সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ২ পৌষ ১৪২৬

চবিতে ২ দিনব্যাপী ‘জাতীয় বিতর্ক উৎসব’ কাল শুরু

প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, মার্চ ২১, ২০১৯, ৮:১৩ অপরাহ্ণ

চবি প্রতিনিধি : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী বিতর্কিক সংগঠন ‘চিটাগাং ইউনিভার্সিটি স্কুল অব ডিবেট’র (সিইউএসডি) উদ্যোগে শুরু হতে যাচ্ছে ২ দিনব্যাপী এমজেএফ (মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন) আন্তঃবিশ্ববদ্যালয় জাতীয় বিতর্ক উৎসব-১৯।

বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) দুপুর ২টায় চবি সাংবাদিক সমিতির (চবিসাস) কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এক লিখিত বক্তব্যে এসব তথ্য জানান সংগঠনটির সভাপতি অভিষেক দত্ত।

এই বিতর্ক প্রতিযোগিতার প্রতিপাদ্য বিষয়’যুক্তি হোক তীক্ষ্মধার, চেতনা হোক সমতার’। এতে দেশের ২৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩২টি দল অংশ নিবে এবং বিচারক হিসেবে থাকবেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেষ্ঠ বিতার্কিকরা।

২ দিন ব্যাপী এই বিতর্ক প্রতিযোগিতার প্রথম দিন অনুষ্ঠিত হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদে এবং দ্বিতীয় দিন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে থিয়েটার ইনস্টিটিউট গ্যালারিতে।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আগামী ২২ মার্চ উৎসবের প্রথম পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। ২৩ মার্চ সমাপনী সেশন অনুষ্ঠিত হবে। সমাপনী সেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী।

অভিষেক বলেন, নারী ও পুরুষের সমানাধিকার ও সমতার ভিত্তিতে যৌথ সমাজ বিনির্মাণ সম্ভব বলে সিইউএসডির বিশ্বাস।
যুক্তির পাল্লা দিয়ে আমরা প্রতিষ্ঠা করতে চাই লিঙ্গসাম্য ও মানবিক মর্যাদা। তাই এবারের আয়োজনের বিশেষত্ব প্রতিটি দলে অন্তত একজন নারী বিতার্কিক থাকা বাধ্যতামূলক।

বিতর্ক উৎসবের টাইটেল স্পন্সর হিসেবে থাকবে ‘মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন’। এক্সক্লুসিভ রেডিও পার্টনার হিসেবে থাকবে রেডিও ফুর্তি ও মিডিয়া পার্টনার হিসেবে থাকবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (চবিসাস)।

একুশে/আইএস/এসসি

মহান বিজয় দিবস ২০১৯ উপলক্ষে একুশে পত্রিকা কর্তৃক একটি বিশেষ সংখ্যা প্রকাশের উদ্যেগকে স্বাগত জানাই। বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের পক্ষ হতে উক্ত প্রকাশনার সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে জানাই-

বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা

একটি সুখী, সমৃদ্ধ, ক্ষুধা ও দারিদ্র স্বপ্নীল ও ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার এবং সন্ত্রাসমুক্ত পরিবেশ প্রতিষ্টার প্রত্যয় নিয়ে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ নিজস্ব উন্নয়ন কর্মসূচি এবং ২৮ টি ন্যস্ত বিভাগের বিভাগীয় কার্যক্রমের সমন্বয় সাধনসহ নিম্নবর্ণিত কার্যদি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছেঃ

১) শিক্ষা
২) স্বাস্থ্য সেবা
৩) কৃষি
৪) মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ
৫) ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প
৬) যোগাযোগ
৭) পানীয় জল ও স্যানিটেশন
৮) সমবায় ও সমাজ সেবা কার্যক্রম
৯) ক্রীড়া ও সংস্কৃতি কর্মকান্ড
১০) স্থানীয় পর্যটন
১১) আইসিটি সেক্টর উন্নয়ন এবং
১২) মানব সম্পদ উন্নয়ন ইত্যাদি।

একটি উন্নত, সমৃদ্ধ, আধুনিক ও সম্প্রীতিত মডেল জেলা হিসেবে বান্দরবানকে গড়ে তোলাই হলো আমাদের দৃঢ় অঙ্গীকার-

ক্য শৈ হ্লা
চেয়ারম্যান
বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ
বান্দরবানান