
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে চাঁদাবাজি ও দস্যুতার অভিযোগে ছাত্রদলের এক কর্মীসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ। এ সময় অপহৃত এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী নাজমুল হক তাঁদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে পৃথক অভিযান চালিয়ে ওই দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন বারইয়ারহাট পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর সোনাপাহাড় এলাকার মো. আলমগীরের ছেলে সাফায়েত হোসেন শুভ (২৫) এবং কাটাছরা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বামনসুন্দর এলাকার রফিকুল ইসলাম সোহেল (৩৭)। সাফায়েত হোসেন বারইয়ারহাট পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।
পুলিশ জানায়, গত মঙ্গলবার সকালে উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের দক্ষিণ সোনাপাহাড় এলাকার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মস্তাননগর বিশ্বরোডে নাছিমা আক্তার (৪৮) নামের এক নারীকে কৌশলে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নেয় দুর্বৃত্তরা। পরে তাঁর হাত ও চোখ বেঁধে সর্বস্ব লুটে নেওয়া হয়। এই দস্যুতার ঘটনায় জড়িত রফিকুল ইসলাম সোহেলকে বৃহস্পতিবার বিকেলে গ্রেপ্তার করা হয়।
একই দিন অন্য একটি অভিযানে চাঁদা দাবির অভিযোগে সাফায়েত হোসেন শুভকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় তাঁর জিম্মায় থাকা জাবেদ উদ্দিন রনি নামের এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়। ওই ব্যক্তিকে আটকে রেখে তাঁর পরিবারের কাছে চাঁদা দাবি করা হচ্ছিল।
জোরারগঞ্জ থানার ওসি কাজী নাজমুল হক জানান, ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ পাওয়ার পর স্থানীয়দের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে দস্যুতা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে ওই দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। থানায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।