সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২

১০১ ইয়াবা কারবারির মামলার রায় ২৩ নভেম্বর

| প্রকাশিতঃ ১৫ নভেম্বর ২০২২ | ৬:৩২ অপরাহ্ন


কক্সবাজার প্রতিনিধি : টেকনাফের আত্মসমর্পণ করা ১০২ জন ইয়াবা কারবারির বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার রায় আগামী ২৩ নভেম্বর ঘোষণা করা হবে।

মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. ইসমাঈল রায়ের দিন ধার্য্য করেন।

এসময় কাঠগড়ায় উপস্থিত ১৮ জন আসামিকে আদালত কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিলেও মো. হাশেম প্রকাশ অংকু নামের এক আসামি কৌশলে পালিয়ে গেছেন। এছাড়া মামলাটির বিচারিক কাজ চলাকালীন সময়ে আগের ধার্য্য় তারিখে উখিয়া-টেকনাফের সাবেক এমপি আবদুর রহমান বদির ভাই-স্বজনসহ চিহ্নিত ইয়াবা কারবারিরা উপস্থিত থাকলেও মঙ্গলবার তাদের কেউ উপস্থিত ছিলেন না।

যাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে তারা হলেন, নুরুল হুদা মেম্বার, শাহ আলম, আবদুর রহমান, ফরিদ আলম, মাহবুব আলম, রশিদ আহমদ, মো. তৈয়ব, জাফর আলম, আবু তৈয়ব, আলী নেওয়াজ, মো. আইয়ূব, কামাল হোসেন, নুরুল বশর, আবদুল করিম, দিল মোহাম্মদ, ও মো. শাকের মিয়া, মো. কাশেম প্রকাশ আকবর আলী।

এই বিষয়ে কক্সবাজার সদর আদালতের জিআরও এসআই আবদুল মোতালেব বলেন, জেলা জজ আদালত থেকে আমাদের কাছে কারাগারে পাঠানোর জন্য ১৭ জন আত্মসমর্পনকারীকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফরিদুল আলম বলেন, মামলার বিচারিক কাজের সর্বশেষ দিন ১৫ নভেম্বর কাঠগড়ায় ১৮ জন আত্মসমর্পনকারী ইয়াবা কারবারি উপস্থিত ছিলেন। এরমধ্যে ১ জন কৌশলে পালিয়ে গেছেন।

তিনি আরও বলেন, ১০২ ইয়াবা কারবারির বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্র আইনে পৃথক দুটি মামলা রয়েছে। আগামী ২৩ নভেম্বর ওই দুই মামলার রায় ঘোষণা করা হবে। এই দুটি মামলায় ২১ জন স্বাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। তবে এদের মধ্যে করাগারে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

ফরিদুল আলম আরও বলেন, সাজা নিশ্চিত জেনে অনেক চিহ্নিত ইয়াবা কারবারি আজ আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি টেকনাফ পাইলট হাইস্কুল মাঠে ১০২ জন ইয়াবা কারবারি আত্মসমর্পণ করেন। মামলা চলাকালে সোহেল নামে এক আসামি কারাগারে মারা গেছেন। আত্মসমর্পণের পর তাদের কাছ থেকে ৩ লক্ষ ৫০ হাজার ইয়াবা এবং ৩০টি দেশীয় তৈরি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে উল্লেখ করে টেকনাফ থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে পুলিশ।