সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২

এই ভাষণ বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের অনুপ্রেরণার উৎস : রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলাম

| প্রকাশিতঃ ১৮ মার্চ ২০১৮ | ১১:৪২ পূর্বাহ্ন

দক্ষিণ কোরিয়া : ইউনেসকো কর্তৃক বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্ট্রারে অন্তর্ভুক্তি উপলক্ষে উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে বাংলাদেশ দূতাবাসে ঐতিহাসিক এই দিবসটি উদ্‌যাপন করেছে।

এ উপলক্ষে বাংলাদেশ দূতাবাসে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলাম।
অনুষ্ঠানের শুরুতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর বাণীপাঠ, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণের প্রামাণ্যচিত্র দেখানো হয়, এরপর পবিত্রগ্রন্থসমূহ থেকে পাঠ করে শোনানো হয়।

অনুষ্ঠানে ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের তাৎপর্য পর্যালোচনা করে কাউন্সেলর মাসুদ রানা চৌধুরী, হেড অব চ্যান্সারি ও প্রথম সচিব রুহুল আমিন, জাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া (প্রথম সচিব,শ্রম) এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করে এই দিবসটি সম্পর্কে তাদের নিজ নিজ অনুভূতি ব্যক্ত করেন।

সমাপনী বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলাম ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বাঙালি জাতির জন্য এক গৌরবোজ্জ্বল অর্জন বলে অভিহিত করেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণে উল্লেখিত দিক নির্দেশনার আলোকে প্রধানমন্ত্রীর গতিশীল নেতৃত্বে উন্নত দেশে পরিণত করার মাধ্যমে সোনার বাংলা গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

তিনি ঐতিহাসিক ভাষণের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, এই কালজয়ী ভাষণে সাড়া দিয়ে বাংলার লাখো জনতা স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং মুক্তিযুদ্ধের বিজয় ছিনিয়ে আনেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের বিজয় ছিনিয়ে আনতে এই ভাষণ প্রেরণা জোগায়।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্তির ফলে এই ভাষণ এখন সারাবিশ্বের সকল মুক্তিকামী মানুষের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। এই ভাষণ এখন সারা বিশ্বের সকল মুক্তিকামী মানুষের প্রেরণা।