
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ আহছান উল্লাহ মন্তব্য করেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যে বিএনপি করেছিলেন, সেই বিএনপি এখন আর নেই। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও নারী নির্যাতনের কারণে মানুষ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। একই সঙ্গে তিনি পটিয়াকে জেলা ঘোষণার জোর দাবি জানিয়েছেন।
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় পটিয়া পৌর সদরের বাসস্টেশন এলাকায় ১১ দলীয় জোট মনোনীত জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. ফরিদুল আলমের (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক) সমর্থনে আয়োজিত গণমিছিলপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অধ্যক্ষ আহছান উল্লাহ বলেন, পটিয়া শিক্ষিত ও ব্যবসায়ীদের এলাকা হলেও নানা কারণে একে পিছিয়ে রাখা হয়েছে। তাই পটিয়াকে জেলা ঘোষণার দাবি তুলতে হবে। জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় এলে বেকারত্ব কমানোর জন্য বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই বলেই ১১ দলীয় ঐক্য গড়ে তুলেছি। আমাদের এ ঐক্য ইস্পাতের চেয়েও শক্ত হবে। জামায়াতে ইসলামী সুন্দর রাষ্ট্র গড়তে একদল সৎ নেতৃত্ব তৈরি করেছে।
পটিয়া উপজেলা জামায়াতের আমীর জসিম উদ্দীনের সভাপতিত্বে এবং কালারপোল থানা আমীর মাস্টার নাছির উদ্দীনের সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় শ্রমিক কল্যাণের সহকারী সেক্রেটারি মো. ইছহাক।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের প্রার্থী ডা. ফরিদুল আলম। তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ পটিয়া গড়ে তুলব। পটিয়ায় যেসব সমস্যা রয়েছে, আমরা তা ইশতেহারে উল্লেখ করেছি এবং অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সব সমস্যা সমাধান করব।
ডা. ফরিদুল আলম আরও বলেন, আমরা এমন প্রতিশ্রুতি দেব না, যা রাখতে পারব না। মিথ্যার রাজনীতি জামায়াতে ইসলামী করে না। দুর্নীতি ও চাঁদাবাজিমুক্ত পটিয়া গড়তে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি বদরুল হক, দক্ষিণ জেলা এলডিপির সভাপতি এম. ইয়াকুব আলী, মহানগর ব্যবসায়ী থানা জামায়াতের আমীর শাহজাহান মহিউদ্দীন, পটিয়া শহর শিবিরের সভাপতি মাহবুব উল্লাহ এবং পটিয়া সরকারি কলেজ শিবিরের সভাপতি আবুল হাসনাত মো. জুবাইর প্রমুখ। সমাবেশ শেষে এক বিশাল গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়।