
ঢাকা: র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন কমান্ডার খন্দকার আল মঈন। তিনি সদ্য বিদায়ী লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহর স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন।
আশিক বিল্লাহ তার নিজ বাহিনীতে (বাংলাদেশ সেনাবাহিনী) ফিরে যাচ্ছেন। আজ বৃহস্পতিবার র্যাবে তার শেষ কার্যদিবস।
কমান্ডার আল মঈন র্যাবের যোগাযোগ ও এমআইএস উইংয়ের পরিচালকের পাশাপাশি মুখপাত্রের দায়িত্ব পেয়েছেন। তিনি সদ্য বিদায়ী লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহর স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। আজ বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) র্যাবে তার শেষ কার্যদিবস।
খন্দকার আল মঈন ৪৫তম বিএমএ লং কোর্সের সঙ্গে বাংলাদেশ নৌ বাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। তিনি দীর্ঘদিন নৌ বাহিনীতে ছোট ও মাঝারি বিভিন্ন জাহাজের অধিনায়ক হিসেবে এবং নৌ গোয়েন্দা পরিদপ্তরে দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি দারফুর, সুদানে জাতিসংঘ মিশনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। দেশ ও বিদেশে নৌ বাহিনীর বিভিন্ন অত্যাধুনিক প্রযুক্তির উপর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন আল মঈন।
র্যাব সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সব তথ্য জানানো হয়।
কমান্ডার খন্দকার আল মঈন ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ (ডিএসসিএসসি) থেকে পিএসসি সম্পন্ন করেন। তিনি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি) থেকে এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়া তিনি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন।
কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর বিভিন্ন পরিসরের প্রশিক্ষক, কমান্ড ও ষ্টাফ অভিজ্ঞতা সম্পন্ন একজন চৌকস অফিসার। তিনি কর্মক্ষেত্রে অত্যন্ত সততা, পেশাদারিত্ব, পারদর্শিতা, উৎকর্ষতা ও বিচক্ষণতার সাথে দায়িত্ব পালন করে সুনাম অর্জন করে আসছেন।
কমান্ডার খন্দকার আল মঈন ২০১৯ সালের ২৬ ডিসেম্বর প্রেষণে র্যাব ফোর্সেসে যোগদান করেন। তিনি র্যাব সদর দফতরে যোগাযোগ ও এমআইএস উইংয়ের পরিচালক হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন।
সততা, দক্ষতা ও একনিষ্ঠভাবে দায়িত্ব পালন করে র্যাবের আভিযানিক কর্মকান্ড নিশ্চিত করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন।
এছাড়াও তার নির্দেশনা, প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান এবং দীর্ঘ প্রচেষ্টায় অনসাইট আইডেনটিফিকেশন অ্যান্ড ভেরিফিকেশন সিস্টেম (ওআইভিএস) প্রচলন করা হয়। যার মাধ্যমে অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে অপরাধীকে শনাক্ত করা সম্ভব।
২০০৭ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত র্যাবের সদর দফতরে গোয়েন্দা শাখার উপ-পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।