সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

রাউজানে ডিজিটাল কার্ডে মিলছে ইফতার সামগ্রী

৩০ হাজার পরিবারে জসিম উদ্দিনের উপহার
রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি | প্রকাশিতঃ ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | ৬:৩৫ অপরাহ্ন


পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সরকার কর্তৃক ৬ বার সেরা রেমিট্যান্স দাতার পুরস্কারপ্রাপ্ত জসিম উদ্দিনের অর্থায়নে চট্টগ্রামের রাউজানে ৩০ হাজার দুস্থ ও অসচ্ছল পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের ইউনুচ কোম্পানির বাড়িতে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ১০ দিনব্যাপী এই মহতী কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

আলহাজ জসিম উদ্দিন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ফাউন্ডেশনের পরিচালক আলহাজ মোহাম্মদ রফিক। বিতরণকৃত প্রতিটি প্যাকেটে রয়েছে ১ বস্তা চাল, ১ বস্তা আলু, ছোলা, সেমাই, চিনি, তেল, চিড়া, ডাল ও মুড়িসহ মোট ৯টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য। পুরো রমজান মাসের চাহিদা মেটাতে এই বিপুল পরিমাণ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, গত ২৫ বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে আলহাজ জসিম উদ্দিন এলাকার দরিদ্র পরিবারের মাঝে রমজান মাসে খাদ্য সহায়তা দিয়ে আসছেন। এবার রাউজানের ১৪টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার প্রায় ৩০ হাজার পরিবারকে এই সহায়তার আওতায় আনা হয়েছে। কার্যক্রমটি সুশৃঙ্খল করতে গত ৬ মাস ধরে ডিজিটাল পদ্ধতিতে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয় এবং উপকারভোগীদের মাঝে ডিজিটাল কার্ড বিতরণ করা হয়। বিতরণের সময় বুথ থেকে স্ক্যানারের মাধ্যমে কার্ড যাচাই করে সঠিক ব্যক্তির হাতে খাদ্যসামগ্রী তুলে দেওয়া হচ্ছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফাউন্ডেশনের পরিচালক মোহাম্মদ মোখতার আহমদ, আবু তাহের, নোয়াপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ মাস্টার, সমাজসেবক খসরুল আমিন চৌধুরী, ফাউন্ডেশনের পরিচালক ইয়াসিনুল হক, ফুকে আজম, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের (আইআইইউসি) অধ্যাপক ড. মফিজুর রহমান, সমাজসেবক আশরাফ আলী, সাংবাদিক এস এম ইউসুফ উদ্দিন এবং মাওলানা মুফতি ইব্রাহিম।

ফাউন্ডেশন সূত্রে আরও জানা যায়, প্রতিদিন ৩ হাজার করে আগামী ১০ দিন এই বিতরণ কার্যক্রম চলবে। কার্যক্রমটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে জসিম উদ্দিন ফাউন্ডেশনের শতাধিক কর্মী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ইউনুচ কোম্পানির বাড়িতে আগে থেকেই এসব খাদ্যসামগ্রী মজুদ করা হয়েছে এবং সেখান থেকেই সুশৃঙ্খলভাবে তা বিতরণ করা হচ্ছে। স্থানীয়রা এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।