
মিরসরাইয়ে কালবৈশাখী ঝড়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়। রোববার বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় ছিলেন।
শনিবার দুপুরের পর কালবৈশাখীর আঘাতে গাছপালা ভেঙে বৈদ্যুতিক খুঁটি ভাঙা ও তার ছিঁড়ে যাওয়ায় প্রায় ২০ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েন। রোববার সকাল থেকে অনেক গ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হলেও অনেক এলাকায় সংযোগ বিচ্ছিন্নই রয়ে গেছে।
দিনভর গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে লাইনম্যানরা কাজ করতে না পারায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে দেরি হচ্ছে বলে জানিয়েছে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ।
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মধ্যে রয়েছে আবুরহাট, সোনাপাহাড় ও ওচমানপুরসহ বিভিন্ন গ্রাম। বিদ্যুৎ না থাকায় বিপণি বিতান, পোলট্রি খামার এবং চলমান এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ভোগান্তি চরমে উঠেছে।
চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ বারইয়ারহাট জোনাল অফিসের ডিজিএম হেদায়েত উল্লাহ জানান, গাছের ডাল ভেঙে লাইনে পড়ে ২টি খুঁটি ভেঙেছে, ৭টি হেলে পড়েছে এবং ২টি ট্রান্সফর্মার নষ্ট হয়েছে। ৩০ থেকে ৪০টি খুঁটির তার ও ড্রপ তার ছিঁড়ে গেছে।
তিনি বলেন, “বৃষ্টির কারণে লাইনম্যানদের কাজ করতে যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে। আশা করি বৃষ্টি না হলে আজ রাতে বা আগামীকাল সকালে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে।”
জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের সোনাপাহাড় এলাকার বাসিন্দা সাখাওয়াত সাকিব বলেন, “শনিবার দুপুর থেকে গ্রামে বিদ্যুৎ নেই। রবিবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত আসেনি। পল্লী বিদ্যুৎ অফিস বলছে কাজ চলছে, কিন্তু কবে নাগাদ বিদ্যুৎ আসবে তা জানাতে পারছে না।”
বিষুমিয়ারহাট এলাকার বাসিন্দা সাইদুল ইসলাম বলেন, “এমনিতে গত কয়েকদিন লোডশেডিং চলছে। তার মধ্যে সারাদিন বিদ্যুৎ নেই। কখন আসবে তারও ঠিক নেই।”