ দান করতে ইচ্ছুক হন, তাকে নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে মৃত্যুর পূর্বে সাক্ষীর (ওয়ারিশ) নামসহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ বরাবর সম্মতি প্রদানপূর্বক লিখিতভাবে জানাতে হয়। দেহদান করতে আগ্রহী ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করলে নোটারী পাবলিকের হলফনামায় উল্লেখিত সাক্ষীরা কলেজের অধ্যক্ষ বরাবর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও মৃত্যুর প্রমাণপত্রসহ মৃতদেহ দান করার জন্য আবেদন করবেন।

মৃতদেহ অক্ষত এবং কোনও পুলিশ কেস না থাকলে চমেক অধ্যক্ষ এনাটমি বিভাগে মৃতদেহ গ্রহণ ও সংরক্ষণ করার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেন। এরপর সাক্ষীর উপস্থিতিতে এনাটমি বিভাগ মৃতদেহটি গ্রহণ করে কেমিক্যালের মাধ্যমে যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করে প্রক্রিয়াজাত করে এনাটমি বিভাগে সংরক্ষণ করে। যেহেতু মৃতদেহটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে দান করা হয় তাই নিয়ম অনুযায়ী শুধু এই কলেজের এনাটমি বিভাগের শিক্ষার্থীরা গবেষণা ও শিক্ষাসংক্রান্ত প্রয়োজনে দেহটি ব্যবহার করতে পারেন।
এনাটমি বিভাগের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ এনাটমিতে এখন পর্যন্ত যে সকল মরদেহ এসেছে এর বেশিরভাগই বেওয়ারিশ। তবে এসব বেওয়ারিশ মরদেহ সংরক্ষণ ও ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সতর্কতা অবলম্বনের পাশাপাশি বেশকিছু নিয়ম অনুসরণ করে বিভাগটি। কোনো মরদেহ বিভাগে আসলে পঁচনরোধ করতে সেটি প্রথমে মেডিসিন ও কেমিক্যাল ব্যবহার করে সংরক্ষণ করা হয়। একইসাথে অজ্ঞাত মরদেহটির বিবরণ দিয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর এক বছর পর্যন্ত এসব মরদেহ সংরক্ষণ করে রাখা হয়। এর কারণ যে কোনো সময় বিজ্ঞপ্তি দেখে মৃতের স্বজনেরা মরদেহ নিতে আসতে পারেন। বিভাগের অফিস সহকারীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বিভিন্ন সময় বিজ্ঞপ্তি দেখে অনেকেই মরদেহ নিতে এসেছেন। কেবল উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণ দিয়ে মরদেহ চিহ্নিত করতে পারলেই বিভাগ থেকে নির্দেশনা অনুসরণ করে স্বজনের কাছে সেই মরদেহ বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের এনাটমি বিভাগে তিনটি ট্যাংক রয়েছে, যেখানে এসব মরদেহ সংরক্ষণ করা হয়। ৩ টি ট্যাংকে সর্বমোট ৩০টি মরদেহ সংরক্ষণ করার সুযোগ রয়েছে। এই বিভাগে ২টি ডিসেকশান হল, ১টি হিস্টোলজি ল্যাব, ১টি টিউটোরিয়াল রুম এবং ১টি লেকচার রুম রয়েছে।
করোনার প্রাদুর্ভাবের আগে প্রতিদিন সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের এনাটমি বিভাগ মুখরিত থাকলেও এখনকার চিত্র অনেকটাই ভিন্ন। বিভাগের লেকচার গ্যালারিতে লেকচার ক্লাসের মাধ্যমে একসময় নিত্যকার একাডেমিক লাইফ শুরু হলেও এখন সেখানে বিরাজ করছে সুনসান নীরবতা। শিক্ষার্থীদের পদচারণা না থাকায় বিভাগের হিস্টোলজি ল্যাব, টিউটোরিয়াল রুম ও ডিসেকশান হলও অলস পড়ে আছে।
এসময় বিভাগের প্রতিটি সেশনের কমপক্ষে একটি এবং শুধু ব্যবহারিক পরীক্ষাতেই আট থেকে দশটি মরদেহ প্রয়োজন হতো। কিন্তু গত দেড় বছর যাবত কোনো দেহই ব্যবহার করা হয়নি। ফলে দীর্ঘদিন ধরে সংরক্ষিত এসব মরদেহের যত্নে বিশেষ খেয়াল রাখতে হচ্ছে বিভাগের কর্মচারীদের। প্রায়শই কেমিক্যাল পরিবর্তন করে এসব মরদেহ সংরক্ষণের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন তারা।
বিভাগটির টেক্সিডার্মিস্ট আবুল বাসার বলেন, ‘করোনা মহামারির কারণে শিক্ষার্থীদের পদচারণা না থাকলেও আমরা প্রতিদিনই বিভাগে আসছি। এই বিভাগের বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি মরণোত্তর দেহ দান করে গেছেন। এই বিশেষ কারণে বিভাগের আলাদা একটি মর্যাদাও রয়েছে। তাদের এবং অন্য সকল দেহ রক্ষণাবেক্ষণ, পরিচর্যা ও সামগ্রিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব আমরা পালন করছি। মরদেহের প্রতি যথাযথ সম্মান রেখেই এসব কার্মকাণ্ড পরিচালনা করে যাচ্ছি।’
