সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২

চাকসু নির্বাচনের আগে কমিটি চান ছাত্রলীগ নেতারা

| প্রকাশিতঃ ২৪ মার্চ ২০১৯ | ১০:৪৩ অপরাহ্ন


ইফতেখার সৈকত : দীর্ঘদিন জট বেঁধে থাকার পর অবশেষে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তবে চাকসু নির্বাচনে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের প্যানেল নির্ধারণ নিয়ে সমস্যা তৈরীর আশংকা তৈরী হয়েছে। কারণ প্রায় দু’বছর ধরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই ছাত্রলীগের কমিটি।

এছাড়াও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বগিভিত্তিক ছাত্ররাজনীতি করতে গিয়ে ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনটি বিভক্ত হয়ে পড়েছে নানা গ্রুপ-উপগ্রুপে। প্রত্যেকটি গ্রুপে নেতৃত্ব দিচ্ছে আলাদা আলাদা নেতা। এতে প্রায়ই নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে।

এ অবস্থায় চাকসু নির্বাচনে কমিটিহীন ছাত্রলীগের প্যানেল নির্ধারণ করা কঠিন ব্যাপার হয়ে দাঁড়াবে বলে মত সংশ্লিষ্টদের। যদি ছাত্রলীগের কোন কমিটি গঠন না করে প্যানেল নির্ধারণ করার চিন্তা করা হয় সেক্ষেত্রে আরও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে বলে ধারণা করা যাচ্ছে।

ছাত্রলীগ নেতারা বলছেন, চাকসু নির্বাচনের আগে ছাত্রলীগের কমিটি জরুরী। তবে যদি কমিটি না আসে সেক্ষেত্রে সবার সিদ্ধান্ত মেনে নিতেও রাজী তারা।

এ বিষয়ে ছাত্রলীগের সাবেক কমিটির সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বি সুজন একুশে পত্রিকাকে বলেন, বিশৃঙ্খলা এড়াতে ছাত্রলীগের কমিটি অতীব জরুরি।

তিনি বলেন, ছাত্রলীগের কমিটির জন্য চাকসু না হোক তা আমরা চাই না। আমাদের দুই সিনিয়র নেতা শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ও নগর মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক আমরা কাজ করবো।

একই কথা বললেন ছাত্রলীগের সাবেক কমিটির সহ-সভাপতি জামান নূর; তিনি বলেন, চাকসু নির্বাচনের আগে ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা করা অত্যাবশ্যক। যদি ছাত্রলীগের কমিটি গঠিত না হয়, তাহলে প্যানেল নির্বাচনে সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, যদি ছাত্রলীগের কমিটি না হয় তবুও আমাদের নেতৃবৃন্দের সিদ্ধান্ত মোতাবেক আমরা নির্বাচিত প্রার্থীর পাশে থেকে কাজ করবো। কারণ আমরা সবাই চাই সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে অতীতের ন্যায় বর্তমানেও ছাত্রলীগ থাকুক।

চবি ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি মনছুর আলম বলেন, ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা না হলে চাকসু নির্বাচনে ব্যাপক সমস্যা দেখা দেবে। তাই চাকসু নির্বাচনের আগে ছাত্রলীগের কমিটি গঠিত হওয়া খুবই জরুরী।

এ বিষয়ে জানতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের মুঠোফোনে রোববার সকাল থেকে বেশ কয়েকবার কল করা হয়। তবে তাকে পাওয়া যায়নি।