মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২

ইমরান খানের বিরুদ্ধে জামিন–অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

| প্রকাশিতঃ ২৫ জুলাই ২০২৩ | ২:১০ অপরাহ্ন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) চেয়ারম্যান ইমরান খানের বিরুদ্ধে জামিন–অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে দেশটির নির্বাচন কমিশন (ইসিপি)। সোমবার ইমরান খানের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে এই পরোয়ানা।

পাকিস্তান নির্বাচন কমিশন (ইসিপি) ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে (সিইসি) অবমাননার মামলায় তার বিরুদ্ধে এই জামিনঅযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। সোমবার (২৪ জুলাই) এই পরোয়ানা জারি করে ইসিপি।

এর আগেও তার বিরুদ্ধে জামিন–অযোগ্য পরোয়ানা জারি করেছিল কমিশন। কিন্তু তলব করার পরও তিনি নির্ধারিত সময়ে কমিশনের শুনানিতে হাজির হননি।

সোমবার রাতে পিটিআইয়ের অফিশিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্টে গ্রেফতারি পরোয়ানার একটি ছবি পোস্ট করা হয়। এতে বলা হয়েছে, গ্রেফতারি পরোয়ানার কপি ইমরান খানের লাহোরের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তার আইনি দলের এক সদস্য এটি গ্রহণ করেছেন।

ওই পোস্টে আরও বলা হয়েছে, ইমরান খানকে মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনের শুনানিতে হাজির হতে বলা হয়েছে। তিনি কমিশনে হাজিরা দিতে পারেন।

পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আবদুল রাজ্জাক শাহ হত্যা মামলায় ইমরান খানকে আগামী ৯ আগস্ট পর্যন্ত পুলিশ গ্রেফতার করতে পারবে না বলে আদেশ জারির কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ইসিপি ওই পরোয়ানা জারি করে।

নির্বাচন কমিশন ইসলামাবাদের পুলিশের মহাপরিদর্শককে ইমরান খানকে গ্রেপ্তারি করে তাকে নির্বাচন কমিশনে হাজির করতে নির্দেশ দিয়েছে।

এই নোটিশ পাওয়ার সামান্য পরই ইউটিউবে ইমরান খান বলেন, তিনি ‘কারাগারে যেতে প্রস্তুত।’

গত বছর দেশটির নির্বাচন কমিশন ও সিইসির বিরুদ্ধে অশালীন ভাষা ব্যবহারের অভিযোগে পিটিআই প্রধানসহ দলটির সাবেক মহাসচিব আসাদ উমর ও সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ফাওয়াদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে ইসিপি।

গত বছর পাকিস্তানের পার্লামেন্টে আনা অনাস্থা প্রস্তাবে হেরে ক্ষমতাচ্যুত হন ইমরান খান। এরপর পাকিস্তানের প্রধান বিরোধী দলের এই নেতার বিরুদ্ধে কয়েক ডজন মামলা হয়েছে। ঘুষ গ্রহণের এক মামলায় গত মে মাসে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হলে দেশজুড়ে সহিংস বিক্ষোভ হয়। ইমরান খান এখন জামিনে আছেন।

পিটিআইয়ের চেয়ারম্যান বলেন, তার বিরুদ্ধে মোট ১৮০টি মামলা রয়েছে। এমন ‘মিথ্যা’ মামলায় তিনি এক আদালত থেকে অন্য আদালতে ছুটছেন। বিশ্বের কোনো দেশে ৬ মাসে একজনের বিরুদ্ধে ১৮০টি মামলা হয়েছে কি না, তা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন তিনি।