বুধবার, ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২

ইলিশ ও হালদা রক্ষায় ৬৬৯ জেলে পরিবার পেল ছাগল-বাছুর

দক্ষিণ চট্টগ্রাম প্রতিনিধি | প্রকাশিতঃ ২৯ জুন ২০২৫ | ১২:৩২ পূর্বাহ্ন


ইলিশ সম্পদ ও হালদা নদীর মৎস্য প্রজননক্ষেত্র রক্ষায় দুটি সরকারি প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রামের জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য ছাগল ও বকনা বাছুর দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি জেলার ১২টি উপজেলার ৬৬৯টি জেলে পরিবারকে এই সহায়তা দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে জেলা মৎস্য অধিদপ্তর।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শ্রীবাস চন্দ্র চন্দ জানান, ‘ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা’ এবং ‘হালদা নদীর প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক দুটি প্রকল্পের অধীনে এই কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় জেলার ৭টি উপজেলার ২৮১টি জেলে পরিবারকে দুটি করে মোট ৫৬২টি ছাগল, ছাগলের জন্য তৈরি ঘর, পর্যাপ্ত খাবার ও প্রয়োজনীয় ঔষধ বিতরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ফটিকছড়ি উপজেলায় ৫৫টি, রাউজানে ৭৬টি, হাটহাজারীতে ৭১টি, পটিয়ায় ৪০টি, আনোয়ারায় ২০টি, রাঙ্গুনিয়ায় ২৪টি এবং চন্দনাইশে ১৫টি পরিবার এই সহায়তা পেয়েছে।

এর পাশাপাশি, ৫টি উপজেলার ২৮৮টি জেলে পরিবারকে একটি করে মোট ২৮৮টি বকনা বাছুর দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বাঁশখালী উপজেলায় ৯৬টি, আনোয়ারায় ৮০টি, সন্দ্বীপে ৪৮টি, সীতাকুণ্ডে ৪৮টি এবং মীরসরাই উপজেলায় ১৬টি পরিবার এই সহায়তা লাভ করে।

এছাড়া, মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে জেলার ১৫টি উপজেলায় রাজস্ব খাত থেকে বিনামূল্যে মোট ৪৮ হাজার ২১ কেজি মৎস্যখাদ্য বিতরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে আনোয়ারা উপজেলায় ৩,৬২৫ কেজি, পটিয়ায় ৩,৪৫০ কেজি, বাঁশখালীতে ২,৬৫০ কেজি, মীরসরাইয়ে ৩,১২০ কেজি, সীতাকুণ্ডে ২,৮৭৫ কেজি, কর্ণফুলিতে ৩,৬২৫ কেজি, রাঙ্গুনিয়ায় ৩,৬৮০ কেজি, লোহাগাড়ায় ২,৫০০ কেজি, সাতকানিয়ায় ২,৯৪১ কেজি, চন্দনাইশে ৩,২৫৫ কেজি, ফটিকছড়িতে ৩,২০০ কেজি, বোয়ালখালীতে ৩,২৫০ কেজি, সন্দ্বীপে ২,৭০০ কেজি, রাউজানে ৩,৬৫০ কেজি এবং হাটহাজারী উপজেলায় ৩,৫০০ কেজি মৎস্যখাদ্য বিতরণ করা হয়।