বুধবার, ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২

দ্বিতীয় দিনের মতো বিএনপির কার্যালয়ে বিক্ষোভ

| প্রকাশিতঃ ৯ ডিসেম্বর ২০১৮ | ১:১৪ অপরাহ্ন

ঢাকা : দ্বিতীয় দিনের মতো রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসন কার্যালয় ঘিরে বিক্ষোভ করছে দলটির মনোনয়ন না পাওয়া নেতাদের কর্মী সমর্থকরা। কার্যালয়ের সামনের ফটকের সামনে বসেছে মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে ধানের শীষের মনোনয়নপ্রত্যাশী মো. আবদুল্লাহর সমর্থকরা। কার্যালয়ে আরেকটি ফটকের সামনে বসেছে কুমিল্লা-৪ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী মনজুরুল আহসান মুন্সির সমর্থকরা। এ সময় মাথায় সাদা কাপড়ের ব্যান্ড লাগিয়ে বিক্ষোভ করার পাশাপাশি গেইটে লাথি ও ধাক্কা মারছে তারা।

এর আগে শনিবার বিকালে চাঁদপুর-১ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আনহ এহছানুল হক মিলন, নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য তৈমুর আলম খন্দকার, গোপালগঞ্জ-১ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী সেলিমুজ্জামানের কর্মী-সমর্থকরা খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে।

রোববার (৯ ডিসেম্বর) সকালে গুলশান-২ নম্বর সেকশনের ৮৬ নম্বর সড়কে খালেদা জিয়ার কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে আছেন কয়েকশ কর্মী-সমর্থক। ওই জটলা থেকে চিৎকার করে বলা হাচ্ছিল – আমরা আবদুল্লাহ ভাইকে চাই, অন্য কাউকে মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে মেনে নেব না।

এ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীক পেয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ছাত্রদলের কর্মীরা বলছেন, শাহ মোয়াজ্জেম নেতা। উনার বয়স হয়ে গেছে। এলাকায় যান না। তার সাথে কর্মীদের যোগাযোগ নেই। এই আসনে একজন সার্বক্ষণিক নেতাকে মনোনয়ন না দিলে আসন পাওয়া কঠিন হবে।

কুমিল্লা-৪ আসনে জেএসডির সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন জাতীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন।

বিক্ষোভকারী দলের কর্মীরা বলছেন, মুন্সিভাই আমাদের দলের নেতা, কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির নেতা। তিনি চারবারের সংসদ সদস্য। তাকে বাদ দিয়ে যাকে দেওয়া হয়েছে তিনি কখনোই এলাকায় যান না। আমরা তাকে চিনি না, তাকে আমরা মানি না। অবৈধ নমিনেশন মানি না।

এদিকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ নেতৃবৃন্দ শনিবার গভীর রাতে কার্যালয় থেকে গেছেন বলে জানায় ওই ভবনের একজন নিরাপত্তাকর্মী।

বেলা ১১টার দিকে কার্যালয়ের ভেতরে থেকে মাইকে বলা হয়- আজকে অফিস বন্ধ। এখানে জটলা করে কোনো লাভ নেই।

একুশে/এসসি