
বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নের কুইজ্জাখোলায় গ্রামীণ সড়ক ভেঙে গিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বানিয়ারছড়া স্টেশন থেকে পাশের ফাইতং ইউনিয়নের সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম এই কুইজ্জাখোলা সড়ক। বৃহস্পতিবার সকালে বৃষ্টির পানির তোড়ে সড়কটি ভেঙে যায়।
স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার ও বুধবার টানা দুই দিনের ভারী বৃষ্টির পানির চাপে সড়কটি ভেঙে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এতে স্থানীয়দের পাশাপাশি বানিয়ারছড়া স্টেশন থেকে ফাইতংগামী যাত্রীদেরও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
কুইজ্জাখোলা গ্রামে অন্তত ৫৫টি পরিবারের বসবাস বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এবং বহু শিক্ষার্থী চকরিয়া সরকারি কলেজে যাতায়াত করেন। এলাকাবাসীর চলাচলের একমাত্র ভরসা এই সড়ক।
ফাইতং ইউনিয়নের বাসিন্দা সাংবাদিক ইসমাইলুল করিম জানান, সড়কটি ভেঙে যাওয়ায় এলাকাবাসীর স্বাভাবিক জীবনযাপন কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে কুইজ্জাখোলার মানুষ এখন কার্যত গৃহবন্দী অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।
তিনি বলেন, রাস্তার এমন দশায় অনেকে অসুস্থ রোগীদের হাসপাতালে নিতে পারছেন না, জনসাধারণ দৈনন্দিন বাজার-সদাইও করতে পারছেন না।
ভুক্তভোগীরা ভেঙে যাওয়া অংশে একটি সেতু নির্মাণের জন্য বান্দরবানের জেলা প্রশাসক, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, লামা উপজেলা প্রশাসন ও এলজিইডির জরুরি হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।
ফাইতং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ওমর ফারুক জানান, সড়কটি ভেঙে যাওয়ায় কুইজ্জাখোলার মানুষ চলাচলে কষ্ট পাচ্ছেন। বিষয়টি ইতোমধ্যে লামা উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উপজেলা প্রকৌশলীকে জানানো হয়েছে।