সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২

হোল্ডিং ট্যাক্স না বাড়াতে মেয়র নাছিরকে চিঠি সাবেক মেয়র মহিউদ্দিনের

| প্রকাশিতঃ ৩ অক্টোবর ২০১৭ | ১১:২৭ অপরাহ্ন

চট্টগ্রাম: হোল্ডিং ট্যাক্স না বাড়াতে অনুরোধ জানিয়ে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনকে চিঠি দিয়েছেন নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী। মঙ্গলবার রাতে ইমেইলে ওই চিঠির কপি গণমাধ্যমে পাঠানো হয়।

বর্তমানে মেয়র নাছির নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন।

এর আগে সোমবার রাতে নগরীর চশমা হিলে নগর কমিটির সভাপতি ও সাবেক মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর বাসায় নগর আওয়ামী লীগের এক সভায় চিঠি দেওয়ার এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে ওই সভায় আ জ ম নাছির উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন না।

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের প্যাডে লেখা চিঠিতে এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী লিখেছেন, আপনার সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি যে, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন কর্তৃক হালনাগাদ করণে গতবারের অ্যাসেসমেন্টের চেয়ে ক্ষেত্র বিশেষে শতগুণ বা ততধিক হারে গৃহকর বৃদ্ধি করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে সাধারণ নগরবাসীর মধ্যে ক্ষুব্ধ ও বিরুপ প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হচ্ছে। আমরা জানি চট্টগ্রাম একটি মহানগরী হলেও নগরীর সব এলাকা সমউন্নত নয়। ঢাকার তুলনায় চট্টগ্রাম নগরীর গৃহ মালিকদের গৃহ আয় অনেক কম। তারা সরকারের রাজস্ব বিভাগকে নির্ধারিত আয়কর দিচ্ছেন। তারপরও গৃহ ভাড়া বাবদ আয়ের কর আদায় কোনো ভাবেই যুক্তিযুক্ত হবে না।

চিঠিতে আরও লেখা হয়, নগরীর গৃহ মালিকদের সার্বিক আর্থিক বিবেচনায় গৃহকর পূর্ব ধার্যকৃত মূল্যে আদায় ও বিগত অ্যাসেসমেন্ট থেকে বর্তমান অ্যাসেসমেন্টের যে সকল গৃহ আয়তন দৈর্ঘ্য ও প্রস্থে বৃদ্ধি পেয়েছে শুধু তাদের ক্ষেত্রে যুক্তিযুক্ত পৌরকর বৃদ্ধির জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি। মনে রাখতে হবে নাগরিকদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করণে সরকার ও জনপ্রতিনিধিদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। তাই জনগণের ওপর এমন কোনো যুক্তিহীন করারোপ বাঞ্ছনীয় নয়।

প্রসঙ্গত নতুন কর মূল্যায়নের আগে স্থাপনার আয়তনের (বর্গফুট) ভিত্তিতে হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধ করতে হতো। চসিক নতুন করে যে ১৭ শতাংশ কর নির্ধারণ করেছে তার মধ্যে ৭ শতাংশ হোল্ডিং বাবদ, ৩ শতাংশ বিদ্যুতায়ন বাবদ এবং আর্বজনা অপসারণের জন্য ৭ শতাংশ। নতুন নিয়ম অনুসারে যে কোনো বহুতল স্থাপনার সবগুলো ফ্ল্যাটের মোট বার্ষিক ভাড়া থেকে দুই মাসের ভাড়া বাদ যাবে রক্ষণাবেক্ষণ খরচ হিসেবে। ভবন মালিক যদি ঘর ভাড়া না দিয়ে শুধুমাত্র নিজেই বসবাস করেন সেক্ষেত্রে এথেকে আরও ৪০ শতাংশ ছাড় দেয়া হবে। এরপর বার্ষিক ভাড়ার যে মোট অঙ্ক বাকি থাকবে তার উপর ১৭ শতাংশ কর দিতে হবে।