সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

ঈদের আগেই বেতন-বোনাস পাবেন চট্টগ্রামের শ্রমিকরা, মালিকপক্ষের আশ্বাস

একুশে প্রতিবেদক | প্রকাশিতঃ ৬ মার্চ ২০২৬ | ৭:৪২ অপরাহ্ন


আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চট্টগ্রামের শিল্পকারখানাগুলোর শ্রমিকদের বেতন-ভাতা ও উৎসব বোনাস সময়মতো পরিশোধের আহ্বান জানিয়েছে আঞ্চলিক ক্রাইসিস প্রতিরোধ কমিটি।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে কমিটির ৩০তম সভায় এই তাগিদ দেওয়া হয়।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে সভায় সদস্যসচিব হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের (ডাইফ) চট্টগ্রাম কার্যালয়ের উপমহাপরিদর্শক মোহাম্মদ মাহবুবুল হাসান এবং ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ শর্মা।

এ ছাড়া সভায় জেলা শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার, জেলা পুলিশের প্রতিনিধি, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই), ডিজিএফআই, বাংলাদেশ ব্যাংক, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, ইপসাসহ বিভিন্ন এনজিও, তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকপক্ষ এবং শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় আসন্ন ঈদুল ফিতর সামনে রেখে চট্টগ্রাম অঞ্চলের শিল্পকারখানায় শ্রম পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ রাখা এবং শ্রমিকদের বেতন-ভাতা ও উৎসব বোনাস সময়মতো পরিশোধ নিশ্চিত করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

আলোচনা শেষে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয় যে, সংশ্লিষ্ট শিল্পপ্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের সব বকেয়া বেতন, চলতি মাসের মজুরি এবং ঈদ বোনাস নির্ধারিত সময়ের আগেই পরিশোধ করা হবে। এ বিষয়ে উপস্থিত মালিকপক্ষের প্রতিনিধিরা ইতিবাচক আশ্বাস দেন।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, চট্টগ্রাম দেশের অন্যতম প্রধান শিল্প ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র। জাতীয় অর্থনীতির স্বার্থেই শিল্প খাতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে এবং উৎসবের আগে তাঁদের প্রাপ্য পরিশোধের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

সভায় শিল্পপ্রতিষ্ঠানে শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল কর্মপরিবেশ বজায় রাখা এবং যেকোনো শ্রমসংক্রান্ত সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের জন্য সব পক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। শ্রমজীবী মানুষ যেন তাঁদের প্রাপ্য অধিকার নিশ্চিত করে পরিবার-পরিজন নিয়ে আনন্দমুখর পরিবেশে ঈদ উদ্‌যাপন করতে পারেন, সে বিষয়ে সভায় উপস্থিত সবাই সম্মিলিত অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।