সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

চকরিয়ায় বিদ্যুৎকেন্দ্রে ডাকাতি ও ১৯ লাখ টাকা লুট, গ্রেপ্তার ১

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি | প্রকাশিতঃ ২৯ মে ২০২৬ | ৮:৩০ অপরাহ্ন


কক্সবাজারের চকরিয়ায় বিদ্যুৎকেন্দ্রের অফিসে ঢুকে অস্ত্রের মুখে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জিম্মি করে ডাকাতি ও ১৯ লাখ টাকা লুটের ঘটনায় মো. কাদের ওরফে নুরু (২৮) নামের মামলার এজাহারনামীয় এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, কোরবানির ঈদের আগের দিন (২৭ মে) রাত পৌনে বারোটার দিকে চকরিয়া শহরের জনতা শপিং সেন্টার এলাকা থেকে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মো. কাদের ওরফে নুরুকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত মো. কাদের ওরফে নুরু চকরিয়া উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়নের রামপুর গুরুইন্যাকাটা এলাকার মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে।

চকরিয়া থানা পুলিশের মিডিয়া শাখা থেকে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিদ্যুৎকেন্দ্রের অফিসে ডাকাতির ঘটনায় মামলার আসামি মো. কাদের ওরফে নুরুকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

পুলিশ প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, গত ২৪ মে ২০২৬ তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে চকরিয়া উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কোরালখালী এলাকায় অবস্থিত কে.সি.এস প্রজেক্ট সাপোর্ট সার্ভিস পরিচালিত ১৩২/৩৩ কে.ভি এ.আই.এস সাব-স্টেশন বিদ্যুৎকেন্দ্রের অফিসে সংঘবদ্ধ দস্যুতার (ডাকাতি) ঘটনা ঘটে।

কোরবানির ঈদ উপলক্ষে বিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদানের জন্য ব্যাংক থেকে উত্তোলন করে আনা নগদ ১৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা, মোবাইল ফোন ও অন্যান্য মালামাল অস্ত্রের মুখে অফিসের কর্মকর্তাদের জিম্মি করে ভয়ভীতি দেখিয়ে লুট করে নিয়ে যায় দস্যুরা।

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ প্রজেক্টের কর্মচারী সৌরভ কুমার নাথ বাদী হয়ে ২৫ মে তারিখে চকরিয়া থানায় দণ্ডবিধির ৩৯৪ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, বিদ্যুৎ অফিসে ডাকাতি পরবর্তী মামলা রেকর্ড করে পুলিশ জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে। এরই মধ্যে ঈদের আগের দিন রাতে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনির হোসেনের নেতৃত্বে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় পরিচালিত অভিযানে মামলার এজাহারনামীয় দুই নম্বর আসামি মো. কাদের ওরফে নুরুকে গ্রেপ্তার করা হয়।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামি মো. কাদের ওরফে নুরুকে ঈদের পরদিন (শুক্রবার) চকরিয়া উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত এবং মামলার এজাহারনামীয় অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে মোহাম্মদ মনির হোসেন নিশ্চিত করেছেন।