সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত রাউজান গড়তে মোমবাতি প্রতীকে ভোট চান ইলিয়াছ নূরী

রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি | প্রকাশিতঃ ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | ৯:২০ অপরাহ্ন


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে রাউজানের ভোটের মাঠ। প্রার্থীদের বিরামহীন প্রচারণায় মুখর জনপদ। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলার জলিল নগর চত্বরে চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে বৃহত্তর সুন্নী জোট ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী অধ্যক্ষ আল্লামা ইলিয়াছ নূরীর সমর্থনে এক বিশাল পথসভা ও নির্বাচনী মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রাউজান পৌরসভা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আতের সভাপতি আল্লামা সিরাজুল ইসলাম চিশতির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আত কেন্দ্রীয় পরিষদের চেয়ারম্যান শায়খুল হাদীস আল্লামা কাজী মঈনুদ্দিন আশরাফী। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান জননেতা আল্লামা এম এ মতিন।

পথসভায় প্রার্থী অধ্যক্ষ আল্লামা ইলিয়াছ নূরী ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, অস্ত্রের ঝনঝনানিতে দীর্ঘকাল অশান্ত ছিল রাউজান। এই জনপদকে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত একটি নিরাপদ, উন্নত ও সমৃদ্ধ উপজেলা হিসেবে গড়তে আপনারা মোমবাতি মার্কায় ভোট দিন। আমরা কোনো নির্দিষ্ট দল বা মতের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে আসিনি, বরং আমরা শ্রেষ্ঠ জীবনাদর্শ কুরআন-সুন্নাহর আলোকে সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দিকে অগ্রসর হচ্ছি। আমাকে যদি আপনারা নির্বাচিত করেন, তবে সব ধর্ম ও মতাদর্শের মানুষের সহাবস্থান নিশ্চিত করে এবং সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আমি এই রাউজানকে শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে সারা দেশে একটি উদাহরণ হিসেবে দাঁড় করাব।

উপজেলা যুবসেনার সাধারণ সম্পাদক এম সাইফুল ইসলাম নেজামী ও রবিউল হোসাইন সুমনের যৌথ সঞ্চালনায় সভায় আরও গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন—ইসলামী ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট আবু নাছের তালুকদার, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সচিব এনামুল হক সিদ্দিকী, মাওলানা ফজলুল করিম তালুকদার, মাওলানা মুক্তার আহমেদ রেজভী, মাওলানা দৌলত খান, মাওলানা শামসুল আলম নঈমী, আল্লামা হেলালী, মাওলানা আবুল কাশেম রেজভী, মাওলানা ফরিদুল আলম, কাজী মুহাম্মদ শফিউল আজম এবং হাসান সওদাগর তৈয়বী।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, সুফিবাদী জনতার ঐক্যই পারে রাউজানকে কলুষমুক্ত করতে। তারা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি মোমবাতি প্রতীকে ভোট দিয়ে নীরব বিপ্লব ঘটানোর আহ্বান জানান।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তব্য রাখেন—কাজী আব্দুল্লাহ আর রায়হান, মাওলানা অলিউল্লাহ জিহাদী, মাওলানা মুছা আলকাদেরী, মুহাম্মদ ইসমাইল হোসেন, মুহাম্মদ আমান উল্লাহ আমান, মাওলানা সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া, মাওলানা সরওয়ার উদ্দিন, মুহাম্মদ নাজিম উদ্দিন, আব্দুর রহমান বাবর, মুহাম্মদ শাহ আলম, দোস্ত মুহাম্মদ বাবুল, মাওলানা নেজাম উদ্দিন তৈয়বী, মুহাম্মদ তসলিম উদ্দিন বাদশা, আবুল কালাম আজাদ, মুহাম্মদ আলমগীর হোসাইন, মুহাম্মদ শাহেদুল আলম, মুহাম্মদ ফরহাদুল ইসলাম, মুহাম্মদ নুরুল হায়দার, কাজী মোজাম্মেল, এম এ রায়হান, কে এম আজাদ রানা, মুহাম্মদ আব্দুস সত্তার, মুহাম্মদ মোশাররফ হোসাইন, মুহাম্মদ রাশেদুল আলম, এম এ ছগির, মাওলানা শওকত হোসাইন, মুহাম্মদ এনামুল হক মুন্না, মুহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন, কাজী তাজুল ইসলাম আসিফ, মুহাম্মদ কায়েস উদ্দিন, মুহাম্মদ নাঈম উদ্দিন, মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, আব্দুল করিম সিরাজী ও মুহাম্মদ শওকত আলী প্রমুখ।

পথসভা শেষে অধ্যক্ষ আল্লামা ইলিয়াছ নূরীর নেতৃত্বে একটি বিশাল নির্বাচনী মিছিল অনুষ্ঠিত হয়, যা এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।