চট্টগ্রাম: নগরীতে মহেশখালের ওপর চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের দেওয়া অস্থায়ী বাঁধটিকে ‘১০ লাখ মানুষের বিষফোঁড়া’ আখ্যা দিয়ে অনতিবিলম্বে তুলে নেওয়ার দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী।
রোববার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে ‘৩৭ ও ৩৮ নম্বর ওয়ার্ড সচেতন নাগরিক সমাজ’ ব্যানারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।
লিখিত বক্তব্যে নাগরিক সমাজের সদস্যসচিব মোঃ হাবিব শরীফ বলেন, স্লুইসগেট নির্মাণের কথা বলে ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে ছয় মাসের জন্যে বন্দর কর্তৃপক্ষ অস্থায়ী বাঁধ দিয়েছিল। এই বাঁধ এখন ৩৭ নম্বর হালিশহর মুনির নগর ও ৩৮ নম্বর দক্ষিণ মধ্য হালিশহর ওয়ার্ডের ১০ লাখ মানুষের বিষফোঁড়া। অপরিকল্পিত ওই বাঁধের কারণে জোয়ারের সময় মানুষ জলাবদ্ধতার শিকার হচ্ছেন।
তিনি বলেন, গত ঈদুল ফিতরের দিন আবহাওয়া শুষ্ক ও সুন্দর থাকার পরও বৃহত্তর হালিশহর ও আগ্রাবাদ এলাকার লাখো মুসল্লি ঈদগাহে জামাতের সওয়াব থেকে বঞ্চিত হন শুধু মহেশখালের বাঁধের কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায়। বদ্ধ পানির দুর্গন্ধ, কচুরিপানা আর নোংরা আবর্জনায় এলাকার বাতাস ভারী হয়ে থাকছে। জোয়ার-ভাটার একটি খালের মাঝখানে কৃত্রিম বাঁধ দিয়ে নরক যন্ত্রণা সৃষ্টির দায়ভার বন্দর কর্তৃপক্ষ ও পরিকল্পনাকারীদের নিতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বন্দর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর নুরুল আলম, সহসভাপতি শাহনওয়াজ চৌধুরী, এসএম আবু তাহের, সাধারণ সম্পাদক জহুর আহমদ কোম্পানি, যুগ্ম সম্পাদক মো. ইলিয়াস, সমাজসেবক এজাহারুল হক, মো. শাহিন, শের আলী সওদাগর প্রমুখ।