
নোয়াখালী-১ (সোনাইমুড়ী-চাটখিল) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের (হাতপাখা) পরাজিত প্রার্থী জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা অপপ্রচারের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছে স্থানীয় বিএনপি। নির্বাচনে জামানত হারিয়ে তিনি বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ করছেন বলে দাবি দলটির।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে সোনাইমুড়ী উপজেলার দেওটি ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মুহুরীগঞ্জ আব্দুল মতিন পাটোয়ারী উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র কমিটির আহ্বায়ক ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদুর রহমান।
লিখিত বক্তব্যে মাসুদুর রহমান বলেন, গত বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী জহিরুল ইসলাম বহিরাগত কিছু লোকজন নিয়ে মুহুরীগঞ্জ আব্দুল মতিন পাটোয়ারী উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এ সময় কেন্দ্রের নিরাপত্তার স্বার্থে স্থানীয় জনতা তাদের বাধা দেয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতেই উভয়পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। অথচ এই ঘটনার দায় তিনি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিএনপির ওপর চাপাচ্ছেন।
বিএনপি নেতারা আরও অভিযোগ করেন, নির্বাচনের পর গত ১৩ ফেব্রুয়ারি সকালে জহিরুল ইসলাম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে ‘চাঁদাবাজির বিছমিল্লাহ- প্রথম ৫০,০০০ টাকা চাঁদাবাজির শিকার নোয়াখালী-১ আসনের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী জহিরুল ইসলাম’ লিখে একটি পোস্ট দেন। ওই দিন রাতেই তিনি থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন যে বিএনপির লোকজন তার মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়েছে। তবে এসব দাবির পক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয় ও জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার পর জহিরুল ইসলাম বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে উঠেপড়ে লেগেছেন। বিএনপিকে জড়িয়ে তার করা চাঁদাবাজি ও মোবাইল ছিনতাইয়ের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। তারা প্রশাসনের কাছে এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে অপপ্রচারকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে দেওটি ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব ইসমাইল হোসেন বাবুলসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।