
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তে মিয়ানমারের ভেতরে আবারও থেমে থেমে গোলাগুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে, যার ফলে সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ।
সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি জানিয়েছে, তারা সীমান্তে টহল জোরদার করে সতর্ক অবস্থানে থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।
স্থানীয়রা জানান, ঘুমধুম ইউনিয়নের বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের শূন্যরেখা লাগোয়া গ্রামগুলোতে রোববার রাত সাড়ে ১১টার পর থেকে গোলাগুলির শব্দ আসছে। দীর্ঘদিন শান্ত থাকার পর এমন ঘটনায় তারা উদ্বিগ্ন।
স্থানীয় বাসিন্দা আবসার বলেন, “অনেক দিন পর আবার গুলির শব্দ শুনছি। অনেকক্ষণ ধরে টানা গুলির শব্দ পেয়েছি। ওপারে কী হচ্ছে জানি না, তবে বড় কোনো গণ্ডগোল চলছে বলে মনে হচ্ছে।”
এ বিষয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের (৩৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম জানান, সীমান্তের ৩৪ থেকে ৩৫ নম্বর পিলারের মাঝামাঝি এলাকায়, শূন্যরেখা থেকে প্রায় ৩০০ মিটার দূরে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটছে।
তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, “মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী আরকান আর্মির সঙ্গে অন্য কোনো গোষ্ঠীর সংঘর্ষের কারণে এ গোলাগুলি হতে পারে। তবে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে কোনো গুলি এসে পড়েনি, এটি মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ ঘটনা।”
এই কর্মকর্তা আরও বলেন, “বিজিবি সীমান্তে কঠোর সতর্ক অবস্থানে থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।”