চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিন পিং এর দু’দিনের সফরের প্রথম দিনে ২৭ সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এতে সন্ত্রাস দমন, ব্যবসা বাণিজ্য ও দু’দেশের জনকল্যাণকে প্রাধান্য দিয়েই চুক্তি ও সমঝোতা সাক্ষর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দু’দেশের রাষ্ট্রপ্রধান। চীনের রাষ্ট্রপতির এই সফর ও দুই রাষ্ট্রপ্রধানের আলোচনা ফলপ্রসূ বলে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জানান তারা।
দু’দিনের সফরে প্রথম দিনেই দুপুর তিনটার দিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বি-পক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেন চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিন পিং। এ সময় দুই দেশের মধ্যে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
আলোচনায় ও চুক্তিতে প্রাধান্য পায় সন্ত্রাসবাদ দমন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, কৃষি, যোগাযোগ, অবকাঠামো, বিদ্যুৎ ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ নিয়ে দু’দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো।
অনুষ্ঠানে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান উদ্বোধন করেন কনফুসিয়াস ইন্সটিটিউট, ইউনিভার্সিটি অব ঢাকা; কর্ণফুলী মাল্টি লেন টানেল, পায়রা ৩২০ মেগাওয়াট থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্ট চট্টগ্রাম ১৩২০ মেগাওয়াট থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্টসহ একটি ডেটা সেন্টার। এ সময় দু’দেশের জনকল্যাণকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে।
এসময় চীনের রাষ্ট্রপতি জানান, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, কৃষি, যোগাযোগ ও সন্ত্রাসবাদ দমনে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি দুই দেশের সম্পর্ক জোরদারে কাজ করা হবে।
উদ্বোধন শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে দু’দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, এই সফরকে ফলপ্রসূ বলে উল্লেখ করেন।
এছাড়া দু’দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো এগিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন চীনের রাষ্ট্রপতি। তিনি আরও জানান, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, কৃষি, যোগাযোগ ও সন্ত্রাসবাদ দমনে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি দুই দেশের সম্পর্ক জোরদারে কাজ করা হবে।
সব মহলে, চীনের রাষ্ট্রপতির এ সফরে দু’দেশের বাণিজ্যিক ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন বিষয়ে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।