রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯, ১ পৌষ ১৪২৬

চাকসু নির্বাচন : কী বলছে শিক্ষার্থী ছাত্রসংগঠনগুলো

প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, মার্চ ২১, ২০১৯, ৫:৩২ অপরাহ্ণ

ইফতেখার সৈকত : দীর্ঘ ২৮ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (চাকসু) নির্বাচন।

গতকাল বুধবার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের চাকসু নির্বাচনের গৃহীত সিদ্ধান্তের পর আজ নীতিমালা পর্যালোচনা কমিটি গঠিত হয়েছে।

কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ে বিরাজ করছে নির্বাচনী আমেজ। চারদিকে চলছে চাকসু নির্বাচনের আলোচনা-সমালোচনা।

আলোচনার মূল বিষয়বস্তু কবে হবে চাকসু নির্বাচন এবং কতটুকু সুষ্ঠ হবে এই নির্বাচন। শিক্ষার্থীদের চাওয়া একটি সুষ্ঠ, সুন্দর ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে শিক্ষার্থী প্রতিনিধি নির্বাচন করা। যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সমস্যাগুলো সমাধান হবে।

এদিকে, কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের মধ্যে চলছে প্যানেল নির্ধারণের নানান সমস্যা। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা দলটির বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই কোন কমিটি। তাই চাকসু নির্বাচন নিয়ে একটু বেশিই ঘাম ঝরাতে হবে দলটিকে।

চাকসু নির্বাচন নিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বি সুজন একুশে পত্রিকাকে বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে প্রশাসন চাকসু নির্বাচনের যে নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে তাকে আমি সাধুবাদ জানাই। প্রশাসন দীর্ষ আটাশ বছর পর চাকসু নির্বাচনের অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছে। আমি চাই শুধু নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণই নয়, প্রশাসন সব ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে বসে আলোচনা করে খুব শিগরই চাকসু নির্বাচনের তাফসীল ঘোষণা করবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা সুষ্ঠ নির্বাচন চাই। কোনো প্রহসনের নির্বাচন আমরা চাই না। আমরা মনে করি চাকসু নির্বাচনের গঠনতন্ত্র পরিবর্তন করা দরকার। তাই প্রশাসনের উচিত ডাকসু কিংবা অন্যান্য ছাত্রসংসদ নির্বাচনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ি যুগোপযোগী গঠনতন্ত্র প্রণয়ন করা।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের কোনো কমিটি না থাকায় ছাত্রলীগের প্যানেল নির্ধারনের বিষয়ে তিনি বলেন, ছাত্রলীগের প্যানেল নির্ধারণের বিষয়টি ছাত্রলীগের একান্ত আভ্যান্তরীন ব্যাপার। ছাত্রলীগ কীভাবে প্যানেল নির্ধারণ করবে সেজন্য চাকসু নির্বাচন স্থগিত হোক তা আমরা চাই না।

তিনি বলেন, আমাদের দলের সিনিয়র দুইনেতা শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ও মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন রয়েছেন। আমরা তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্যানেল নির্ধারণ করবো। তারা যে প্রার্থী বাছাই করে দেবে আমি ব্যাক্তিগতভাবে তা মেনে নিবো।

চাকসু নির্বাচনে এই নেতার প্রার্থীতার ব্যাপারে তিনি বলেন, দল যদি আমাকে যোগ্য মনে করে কোনো পদের জন্য বাছাই করে আমি সেই পদের জন্য লড়বো।

ছাত্রলীগের অন্যনেতা সাবেক কমিটির সহ-সভাপতি মনছুর আলম বলেন, আমি প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন ও সাধুবাদ জানাই। তিনি বলেন, যেহেতু চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের বর্তমানে কোনো কমিটি নেই সেক্ষেত্রে আগে ছাত্রলীগের কমিটি জরুরী।

তিনি বলেন, আমাদের সাবেক কমিটির সভাপতি বিবাহিত অপরদিকে সাধারণ সম্পাদক ক্যাম্পাসে রয়েছেন। যেহেতু ছাত্রলীগের অনেকদিন পর্যন্ত কোনো কমিটি নেই, সেহেতু আগে ছাত্রলীগের কমিটি করে প্যানেল নির্ধারণ হোক আমি এমনটাই চাই।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি দীর্ঘদিন চবিতে রাজনীতিতে আছি। আমার নেতারা যদি আমাকে যোগ্য বলে মনে করে যে প্রার্থীর জন্য বাছাই করবে আমি সেই পদে লড়বো। তবে আমার ব্যাক্তিগত ইচ্ছা ভিপি পদপ্রার্থী হওয়া।

ছাত্র ইউনিয়ন চবি শাখার সভাপতি ধীষণ প্রদীপ চাকমা বলেন, প্রশাসনের এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছি। তবে ডাকসু নির্বাচনের ত্রুটিগুলো বিবেচনা করে প্রশাসন কাজ করবে এবং ছাত্রসংগঠনগুলোর সহাবস্থান নিশ্চিত করবে বলে আশা করি।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মো. খোরশেদ আলম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের চাকসু নির্বাচনে আগ্রহের বিষয়টি প্রশংসনীয়। আমরা অতীতে চাকসু নির্বাচন চেয়েছি এখনো তা চাই। তবে বর্তমানে ক্যাম্পাসে সবগুলো ছাত্রসংগঠন সহাবস্থানে নেই। ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন সময় আমাদের উপর হামলা চালিয়েছে। কিন্তু প্রশাসনের কাছ থেকে আমরা এর কোনো বিচার পাইনি। আমাদের দাবি চাকসু নির্বাচনের আগে প্রশাসন যেন ক্যাম্পাসে সবগুলো ছাত্রসংগঠনের সহাবস্থান নিশ্চিত করে।

তিনি বলেন, আমরা জাতীয় নির্বাচনের মতো কোন প্রহসনের নির্বাচন চাই না। আমরা চাই সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন।

একুশে/আইএস/এসসি

মহান বিজয় দিবস ২০১৯ উপলক্ষে একুশে পত্রিকা কর্তৃক একটি বিশেষ সংখ্যা প্রকাশের উদ্যেগকে স্বাগত জানাই। বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের পক্ষ হতে উক্ত প্রকাশনার সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে জানাই-

বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা

একটি সুখী, সমৃদ্ধ, ক্ষুধা ও দারিদ্র স্বপ্নীল ও ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার এবং সন্ত্রাসমুক্ত পরিবেশ প্রতিষ্টার প্রত্যয় নিয়ে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ নিজস্ব উন্নয়ন কর্মসূচি এবং ২৮ টি ন্যস্ত বিভাগের বিভাগীয় কার্যক্রমের সমন্বয় সাধনসহ নিম্নবর্ণিত কার্যদি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছেঃ

১) শিক্ষা
২) স্বাস্থ্য সেবা
৩) কৃষি
৪) মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ
৫) ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প
৬) যোগাযোগ
৭) পানীয় জল ও স্যানিটেশন
৮) সমবায় ও সমাজ সেবা কার্যক্রম
৯) ক্রীড়া ও সংস্কৃতি কর্মকান্ড
১০) স্থানীয় পর্যটন
১১) আইসিটি সেক্টর উন্নয়ন এবং
১২) মানব সম্পদ উন্নয়ন ইত্যাদি।

একটি উন্নত, সমৃদ্ধ, আধুনিক ও সম্প্রীতিত মডেল জেলা হিসেবে বান্দরবানকে গড়ে তোলাই হলো আমাদের দৃঢ় অঙ্গীকার-

ক্য শৈ হ্লা
চেয়ারম্যান
বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ
বান্দরবানান