
ঢাকা : বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে হাইকোর্টে জামিন চাইতে কমপক্ষে আরও ৯ দিন অপেক্ষা করতে হবে। কারণ আগামী ১ জানুয়ারি পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের কার্যক্রম বন্ধ। ২ জানুয়ারি থেকে পুনরায় চালু হবে কার্যক্রম। এদিকে গত ৯ ডিসেম্বর থেকে কারাগারে আছেন বিএনপির এই ২ নেতা।
এ মামলায় সংশ্লিষ্ট নিম্ন আদালতে ৪ বার জামিন না পাওয়া মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাসের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত ও হাইকোর্টে জামিন আবেদনেরও সুযোগ আছে। গত ২১ ডিসেম্বর তাদের জামিন আবেদন খারিজ করা হয়। পরবর্তী শুনানির জন্য ২৫ জানুয়ারি দিন নির্ধারণ করা হয়।
এ বিষয়ে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সুপ্রিম কোর্ট শাখার সাধারণ সম্পাদক গাজী কামরুল ইসলাম সজল জানান, এ মামলায় মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাসের জামিন আবেদন খারিজের বিচারিক আদালতের আদেশের সার্টিফাইড কপি আমরা এখনো হাতে পাইনি।
তিনি বলেন, সার্টিফায়েড কপি পাওয়ার পর আমরা সিদ্ধান্ত নেব যে, গ্রেফতার বিএনপি নেতাদের জামিন চেয়ে আবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে বা হাইকোর্টে আবেদন করব কি না। চলমান ছুটির পর হাইকোর্ট ও ঢাকার বিচারকদের আদালত পুনরায় চালু হলে আমরা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।
বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে সংঘর্ষের একদিন পর গত ৮ ডিসেম্বর পল্টন মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। ওই সংঘর্ষে ১ জন নিহত ও অনেকে আহত হন। পরে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের প্রায় সাড়ে চারশ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয় এবং পরদিন তাদের ঢাকার একটি আদালতে হাজির করা হয়।
গত ৯ ডিসেম্বর ভোর ৩টার দিকে ফখরুল ও আব্বাসকে বাড়ি থেকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসিম তাদের জামিন আবেদন নাকচ করলে কারাগারে পাঠানো হয়। পুলিশের ওপর হামলা চালাতে দলীয় কর্মীদের প্ররোচিত করার অভিযোগে এই ২ জনকে গ্রেফতার দেখানো হয়।