বর্তমানে বিভাগটিতে বিভাগীয় প্রধান, ১১ জন লেকচারার ও একজন কিউরেটর ছাড়া আরও ৫ জন কর্মচারী ভিন্ন ভিন্ন দায়িত্ব পালন করছেন। যাদের মধ্যে একজন করে অফিস সহকারী, টেক্সিডার্মিস্ট, আর্টিস্ট, হিস্টোলজি ল্যাব সহায়ক ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী রয়েছেন। এরপরও এই বিভাগে আছে কিছু সীমাবদ্ধতা।
জানা যায়, মানবদেহের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মডেল, অডিও ভিজ্যুয়াল টিচিং সিস্টেম, থ্রি-ডাইমেনশনার টেকনোলজি, বিভাগের জন্য আলাদা লাইব্রেরি, আধুনিক ফ্রিজার এবং কয়েকটি অতিরিক্ত ক্লাসরুমের প্রয়োজন রয়েছে। যেহেতু এনাটমি মেডিকেলের বেসিক বিষয়ের মধ্যে অন্যতম, এমনকি পাঁচ বছরের এমবিবিএস কোর্সের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের এনাটমি পড়তে হয়। তাই এসব বিষয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষের জোড় দেওয়া দরকার বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
শিক্ষার্থীদের গবেষণা ও শিক্ষার স্বার্থে বিভাগের এসব সীমাবদ্ধতা দূর করতে পারলে শিক্ষার্থীরা আরো সহজে জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন বলে জানান বিভাগের কিউরেটর ড. দিলীপ কুমার দেবনাথ। একুশে পত্রিকাকে তিনি বলেন, আমরা বর্তমান রিসোর্স ও লজিস্টিকস দিয়ে বিভাগের শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা করার চেষ্টা করছি। তবে বর্তমানে যাদের কাছে যত বেশি আধুনিক প্রযুক্তি রয়েছে তারা তত বেশি অগ্রসরমান। যদিও কলেজ কর্তৃপক্ষ চেষ্টা করছে এসব বিষয়ে কাজ করার, আশা করছি ভবিষ্যতে আমাদের বিভাগটি আরও সমৃদ্ধ হবে।
কলেজের এনাটমি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. আশরাফুজ্জামান একুশে পত্রিকাকে বলেন, এনাটমি মেডিকেলের বেসিক বিষয়ের মধ্যে অন্যতম। এ বিভাগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা মানবদেহের সার্বিক গঠন সম্মন্ধে ধারণা পায়। যদিও এই বিষয়টির মাধ্যমে আলাদা করে রোগীর সেবা করার কোনো সুযোগ থাকে না, যে কারণে এই বিভাগ আড়ালে থেকে যায়। তবে এটা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই যে, একজন শিক্ষার্থী চিকিৎসক হিসাবে পরিপূর্ণতা লাভ করতে এই বিভাগের অবদান অসামান্য।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আধুনিকায়ন একটি চলমান প্রক্রিয়া। বিভাগের আধুনিকায়নে কলেজ কর্তৃপক্ষ চেষ্টা করে যাচ্ছে। তবে করোনার কারণে আমাদের প্রচেষ্টা কিছুটা বিঘ্নিত হয়েছে। যেহেতু সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে এই বিভাগে প্রতিবছর শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ছে, তাই সেই অনুযায়ী শিক্ষকের সংখ্যা বাড়ানো গেলে অতিরিক্ত কিছু ক্লাস নেওয়ার সুযোগ হবে। এতে বিভাগের বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থী সকলের জন্যই সুবিধা হবে।
বিভাগকে নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, কলেজ কর্তৃপক্ষেরও ইচ্ছে আছে অদূর ভবিষ্যতে এই বিভাগে এমএস (এনাটমি) কোর্স চালু করার। এছাড়া শিক্ষার্থীদের গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মডেল, অডিও ভিজ্যুয়াল টিচিং সিস্টেম, থ্রি-ডাইমেনশনার টেকনোলজি, বিভাগের জন্য আলাদা লাইব্রেরি সংযোজন করার পরিকল্পনাও আমাদের আছে। এগুলো করতে পারলে শিক্ষার মানদণ্ডে এই বিভাগ আরও একধাপ এগিয়ে যাবে বলে মনে করেন তিনি।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. সাহেনা আকতার একুশে পত্রিকাকে বলেন, ‘যাত্রা শুরু করার পর থেকে এনাটমি বিভাগ আমাদের কলেজের জন্য অসামান্য অবদান পালন করে যাচ্ছে। যারা চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় পাচ্ছেন, সেবা দিচ্ছেন তাদের সকলেই এই বিভাগের মধ্য দিয়ে নিজে একটি মজবুত ভিত তৈরি করেন। এর সম্পূর্ণ কৃতিত্ব বিভাগের শিক্ষক-কর্মচারীর, যারা নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে এই কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন।’
তিনি বলেন, ’এই বিভাগের আলাদা একটি তাৎপর্য রয়েছে। কারণ অনেকে মরণোত্তর দেহদান করে থাকেন। অন্য কোনো বিভাগের এই সুবিধা নেই। এটা শিক্ষার্থীদের জন্য যেমন সৌভাগ্যের, আমাদের জন্যও গর্বের। এই বিভাগ নিয়ে আমরা সত্যিই গর্বিত। আমাদের পরিকল্পনা আছে এই বিভাগকে আরও আধুনিক করার। বিভাগের শিক্ষার মান উন্নয়নে যা যা করা প্রয়োজন আমরা অবশ্যই তা করবো।