চট্টগ্রাম: দলীয় কর্মসূচিতে অংশ না নেয়া নেতাদের তালিকা তৈরী করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন।
শনিবার চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক জহুর আহমদ চৌধুরীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সভায় মেয়র এ কথা বলেন। নগরীর আলমাস সিনেমা হলের পাশে গুলশান কমিউনিটি সেন্টারে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেন, সাংগঠনিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকার পরও অনেকেই কর্মসূচিতে আসছেন না। এসব নেতাদের বিগত সময়েও অনেকবার বলার পরও দলীয় কর্মকান্ডে তাদের অংশগ্রহণ নেই। যেসব নেতা নিস্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন, মহানগর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তাদের তালিকা করা হচ্ছে। এই তালিকা আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিয়ে যাব। তিনি যে সিদ্ধান্ত দেন সেই সিদ্ধান্ত মেনে আমরা কাজ করবো।
আ জ ম নাছির বলেন, আগামী নির্বাচনে দলের হয়ে যে কেউ মনোনয়ন চাইতে পারেন। যিনি মনোনয়ন পাবেন তার পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে দলের সবাইকে কাজ করতে হবে। আওয়ামী লীগ যাকে মনোনয়ন দেবে তার পক্ষে কাজ করতে হবে। যারা কাজ করবেন না তারা এখনই আওয়ামী লীগ থেকে সরে যেতে পারেন।
মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নঈমউদ্দিন চৌধুরী বলেন, নূরুল ইসলাম বিএসসি সাহেব মন্ত্রী হয়েছেন, তিনি নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি। তিনি দলের কর্মসূচিতে আসেন না। আফছারুল আমিন সাহেব সাবেক মন্ত্রী, এখন এমপি। নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অথচ তিনিও আসেন না। এম এ লতিফ দুইবার এমপি হয়েছেন, তিনি মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য, তিনি আসেন না। দিদারুল আলম আওয়ামী লীগের সমর্থন নিয়ে এমপি হয়েছেন। তাকে দলের কোন কর্মসূচিতে কখনও দেখিনি। সিডিএর চেয়ারম্যান ছালাম সাহেব আসেন না কেন?
এর আগে সকালে দামপাড়ায় জহুর আহমদ চৌধুরীর কবরে পুষ্পস্তবক দেয়া হয়। অসুস্থ থাকায় নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী সভায় আসেননি। সভায় নঈমউদ্দিন চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন। নগর আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক ইফতেখার সাইমুল চৌধুরীর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ ও এম এ রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিক আদনান, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক চন্দন ধর প্রমুখ।