মঙ্গলবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯, ৭ কার্তিক ১৪২৬

প্রকাশিত সংবাদের একাংশের ভিন্নমত

প্রকাশিতঃ শনিবার, জুলাই ১৩, ২০১৯, ৬:৪২ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রাম : ‘অ্যাক্ট লঙ্ঘন করে চবিতে সহকারী প্রক্টর নিয়োগের হিড়িক’ শীর্ষক একুশে পত্রিকায় গত ১১ জুলাই প্রকাশিত সংবাদের একাংশে ভিন্নমত পোষণ করেছেন চবি নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোক্তার আহমেদ চৌধুরী।

একুশে পত্রিকায় পাঠানো এক ব্যাখ্যায় তিনি দাবি করেন, মোক্তার আহমেদ চোধুরীকে প্রথমে সহকারী প্রক্টর হিসেবে দিতে চেয়েছিলেন চবি উপাচার্য, কিন্তু সাবেক প্রক্টর প্রফেসর সিরাজউদ্দোলা, প্রফেসর কাজী এস এম খসরুল আলম কুদ্দুসী ও প্রফেসর রাহমান নাসির উদ্দীনের বাধার মুখে মোক্তার আহমেদ চৌধুরীর কপাল পুড়ে যায়- কথাটি সঠিক নয়।

তিনি বলেন, আমার অনুষদের সম্মানিত ও শ্রদ্বাভাজন প্রফেসর বৃন্দের বিপরীতে আমাকে দাঁড় করিয়ে দেয়াটা আপত্তিকর ও অসম্মানের। তাছাড়া সহকারী প্রক্টরের দায়িত্ব নেওয়া, এই বিষয়ে উপাচার্য মহোদয় ও অন্য কোনো শিক্ষকের সাথে আমার আলাপ হয়নি। এমনকি কেউ আলোচনা করেছেন বলেও আমার জানা নেই। নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষকতার বাইরে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করার কোনো আগ্রহ আমার নেই।

আমাকে দিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের কাছে তদবির করিয়েছেন উপাচার্য মহোদয়-সংবাদে প্রকাশিত এমন উক্তিটিও সত্য নয়- বলেন মোক্তার আহমেদ চৌধুরী।

প্রতিবেদকের বক্তব্য : মোক্তার আহমেদ চৌধুরীর অনুরোধে হোক কিংবা অন্য কোনো মহলের অনুরোধে হোক ভিসির রুটিন দায়িত্বে থাকা ড. শিরীণ আক্তারের সহকারী প্রক্টর তালিকায় মোস্তাক আহমেদ চৌধুরীর নাম থাকা এবং উল্লেখিত তিন সিনিয়র শিক্ষকের অনাগ্রহের কারণে শেষ পযন্ত তালিকা থেকে তার নাম বাদ পড়া- এই কথাটি সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে সংবাদে ছাপা হয়েছে।

এছাড়া মোক্তার আহমেদ ‘সহকারী প্রক্টর’ ইস্যুতে তার কোনো আগ্রহ ও সম্পৃক্ততার পাশাপাশি এ নিয়ে কোনো মহলে কোনো আলোচনা হয়নি দাবি করলেও একুশে পত্রিকার সাথে ফোনালাপের এক অংশে তাকে সহকারী প্রক্টর করার জন্য কেউ কেউ ড. শিরীণ আক্তারের কাছে আলোচনা বা অনুরোধ নিয়ে গেছেন বলে স্বীকার করেন। তাতেই বোঝা যায় তিনি সহকারী প্রক্টর হতে চেয়েছেন নাকি চাননি!

সম্মানিত ও শ্রদ্ধাভাজন তিন শিক্ষককে একুশে পত্রিকা মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছেন এবং তাতে মোক্তার আহমেদ চৌধুরী ‘অসম্মানিত’ হয়েছেন দাবি করলেও প্রকৃতপক্ষে ওই তিন শিক্ষক না চাওয়াটাই তার সহকারী প্রক্টর না হওয়ার অন্যতম কারণ, যা সংশ্লিষ্ট অনেকের সাথে কথা বলে একুশে পত্রিকা জানতে পেরেছে।

মোক্তার আহমেদ চৌধুরী একসময় ওই তিন শিক্ষকের ‘কাছের জন’ হিসেবে পরিচিত থাকলেও শিক্ষক-রাজনীতি, নির্বাচন, আনুগত্য ইত্যাদি ইস্যুতে এখন দূরত্বে অবস্থান করছেন সে সব তথ্যও একুশে পত্রিকাকে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়-সংশ্লিষ্ট অনেকেই।